ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মেজাজ হারিয়ে সতীর্থকেই মারতে গেলেন মুশফিক!

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে বাঁচা-মরার এলিমিনেটর ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল বেক্সিমকো ঢাকা ও ফরচুন বরিশাল। যেখানে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে তামিম ইকবালদের বরিশালকে ৯ রানে হারিয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে জায়গা করে নেয় মুশফিকদের ঢাকা।

টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় ঘটে বরিশালের।

তবে এ ম্যাচে দ্বিতীয় ইনিংসের ১৭তম ওভারে এক অপ্রীতিকর ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছিল মিরপুর স্টেডিয়াম। সেই ওভারের শেষ বলে স্কুপ করতে গিয়ে বল হাওয়ায় ভাসিয়ে দেন বরিশালের ভরসার প্রতীক আফিফ হোসেন ধ্রুব, কিন্তু ধরা পড়েন উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের হাতে।

সেসময় ম্যাচ জিততে ১৯ বলে ৪৫ রান প্রয়োজন ফরচুন বরিশালের। বোলার শফিকুল ইসলামের সেই ওভারের আগের পাঁচ বলে ১০ রান উঠেছিল। আফিফকে আউট করার ক্যাচ মুশফিক গ্লাভসবন্দি করলেও ফাইন লেগে দাঁড়ানো নাসুম আহমেদের দিকে আক্রমণাত্মকভাবে তেড়ে যান তিনি, রাগী চোখে নাসুমের মুখে ঘুষি মারার ভঙ্গিমা করেন তিনি।

ঘটনাটি আসলে আফিফের ব্যাটে লেগে বল যখন পেছনের দিকে যাচ্ছিল, মুশফিক আর নাসুমও ধীর পায়ে সামনে এগুচ্ছিলেন। তবে মুশফিক বলের কাছাকাছি চলে যাওয়ায় থেমে যান নাসুম। ক্যাচটি লুফে নেয়ার পর নাসুমের সঙ্গে মৃদু ধাক্কার মতো লাগে মুশফিকের। আর এতেই চটে যান মুশি।

ইনিসের ১৩তম ওভারে এমন আরেকটি ঘটনা ঘটে। বল করছিলেন নাসুম। আফিফ হোসেন মিড অনে বল ঠেলে দেন। তখন দুজনই ফিল্ডিং করতে চলে গিয়েছিলেন সেখানে। নাসুম স্ট্যাম্প ছেড়ে বল ধরতে চলে যান অন্যদিকে কিপিং গ্লাভস হাতে দৌড়ে আসেন মুশফিকও। ঠিক সেসময় স্ট্রাইক প্রান্তটি অরক্ষিত হয়ে পড়ে। বল নেওয়ার পর মুশফিক রেগে গিয়ে নাসুমকে বল ছুঁড়তে মারতে যান।

মুশফিককে এ ম্যাচে আরও কয়েকবার চোটতে দেখা যায়। তবে ম্যাচ জয়ের জন্যই যে তিনি এমন ছিলেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও সঙ্গে সঙ্গে অধিনায়কের কাছে ক্ষমা চান নাসুম, পর মুহূর্তেই আবার তার পিঠ চাপড়ে দেন মুশফিক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মেজাজ হারিয়ে সতীর্থকেই মারতে গেলেন মুশফিক!

আপডেট সময় ০৮:০২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে বাঁচা-মরার এলিমিনেটর ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল বেক্সিমকো ঢাকা ও ফরচুন বরিশাল। যেখানে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে তামিম ইকবালদের বরিশালকে ৯ রানে হারিয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে জায়গা করে নেয় মুশফিকদের ঢাকা।

টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় ঘটে বরিশালের।

তবে এ ম্যাচে দ্বিতীয় ইনিংসের ১৭তম ওভারে এক অপ্রীতিকর ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছিল মিরপুর স্টেডিয়াম। সেই ওভারের শেষ বলে স্কুপ করতে গিয়ে বল হাওয়ায় ভাসিয়ে দেন বরিশালের ভরসার প্রতীক আফিফ হোসেন ধ্রুব, কিন্তু ধরা পড়েন উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের হাতে।

সেসময় ম্যাচ জিততে ১৯ বলে ৪৫ রান প্রয়োজন ফরচুন বরিশালের। বোলার শফিকুল ইসলামের সেই ওভারের আগের পাঁচ বলে ১০ রান উঠেছিল। আফিফকে আউট করার ক্যাচ মুশফিক গ্লাভসবন্দি করলেও ফাইন লেগে দাঁড়ানো নাসুম আহমেদের দিকে আক্রমণাত্মকভাবে তেড়ে যান তিনি, রাগী চোখে নাসুমের মুখে ঘুষি মারার ভঙ্গিমা করেন তিনি।

ঘটনাটি আসলে আফিফের ব্যাটে লেগে বল যখন পেছনের দিকে যাচ্ছিল, মুশফিক আর নাসুমও ধীর পায়ে সামনে এগুচ্ছিলেন। তবে মুশফিক বলের কাছাকাছি চলে যাওয়ায় থেমে যান নাসুম। ক্যাচটি লুফে নেয়ার পর নাসুমের সঙ্গে মৃদু ধাক্কার মতো লাগে মুশফিকের। আর এতেই চটে যান মুশি।

ইনিসের ১৩তম ওভারে এমন আরেকটি ঘটনা ঘটে। বল করছিলেন নাসুম। আফিফ হোসেন মিড অনে বল ঠেলে দেন। তখন দুজনই ফিল্ডিং করতে চলে গিয়েছিলেন সেখানে। নাসুম স্ট্যাম্প ছেড়ে বল ধরতে চলে যান অন্যদিকে কিপিং গ্লাভস হাতে দৌড়ে আসেন মুশফিকও। ঠিক সেসময় স্ট্রাইক প্রান্তটি অরক্ষিত হয়ে পড়ে। বল নেওয়ার পর মুশফিক রেগে গিয়ে নাসুমকে বল ছুঁড়তে মারতে যান।

মুশফিককে এ ম্যাচে আরও কয়েকবার চোটতে দেখা যায়। তবে ম্যাচ জয়ের জন্যই যে তিনি এমন ছিলেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও সঙ্গে সঙ্গে অধিনায়কের কাছে ক্ষমা চান নাসুম, পর মুহূর্তেই আবার তার পিঠ চাপড়ে দেন মুশফিক।