ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে দুই শিশু ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এমপিদের সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক : স্পিকার ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ট্রাম্প ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, দাবি ট্রাম্পের

একাই লড়লেন মাহমুদউল্লাহ, খুলনার সংগ্রহ ১৫৫

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে পারেনি খুলনা। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের একার লড়াইয়ে শেষপর্যন্ত ১৫৫ রান তুলতে সক্ষম হয় দলটি। ৪৮ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত ৭০ রান করেন রিয়াদ। এছাড়া ২৫ রান করেন ওপেনার জাকির হাসান। ২১ রান করেন আরিফুল হক। ১৫ রান আসে শুভাগত হোমের ব্যাট থেকে।

শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার জহুরুল ইসলাম অমি। দলীয় ২১ রানে অফ স্পিনার সেই নাহিদুল ইসলাদের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন ইমরুল কায়েস।

দলীয় ৪৩ রানে ২০ বলে ২৫ রানে ফেরেন অন্য ওপেনার জাকির হোসেন। চতৃর্থ উইকেটে আরিফুল হককে সঙ্গে নিয়ে ৪০ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ২৩ বলে ২১ রানে ফেরেন আরিফুল। তার বিদায়ের পর আর কোনো ব্যাটসম্যান যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে। তিনি একাই ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলে যান। তার একার লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান করে খুলনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

একাই লড়লেন মাহমুদউল্লাহ, খুলনার সংগ্রহ ১৫৫

আপডেট সময় ০৬:৪৮:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে পারেনি খুলনা। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের একার লড়াইয়ে শেষপর্যন্ত ১৫৫ রান তুলতে সক্ষম হয় দলটি। ৪৮ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত ৭০ রান করেন রিয়াদ। এছাড়া ২৫ রান করেন ওপেনার জাকির হাসান। ২১ রান করেন আরিফুল হক। ১৫ রান আসে শুভাগত হোমের ব্যাট থেকে।

শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার জহুরুল ইসলাম অমি। দলীয় ২১ রানে অফ স্পিনার সেই নাহিদুল ইসলাদের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন ইমরুল কায়েস।

দলীয় ৪৩ রানে ২০ বলে ২৫ রানে ফেরেন অন্য ওপেনার জাকির হোসেন। চতৃর্থ উইকেটে আরিফুল হককে সঙ্গে নিয়ে ৪০ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ২৩ বলে ২১ রানে ফেরেন আরিফুল। তার বিদায়ের পর আর কোনো ব্যাটসম্যান যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে। তিনি একাই ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলে যান। তার একার লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান করে খুলনা।