ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মিডিয়ার প্রশংসা দেখে মনে হয় হাসিনার আমলে আছি: হাসনাত ডাল মে কুচ কালা হে, জামায়াতকে চরমোনাই পীর শুনলাম একটা দল নাকি ৪০ লাখ বোরকা বানাইসে: মির্জা আব্বাস মানুষ তার ওপরই ভরসা করে, যারা অতীতে পরীক্ষিত: তারেক রহমান এ নির্বাচন তাদের লড়াইয়ের ফসল যারা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছে:নাহিদ ভিন্ন ধারার রাজনীতি করা সম্ভব, প্রমাণ করতে চাই: তাসনিম জারা এবারের নির্বাচন নিয়মরক্ষার নয়, এটি জনগণের প্রত্যাশা রক্ষার দায়িত্ব : ইসি সানাউল্লাহ গুম ‘মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ’: বিচারপতি মঈনুল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে: সালাহউদ্দিন ভুটানকে ১২ গোলে উড়িয়ে সাফে দারুণ শুরু বাংলাদেশের

রাজস্ব কর্মকর্তার ফাঁসি, চীনের সঙ্গে বাণিজ্যের ইতি টানছে উত্তর কোরিয়া

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

করোনা আবহের অজুহাতে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে রাশ টেনেছে উত্তর কোরিয়া। আমেরিকার সংবাদ মাধ্যমের দাবি, উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উন চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার পথে হাঁটতে চলেছেন।

চীন থেকে পণ্য আমদানি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ায় ইতিমধ্যেই উন সে দেশের রাজস্ব দফতরের কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্তাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। গত অক্টোবরে চীনা পণ্যের আমদানি ৯৯ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে পিয়ংইয়ং।

উনের বাবা তথা উত্তর কোরিয়ার প্রয়াত কমিউনিস্ট একনায়ক কিম জং ইলের সময় থেকেই সে দেশে চীনা পণ্যের অবাধ আমদানি শুরু হয়েছিল। উনের জমানায় চীনের প্রতি বাণিজ্য নির্ভরতা আরও বাড়ে। বর্তমানে চীনই উত্তর কোরিয়ার বৃহত্তম বাণিজ্য সহযোগী। শুধু আর্থিক বা বাণিজ্যিক সহযোগিতা নয়, কূটনৈতিক এবং সামরিক ক্ষেত্রেও উত্তর কোরিয়ার স্বৈরতন্ত্রকে বরাবরই মদদ দিয়ে এসেছে একদলীয় চীনের শাসক কমিউনিস্ট পার্টি।

২০১৭ সালে পরমাণু কর্মসূচির জেরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা জারির আগে উত্তর কোরিয়ার আমদানি করা ৯০ শতাংশ পণ্যই চীন থেকে আসতো। কিন্তু চলতি বছরের গোড়া থেকেই বাণিজ্য সম্পর্কে ভাটা পড়ে। অক্টোবরে মাত্র ২ লাখ ৫৩ হাজার ডলারের (প্রায় ১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা) পণ্য রফতানি করেছিল চীন। এশিয়া, ইউরোপ আফ্রিকার অনেক ছোট দেশের সঙ্গেও এর চেয়ে অনেক বেশি টাকার ব্যবসা করে চীন।

উত্তর কোরিয়ায় একটি গোয়েন্দা সূত্র উদ্ধৃত করে মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের দাবি, উহানে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঘটনার পরেই বেইজিংয়ের উপর বিশ্বাস হারান উন। চীন ফেরত কয়েকজন কোভিড-১৯ সংক্রমণের শিকার হওয়ার পরে যোগাযোগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন তিনি।

কারণ উনের ধারণা, করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উত্তর কোরিয়াকে সময় মতো সতর্ক করেনি চীন। আগামী জানুয়ারিতে পিয়ংইয়ং-এ শাসকদল ওয়ার্কার্স পার্টির অধিবেশন। সেখানে উন চীনের বিরুদ্ধে আরও কিছু কড়া পদক্ষেপ ঘোষণা করতে পারেন বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। সে ক্ষেত্রে বাইডেনের জমানায় নতুন মোড় নিতে পারে আমেরিকা-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজস্ব কর্মকর্তার ফাঁসি, চীনের সঙ্গে বাণিজ্যের ইতি টানছে উত্তর কোরিয়া

আপডেট সময় ০৮:২৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

করোনা আবহের অজুহাতে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে রাশ টেনেছে উত্তর কোরিয়া। আমেরিকার সংবাদ মাধ্যমের দাবি, উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উন চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার পথে হাঁটতে চলেছেন।

চীন থেকে পণ্য আমদানি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ায় ইতিমধ্যেই উন সে দেশের রাজস্ব দফতরের কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্তাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। গত অক্টোবরে চীনা পণ্যের আমদানি ৯৯ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে পিয়ংইয়ং।

উনের বাবা তথা উত্তর কোরিয়ার প্রয়াত কমিউনিস্ট একনায়ক কিম জং ইলের সময় থেকেই সে দেশে চীনা পণ্যের অবাধ আমদানি শুরু হয়েছিল। উনের জমানায় চীনের প্রতি বাণিজ্য নির্ভরতা আরও বাড়ে। বর্তমানে চীনই উত্তর কোরিয়ার বৃহত্তম বাণিজ্য সহযোগী। শুধু আর্থিক বা বাণিজ্যিক সহযোগিতা নয়, কূটনৈতিক এবং সামরিক ক্ষেত্রেও উত্তর কোরিয়ার স্বৈরতন্ত্রকে বরাবরই মদদ দিয়ে এসেছে একদলীয় চীনের শাসক কমিউনিস্ট পার্টি।

২০১৭ সালে পরমাণু কর্মসূচির জেরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা জারির আগে উত্তর কোরিয়ার আমদানি করা ৯০ শতাংশ পণ্যই চীন থেকে আসতো। কিন্তু চলতি বছরের গোড়া থেকেই বাণিজ্য সম্পর্কে ভাটা পড়ে। অক্টোবরে মাত্র ২ লাখ ৫৩ হাজার ডলারের (প্রায় ১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা) পণ্য রফতানি করেছিল চীন। এশিয়া, ইউরোপ আফ্রিকার অনেক ছোট দেশের সঙ্গেও এর চেয়ে অনেক বেশি টাকার ব্যবসা করে চীন।

উত্তর কোরিয়ায় একটি গোয়েন্দা সূত্র উদ্ধৃত করে মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের দাবি, উহানে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঘটনার পরেই বেইজিংয়ের উপর বিশ্বাস হারান উন। চীন ফেরত কয়েকজন কোভিড-১৯ সংক্রমণের শিকার হওয়ার পরে যোগাযোগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন তিনি।

কারণ উনের ধারণা, করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উত্তর কোরিয়াকে সময় মতো সতর্ক করেনি চীন। আগামী জানুয়ারিতে পিয়ংইয়ং-এ শাসকদল ওয়ার্কার্স পার্টির অধিবেশন। সেখানে উন চীনের বিরুদ্ধে আরও কিছু কড়া পদক্ষেপ ঘোষণা করতে পারেন বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। সে ক্ষেত্রে বাইডেনের জমানায় নতুন মোড় নিতে পারে আমেরিকা-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক।