ঢাকা ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

চীনে উইঘুর মুসলিম নিপীড়ন থামছেই না

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উইঘুর মুসলিমদের জন্মহার নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে চীন। নতুন এক তদন্তে এ অভিযোগ উঠেছে। মুসলমান জনসংখ্যা সীমিত রাখতে উইঘুর নারীদের বিস্তৃত ও কাঠামোগতভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণে বাধ্য করা হচ্ছে, এমনকি গর্ভপাতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা।

সম্প্রতি সরকারি পরিসংখ্যান, রাষ্ট্রীয় নথি, সাবেক বন্দি, পরিবারের সদস্য এবং ডিটেনশন ক্যাম্পের সাবেক পরামর্শকের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই অনুসন্ধান চালিয়েছে মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি। তবে একে ‘ফেইক নিউজ’ আখ্যা দিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

উইঘুর মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলের পুরনো নাম ‘পূর্ব তুর্কিস্তান’। এটি বর্তমানে জিনজিয়াং প্রদেশে। ৯০ লাখ মুসলিম অধ্যুষিত এ অঞ্চলের প্রায় ১০ লাখ উইঘুর নারী-পুরুষ বন্দি রয়েছে সুরক্ষা নামক শিবিরে। চীন সরকার এ বন্দি শিবিরকে ‘চরিত্র সংশোধনাগার’ বলে অভিহিত করে আসছে। চীন সরকারের দাবি, উশৃংঙ্খল অবস্থা থেকে নিরাপদ ও সুরক্ষা দিতেই তাদের এ কার্যক্রম। চরিত্র সংশোধনাগারের নামে চীন সরকার এ সব মুসলিমদের প্রতি চরম অত্যাচার ও নির্যাতন করছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তা উঠে এসেছে।

চীন সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তারা বিপুল সংখ্যক উইঘুর মুসলিমকে কতোগুলো বন্দী শিবিরে আটকে রেখেছে দীর্ঘদিন ধরে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এসব ক্যাম্পে তাদেরকে `নতুন করে শিক্ষা` দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বেইজিং সরকারের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। আত্মপরিচয়ে তারা নিজেদেরকে সাংস্কৃতিক ও জাতিগতভাবে মধ্য এশীয়র লোকজনের কাছাকাছি বলে মনে করেন। তাদের ভাষা অনেকটা তুর্কী ভাষার মতো।

গত কয়েক দশকে সংখ্যাগুরু চীনা হান জাতির বহু মানুষ শিনজিয়াং অঞ্চলে গেছেন সেখানে বসবাস করতে। ২০১০ সাল থেকে, “জিনজিয়াং ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান” এর অংশ হিসাবে ৫০০,০০০ এরও বেশি জনসংখ্যার হান-স্থানান্তরিত করার একটি নতুন উইঘুর সম্প্রদায়ের লোকজন মনে করছেন এর ফলে তাদের সংস্কৃতি ও জীবনযাপন হুমকির মুখে পড়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক একটি কমিটি ২০১৮ সালে জানতে পারে চীন সরকার উইঘুরদের স্বায়ত্তশাসিত এলাকাকে মূলত একটি বন্দী শিবিরে পরিণত করেছে। যেখানে ১০ লাখের মতো মানুষকে বন্দী করে রাখা হয়েছে। এসব তথ্যের সাথে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগের মিল পাওয়া যায়। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, যারা মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বিদেশের কারো সাথে যোগাযোগ করেছে তাদেরকে টার্গেট করেছে কর্তৃপক্ষ।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো আরো বলছে, এসব ক্যাম্পে যাদেরকে রাখা হয়েছে তাদেরকে চীনা ম্যান্ডারিন ভাষা শেখানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর অনুগত থাকতে। আরো বলা হচ্ছে, তাদের নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সমালোচনা করতে অথবা সেই ধর্ম পরিত্যাগ করতে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে,উইঘুর সম্প্রদায়ের লোকজনের ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। তাদের বাড়িঘরের দরজায় লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ কোড, বসানো হয়েছে মুখ দেখে সনাক্ত করা যায় এরকম ক্যামেরা। ফলে কোন বাড়িতে কারা যাচ্ছেন, থাকছেন বা বের হচ্ছেন তার উপর কর্তৃপক্ষ সতর্ক নজর রাখতে পারছে। তাদেরকে নানা ধরনের বায়োমেট্রিক পরীক্ষাও দিতে হচ্ছে।শিনজিয়াং-এ সংবাদ মাধ্যম নিষিদ্ধ। ফলে সেখান থেকে প্রকৃত তথ্য পাওয়া কঠিন।

