ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

পূজার যে স্পেশাল গিফট, সেটা সৃজিতই আমায় দেবে

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

করোনা মহামারী আমাদের কাছ থেকে অনেক আনন্দই কেড়ে নিয়েছে। দুর্গা পূজার আনন্দটাও হয়তবা এবার মাটি হতে পারে। তবুও তারই মাঝে ‘কুড়িয়ে বাড়িয়ে’ যতটুকু আনন্দ খুঁজে নেওয়া যায় আর কি। পূজাতে নতুন জামা-কাপড় কেনার আনন্দই আলাদা। পূজার গন্ধের সঙ্গেই মিলেমিশে যায় নতুন জামা-কাপড়ের গন্ধ।

পূজার শপিং নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম জি-নিউজের সঙ্গে ছিলেন অভিনেত্রী, সমাজকর্মী, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। বিবাহ সূত্রে তিনি আবার সৃজিত ঘরণী। পূজাতে কী কিনেছেন, কীভাবে কাটানোর পরিকল্পনা করেছেন নিজেই জানালেন মিথিলা।

মিথিলা বলেন, এটা যদিও আমার প্রথম পূজা নয়। গত বছরও ২-৩ দিন পূজার সময় এখানে ছিলাম। তবে হ্যাঁ, বিয়ের পর এটা আমার প্রথম পূজা। (হাসি) এবার পুরো পূজাটাই এখানে থাকব। এখন এমন একটা অবস্থা পুজোর জন্য খুব যে পরিকল্পনা করে কিছু করতে পারছি তা নয়। তবুও একটু একটু করে কেনাকাটা করছি। সবার জন্য উপহার কেনা। পাচ্ছিও প্রচুর। (হাসি) দিদি গিফট দিয়েছেন (সৃজিতের বোন), মাও দিয়েছেন (শাশুড়ি মা)। পর্বে পর্বে উপহার পাচ্ছি। (হাসি) মা এখন একটা সালোয়ার কামিজ দিয়েছে। আমরা শান্তিনিকেতন বেড়াতে যাব। ওখানে কিছু কেনাকাটা করব ঠিক করেছি। শান্তিনিকেতনের হাতে বানানো শাড়ি আমার খুব পছন্দ, সেটা মাকে বলেছি।

মিথিলা আরও বলেন, পূজার যে স্পেশাল গিফট, সেটা সৃজিতই আমায় দেবে। ওটা বাংলাদেশেই অর্ডার দেওয়া হয়েছে। আমি তো খুব জামদানি পরি। আমার একজন ডিজাইনার আছেন, ওখান থেকে আমি অনেক জামদানি কিনি। তিনিই বানাচ্ছেন। পূজার আগেই পেয়ে যাব আশা করি। আমি নিজের জন্য তো কিছু কিনিনি। মাকে একটা অ্যালেক্সা কিনে দিয়েছি। মা গান শুনতে ভালোবাসেন, নিজেও সেতার বাজান।

আর বোন, ভাগ্নীর জন্য গিফট কিনেছি। সৃজিতের জন্ম স্পেশাল গিফট হিসাবে বাংলাদেশ থেকে পাঞ্জাবির কাপড় এনেছি। আমাদের দুজনেরই সুকুমার রায় খুব পছন্দ। সুকুমার রায়ের কবিতা লেখা আমার একটা শাড়ি আছে, ওই একই কাপড়ের সৃজিতের পাঞ্জাবি। এটা অর্ডার দিয়ে বানানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

পূজার যে স্পেশাল গিফট, সেটা সৃজিতই আমায় দেবে

আপডেট সময় ১০:৫২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

করোনা মহামারী আমাদের কাছ থেকে অনেক আনন্দই কেড়ে নিয়েছে। দুর্গা পূজার আনন্দটাও হয়তবা এবার মাটি হতে পারে। তবুও তারই মাঝে ‘কুড়িয়ে বাড়িয়ে’ যতটুকু আনন্দ খুঁজে নেওয়া যায় আর কি। পূজাতে নতুন জামা-কাপড় কেনার আনন্দই আলাদা। পূজার গন্ধের সঙ্গেই মিলেমিশে যায় নতুন জামা-কাপড়ের গন্ধ।

পূজার শপিং নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম জি-নিউজের সঙ্গে ছিলেন অভিনেত্রী, সমাজকর্মী, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। বিবাহ সূত্রে তিনি আবার সৃজিত ঘরণী। পূজাতে কী কিনেছেন, কীভাবে কাটানোর পরিকল্পনা করেছেন নিজেই জানালেন মিথিলা।

মিথিলা বলেন, এটা যদিও আমার প্রথম পূজা নয়। গত বছরও ২-৩ দিন পূজার সময় এখানে ছিলাম। তবে হ্যাঁ, বিয়ের পর এটা আমার প্রথম পূজা। (হাসি) এবার পুরো পূজাটাই এখানে থাকব। এখন এমন একটা অবস্থা পুজোর জন্য খুব যে পরিকল্পনা করে কিছু করতে পারছি তা নয়। তবুও একটু একটু করে কেনাকাটা করছি। সবার জন্য উপহার কেনা। পাচ্ছিও প্রচুর। (হাসি) দিদি গিফট দিয়েছেন (সৃজিতের বোন), মাও দিয়েছেন (শাশুড়ি মা)। পর্বে পর্বে উপহার পাচ্ছি। (হাসি) মা এখন একটা সালোয়ার কামিজ দিয়েছে। আমরা শান্তিনিকেতন বেড়াতে যাব। ওখানে কিছু কেনাকাটা করব ঠিক করেছি। শান্তিনিকেতনের হাতে বানানো শাড়ি আমার খুব পছন্দ, সেটা মাকে বলেছি।

মিথিলা আরও বলেন, পূজার যে স্পেশাল গিফট, সেটা সৃজিতই আমায় দেবে। ওটা বাংলাদেশেই অর্ডার দেওয়া হয়েছে। আমি তো খুব জামদানি পরি। আমার একজন ডিজাইনার আছেন, ওখান থেকে আমি অনেক জামদানি কিনি। তিনিই বানাচ্ছেন। পূজার আগেই পেয়ে যাব আশা করি। আমি নিজের জন্য তো কিছু কিনিনি। মাকে একটা অ্যালেক্সা কিনে দিয়েছি। মা গান শুনতে ভালোবাসেন, নিজেও সেতার বাজান।

আর বোন, ভাগ্নীর জন্য গিফট কিনেছি। সৃজিতের জন্ম স্পেশাল গিফট হিসাবে বাংলাদেশ থেকে পাঞ্জাবির কাপড় এনেছি। আমাদের দুজনেরই সুকুমার রায় খুব পছন্দ। সুকুমার রায়ের কবিতা লেখা আমার একটা শাড়ি আছে, ওই একই কাপড়ের সৃজিতের পাঞ্জাবি। এটা অর্ডার দিয়ে বানানো হয়েছে।