ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৭ বছ‌রের গুম-খুন-কান্না, রিমান্ড অত‌্যাচার সহ্য ক‌রে‌ছি: পার্থ একটি দল টাকা দিয়ে ভোট কিনছে : সেলিমা রহমান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই: আবু সাঈদের বাবা ‘ঘুম থেকে উঠে মানুষ আল্লাহর নাম নেয়, একজন আছে জেগেই আমার নাম নেন’:মির্জা আব্বাস সরকারি কর্মচারীরা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিতে পারবেন না: ইসি সানাউল্লাহ গরিবের টিন-কম্বল কেউ আত্মসাৎ করতে পারবে না : মুফতি ফয়জুল করিম রাজধানীতে আবাসিক ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে চারটি ইউনিট কিশোরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে ভাতিজার হাতে চাচা খুন আমরা অনেক অপরচুনিটি মিস করেছি: নাহিদ হেলমেট না থাকায় ‘সেনাসদস্যের মারধরে’ যুবকের মৃত্যু

‘ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করার পরিণাম হতে পারে বিপজ্জনক’

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল হিলে সহিংসতার পরে বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে সঠিক দাবি করেছেন টুইটার ইনকর্পোরেটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার জ্যাক ডরস।

তিনি বলেন, ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করে আমরা যে খুব গর্বিত হয়েছি, তা নয়। কিন্তু অনলাইনে কেউ যদি সহিংস ভাষণ দেন, তা থেকে অফলাইনেও সহিংসতা ছড়াতে পারে। সেকথা ভেবেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করার পরিণাম বিপজ্জনক হতে পারে উল্লেখ করে এই টুইটার কর্তা আরও বলেন, ট্রাম্পকে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে নিষিদ্ধ করা সঠিক সিদ্ধান্ত। কিন্তু তা একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।
তবে রিপাবলিকান পার্টির নেতারা টুইটারের সমালোচনা করে বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছে।

জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলও একই দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কারও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করা হবে কিনা, তা ঠিক করতে পারেন একমাত্র আইনসভার সদস্যরা। কোনও বেসরকারি সংস্থা তা ঠিক করতে

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করার পরিণাম হতে পারে বিপজ্জনক’

আপডেট সময় ০৩:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল হিলে সহিংসতার পরে বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে সঠিক দাবি করেছেন টুইটার ইনকর্পোরেটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার জ্যাক ডরস।

তিনি বলেন, ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করে আমরা যে খুব গর্বিত হয়েছি, তা নয়। কিন্তু অনলাইনে কেউ যদি সহিংস ভাষণ দেন, তা থেকে অফলাইনেও সহিংসতা ছড়াতে পারে। সেকথা ভেবেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করার পরিণাম বিপজ্জনক হতে পারে উল্লেখ করে এই টুইটার কর্তা আরও বলেন, ট্রাম্পকে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে নিষিদ্ধ করা সঠিক সিদ্ধান্ত। কিন্তু তা একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।
তবে রিপাবলিকান পার্টির নেতারা টুইটারের সমালোচনা করে বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছে।

জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলও একই দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কারও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করা হবে কিনা, তা ঠিক করতে পারেন একমাত্র আইনসভার সদস্যরা। কোনও বেসরকারি সংস্থা তা ঠিক করতে