চীন সরকারের দাবি তারা বিচ্ছিন্নতাবাদী একটি ইসলামপন্থী গ্রুপের সন্ত্রাসী তৎপরতা মোকাবেলা করছে। কিন্তু মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সেখানকার লোকজনের ওপর চীনের দমন-পীড়নের কারণেই সেখানে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। জেনেভায় ২০১৮ সালের অক্টোবরে জাতিসংঘের এক অধিবেশনে চীনা কর্মকর্তা বলছেন, ১০ লাখ উইগরকে বন্দী শিবিরে আটকের রাখার খবর `সম্পূর্ণ মিথ্যা।` কিন্তু তারপরে চীনের একজন কর্মকর্তা লিও শিয়াওজুন সাংবাদিকদের বলেছেন, চীন সেখানে কিছু প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খুলেছে যেখানে লোকজনকে নানা ধরনের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, অনেকেই হয়তো এটাকে উত্তম পদ্ধতি বলবেন না। কিন্তু মনে রাখতে হবে সন্ত্রাস মোকাবেলায় পশ্চিমা বিশ্ব ব্যর্থ হয়েছে। শিনজিয়াং-এ কী হচ্ছে সেব্যাপারে চীনের সরকারি তরফ থেকে কখনো পরিষ্কার করে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। সেখানে যেহেতু সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ সেকারণে আসলেই কী হচ্ছে সেবিষয়ে নিরপেক্ষ খবর পাওয়া খুব কঠিন।

গত বছরের জুলাইয়ে, ২২ টি দেশ জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলকে (ইউএনএইচআরসি) একটি চিঠির মাধ্যমে”জিনজিয়াং” এ চীনা পদক্ষেপের নিন্দা জানায়। কিছু দিনের মধ্যেই রাশিয়া, সৌদি আরব, পাকিস্তান, উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিলের (জিসিসি) সদস্য দেশগুলোসহ ৩৭ টি দেশ নীতির সমালোচনা করে। উইগর মুসলিমদের সাথে আচরণ নিয়ে চীন সরকারের সমালোচনা ক্রমশ বাড়ছে। তবে নিন্দা করে বিবৃতি দেওয়া ছাড়া কোন দেশ তেমন কিছু করেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

চীনে উইঘুর মুসলিম নিপীড়ন থামছেই না

আপডেট সময় ১১:০০:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উইঘুর মুসলিমদের জন্মহার নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে চীন। নতুন এক তদন্তে এ অভিযোগ উঠেছে। মুসলমান জনসংখ্যা সীমিত রাখতে উইঘুর নারীদের বিস্তৃত ও কাঠামোগতভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণে বাধ্য করা হচ্ছে, এমনকি গর্ভপাতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা।

সম্প্রতি সরকারি পরিসংখ্যান, রাষ্ট্রীয় নথি, সাবেক বন্দি, পরিবারের সদস্য এবং ডিটেনশন ক্যাম্পের সাবেক পরামর্শকের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই অনুসন্ধান চালিয়েছে মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি। তবে একে ‘ফেইক নিউজ’ আখ্যা দিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

উইঘুর মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলের পুরনো নাম ‘পূর্ব তুর্কিস্তান’। এটি বর্তমানে জিনজিয়াং প্রদেশে। ৯০ লাখ মুসলিম অধ্যুষিত এ অঞ্চলের প্রায় ১০ লাখ উইঘুর নারী-পুরুষ বন্দি রয়েছে সুরক্ষা নামক শিবিরে। চীন সরকার এ বন্দি শিবিরকে ‘চরিত্র সংশোধনাগার’ বলে অভিহিত করে আসছে। চীন সরকারের দাবি, উশৃংঙ্খল অবস্থা থেকে নিরাপদ ও সুরক্ষা দিতেই তাদের এ কার্যক্রম। চরিত্র সংশোধনাগারের নামে চীন সরকার এ সব মুসলিমদের প্রতি চরম অত্যাচার ও নির্যাতন করছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তা উঠে এসেছে।

চীন সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তারা বিপুল সংখ্যক উইঘুর মুসলিমকে কতোগুলো বন্দী শিবিরে আটকে রেখেছে দীর্ঘদিন ধরে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এসব ক্যাম্পে তাদেরকে `নতুন করে শিক্ষা` দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বেইজিং সরকারের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। আত্মপরিচয়ে তারা নিজেদেরকে সাংস্কৃতিক ও জাতিগতভাবে মধ্য এশীয়র লোকজনের কাছাকাছি বলে মনে করেন। তাদের ভাষা অনেকটা তুর্কী ভাষার মতো।

