ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী হামের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি বাংলাদেশে নীতির অনিশ্চয়তা আমাদের ভয়ের কারণ: ব্রুনাইয়ের রাষ্ট্রদূত চবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করলে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় আট শিশু নিহত এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮০ কোটি ডলার বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে হাতুড়ির টোকায় বর্তমান স্বাস্থ্যখাত পুনর্গঠন কঠিন স্কুলপড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ

প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন কূটনৈতিক সমাধান: রিজভী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন, কূটনৈতিক সমাধান। তিনি আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির জন্য চেষ্টা করছেন কিন্তু কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত রোহিঙ্গা হত্যাযজ্ঞ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধনে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বার্মারাজ চাচ্ছে, চলে যাও নইলে হত্যার শিকার হও। ওরা মরুক, ওরা পঁচুক, নাফ নদীর পানিতে ভেসে যাক, কারো কোনো দায়দায়িত্ব নেই। এছাড়া কতদিন বছরের পর বছর উদ্ধাস্তু হয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসছে। আগে ৪ লাখের মতো এসেছে। ভারতে ৪০ হাজারের মতো, মোদি সরকার ঘোষণা দেন তাদেরও তাড়িয়ে দেবেন।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসিচব বলেন, ঈদের দিনে রোহিঙ্গা শিশুরা এক টুকরো মাংসের জন্য কেঁদে ছিল, তার মা এক ফোঁটা পানিও দিতে পারেননি, মাংস তো দূরে থাক। কারবালায় যেমন পানি জোটেনি, সেই নতুন কারবালা তৈরি হয়েছে নাফ নদীর তীরে। রোহিঙ্গারা পানিহীন, বস্ত্রহীন, চিকিৎসাহীন। আমরা এই অন্যায়ের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন কূটনৈতিক সমাধান: রিজভী

আপডেট সময় ০৮:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন, কূটনৈতিক সমাধান। তিনি আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির জন্য চেষ্টা করছেন কিন্তু কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত রোহিঙ্গা হত্যাযজ্ঞ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধনে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বার্মারাজ চাচ্ছে, চলে যাও নইলে হত্যার শিকার হও। ওরা মরুক, ওরা পঁচুক, নাফ নদীর পানিতে ভেসে যাক, কারো কোনো দায়দায়িত্ব নেই। এছাড়া কতদিন বছরের পর বছর উদ্ধাস্তু হয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসছে। আগে ৪ লাখের মতো এসেছে। ভারতে ৪০ হাজারের মতো, মোদি সরকার ঘোষণা দেন তাদেরও তাড়িয়ে দেবেন।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসিচব বলেন, ঈদের দিনে রোহিঙ্গা শিশুরা এক টুকরো মাংসের জন্য কেঁদে ছিল, তার মা এক ফোঁটা পানিও দিতে পারেননি, মাংস তো দূরে থাক। কারবালায় যেমন পানি জোটেনি, সেই নতুন কারবালা তৈরি হয়েছে নাফ নদীর তীরে। রোহিঙ্গারা পানিহীন, বস্ত্রহীন, চিকিৎসাহীন। আমরা এই অন্যায়ের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।