ঢাকা ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

এএসআইয়ের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রংপুরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ডিবি পুলিশের এক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে। পুলিশ ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এ ঘটনায় পুলিশের এএসআই রায়হান ওরফে রাজু এবং আলেয়া নামের এক নারীকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে আটক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে জল হাজতে পাঠানো হবে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) আবু মারুফ হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, রংপুর মহানগরীর হারাগাছ থানার ময়নাকুঠি কচুটারি এলাকার নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে এএসআই রায়হানুল ইসলাম। পরিচয়ের সময় রায়হান তার ডাক নাম রাজু বলে জানায় ওই ছাত্রীকে। রবিবার সকালে ওই ছাত্রীকে রায়হান ডেকে নেয় ক্যাদারের পুল নামক এলাকায় শহিদুল্লাহ মিয়ার ভাড়াটিয়া আলেয়া বেগমের বাড়িতে। সেখানে রায়হান মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। এরপর তার পরিচিত আরও কয়েকজন যুবকও তাকে ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটি নিজেই পুলিশকে বিষয়টি জানায়। রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং পরিবারকে খবর দেয়। রাতেই মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে পুলিশ সদস্য রাজুসহ ২ জনের নাম উলে­খ করে ধর্ষণ মামলা করেন।

রাত সাড়ে ১২টায় পুলিশ মেয়েটিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে। মেয়েটির মা বলেন, ডিবি পুলিশের এএসআই রায়হানের সঙ্গে আমার মেয়ে কথা বলতো এবং মাঝে মধ্যে দেখা সাক্ষাৎ করতো।

ঘটনার খবর পেয়ে রাতে হারাগাছ থানায় আসেন মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন। তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েটিকে দু’জন ধর্ষণ করেছে বলে জানা গেছে। এরমধ্যে রাজু নামের একজন পুলিশ সদস্যের কথা জানিয়েছে মেয়েটি। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের তদন্ত চলছে। দোষী প্রমাণিত হলে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এএসআইয়ের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ!

আপডেট সময় ০৩:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রংপুরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ডিবি পুলিশের এক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে। পুলিশ ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এ ঘটনায় পুলিশের এএসআই রায়হান ওরফে রাজু এবং আলেয়া নামের এক নারীকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে আটক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে জল হাজতে পাঠানো হবে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) আবু মারুফ হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, রংপুর মহানগরীর হারাগাছ থানার ময়নাকুঠি কচুটারি এলাকার নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে এএসআই রায়হানুল ইসলাম। পরিচয়ের সময় রায়হান তার ডাক নাম রাজু বলে জানায় ওই ছাত্রীকে। রবিবার সকালে ওই ছাত্রীকে রায়হান ডেকে নেয় ক্যাদারের পুল নামক এলাকায় শহিদুল্লাহ মিয়ার ভাড়াটিয়া আলেয়া বেগমের বাড়িতে। সেখানে রায়হান মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। এরপর তার পরিচিত আরও কয়েকজন যুবকও তাকে ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটি নিজেই পুলিশকে বিষয়টি জানায়। রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং পরিবারকে খবর দেয়। রাতেই মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে পুলিশ সদস্য রাজুসহ ২ জনের নাম উলে­খ করে ধর্ষণ মামলা করেন।

রাত সাড়ে ১২টায় পুলিশ মেয়েটিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে। মেয়েটির মা বলেন, ডিবি পুলিশের এএসআই রায়হানের সঙ্গে আমার মেয়ে কথা বলতো এবং মাঝে মধ্যে দেখা সাক্ষাৎ করতো।

ঘটনার খবর পেয়ে রাতে হারাগাছ থানায় আসেন মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন। তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েটিকে দু’জন ধর্ষণ করেছে বলে জানা গেছে। এরমধ্যে রাজু নামের একজন পুলিশ সদস্যের কথা জানিয়েছে মেয়েটি। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের তদন্ত চলছে। দোষী প্রমাণিত হলে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হবে।