গত কয়েক দশকে সংখ্যাগুরু চীনা হান জাতির বহু মানুষ শিনজিয়াং অঞ্চলে গেছেন সেখানে বসবাস করতে। ২০১০ সাল থেকে, “জিনজিয়াং ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান” এর অংশ হিসাবে ৫০০,০০০ এরও বেশি জনসংখ্যার হান-স্থানান্তরিত করার একটি নতুন উইঘুর সম্প্রদায়ের লোকজন মনে করছেন এর ফলে তাদের সংস্কৃতি ও জীবনযাপন হুমকির মুখে পড়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক একটি কমিটি ২০১৮ সালে জানতে পারে চীন সরকার উইঘুরদের স্বায়ত্তশাসিত এলাকাকে মূলত একটি বন্দী শিবিরে পরিণত করেছে। যেখানে ১০ লাখের মতো মানুষকে বন্দী করে রাখা হয়েছে। এসব তথ্যের সাথে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগের মিল পাওয়া যায়। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, যারা মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বিদেশের কারো সাথে যোগাযোগ করেছে তাদেরকে টার্গেট করেছে কর্তৃপক্ষ।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো আরো বলছে, এসব ক্যাম্পে যাদেরকে রাখা হয়েছে তাদেরকে চীনা ম্যান্ডারিন ভাষা শেখানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর অনুগত থাকতে। আরো বলা হচ্ছে, তাদের নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সমালোচনা করতে অথবা সেই ধর্ম পরিত্যাগ করতে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে,উইঘুর সম্প্রদায়ের লোকজনের ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। তাদের বাড়িঘরের দরজায় লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ কোড, বসানো হয়েছে মুখ দেখে সনাক্ত করা যায় এরকম ক্যামেরা। ফলে কোন বাড়িতে কারা যাচ্ছেন, থাকছেন বা বের হচ্ছেন তার উপর কর্তৃপক্ষ সতর্ক নজর রাখতে পারছে। তাদেরকে নানা ধরনের বায়োমেট্রিক পরীক্ষাও দিতে হচ্ছে।শিনজিয়াং-এ সংবাদ মাধ্যম নিষিদ্ধ। ফলে সেখান থেকে প্রকৃত তথ্য পাওয়া কঠিন।

চীন সরকারের দাবি তারা বিচ্ছিন্নতাবাদী একটি ইসলামপন্থী গ্রুপের সন্ত্রাসী তৎপরতা মোকাবেলা করছে। কিন্তু মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সেখানকার লোকজনের ওপর চীনের দমন-পীড়নের কারণেই সেখানে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। জেনেভায় ২০১৮ সালের অক্টোবরে জাতিসংঘের এক অধিবেশনে চীনা কর্মকর্তা বলছেন, ১০ লাখ উইগরকে বন্দী শিবিরে আটকের রাখার খবর `সম্পূর্ণ মিথ্যা।` কিন্তু তারপরে চীনের একজন কর্মকর্তা লিও শিয়াওজুন সাংবাদিকদের বলেছেন, চীন সেখানে কিছু প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খুলেছে যেখানে লোকজনকে নানা ধরনের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, অনেকেই হয়তো এটাকে উত্তম পদ্ধতি বলবেন না। কিন্তু মনে রাখতে হবে সন্ত্রাস মোকাবেলায় পশ্চিমা বিশ্ব ব্যর্থ হয়েছে। শিনজিয়াং-এ কী হচ্ছে সেব্যাপারে চীনের সরকারি তরফ থেকে কখনো পরিষ্কার করে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। সেখানে যেহেতু সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ সেকারণে আসলেই কী হচ্ছে সেবিষয়ে নিরপেক্ষ খবর পাওয়া খুব কঠিন।

গত বছরের জুলাইয়ে, ২২ টি দেশ জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলকে (ইউএনএইচআরসি) একটি চিঠির মাধ্যমে”জিনজিয়াং” এ চীনা পদক্ষেপের নিন্দা জানায়। কিছু দিনের মধ্যেই রাশিয়া, সৌদি আরব, পাকিস্তান, উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিলের (জিসিসি) সদস্য দেশগুলোসহ ৩৭ টি দেশ নীতির সমালোচনা করে। উইগর মুসলিমদের সাথে আচরণ নিয়ে চীন সরকারের সমালোচনা ক্রমশ বাড়ছে। তবে নিন্দা করে বিবৃতি দেওয়া ছাড়া কোন দেশ তেমন কিছু করেনি।