ঢাকা ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পূজার যে স্পেশাল গিফট, সেটা সৃজিতই আমায় দেবে

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

করোনা মহামারী আমাদের কাছ থেকে অনেক আনন্দই কেড়ে নিয়েছে। দুর্গা পূজার আনন্দটাও হয়তবা এবার মাটি হতে পারে। তবুও তারই মাঝে ‘কুড়িয়ে বাড়িয়ে’ যতটুকু আনন্দ খুঁজে নেওয়া যায় আর কি। পূজাতে নতুন জামা-কাপড় কেনার আনন্দই আলাদা। পূজার গন্ধের সঙ্গেই মিলেমিশে যায় নতুন জামা-কাপড়ের গন্ধ।

পূজার শপিং নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম জি-নিউজের সঙ্গে ছিলেন অভিনেত্রী, সমাজকর্মী, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। বিবাহ সূত্রে তিনি আবার সৃজিত ঘরণী। পূজাতে কী কিনেছেন, কীভাবে কাটানোর পরিকল্পনা করেছেন নিজেই জানালেন মিথিলা।

মিথিলা বলেন, এটা যদিও আমার প্রথম পূজা নয়। গত বছরও ২-৩ দিন পূজার সময় এখানে ছিলাম। তবে হ্যাঁ, বিয়ের পর এটা আমার প্রথম পূজা। (হাসি) এবার পুরো পূজাটাই এখানে থাকব। এখন এমন একটা অবস্থা পুজোর জন্য খুব যে পরিকল্পনা করে কিছু করতে পারছি তা নয়। তবুও একটু একটু করে কেনাকাটা করছি। সবার জন্য উপহার কেনা। পাচ্ছিও প্রচুর। (হাসি) দিদি গিফট দিয়েছেন (সৃজিতের বোন), মাও দিয়েছেন (শাশুড়ি মা)। পর্বে পর্বে উপহার পাচ্ছি। (হাসি) মা এখন একটা সালোয়ার কামিজ দিয়েছে। আমরা শান্তিনিকেতন বেড়াতে যাব। ওখানে কিছু কেনাকাটা করব ঠিক করেছি। শান্তিনিকেতনের হাতে বানানো শাড়ি আমার খুব পছন্দ, সেটা মাকে বলেছি।

মিথিলা আরও বলেন, পূজার যে স্পেশাল গিফট, সেটা সৃজিতই আমায় দেবে। ওটা বাংলাদেশেই অর্ডার দেওয়া হয়েছে। আমি তো খুব জামদানি পরি। আমার একজন ডিজাইনার আছেন, ওখান থেকে আমি অনেক জামদানি কিনি। তিনিই বানাচ্ছেন। পূজার আগেই পেয়ে যাব আশা করি। আমি নিজের জন্য তো কিছু কিনিনি। মাকে একটা অ্যালেক্সা কিনে দিয়েছি। মা গান শুনতে ভালোবাসেন, নিজেও সেতার বাজান।

আর বোন, ভাগ্নীর জন্য গিফট কিনেছি। সৃজিতের জন্ম স্পেশাল গিফট হিসাবে বাংলাদেশ থেকে পাঞ্জাবির কাপড় এনেছি। আমাদের দুজনেরই সুকুমার রায় খুব পছন্দ। সুকুমার রায়ের কবিতা লেখা আমার একটা শাড়ি আছে, ওই একই কাপড়ের সৃজিতের পাঞ্জাবি। এটা অর্ডার দিয়ে বানানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পূজার যে স্পেশাল গিফট, সেটা সৃজিতই আমায় দেবে

আপডেট সময় ১০:৫২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

করোনা মহামারী আমাদের কাছ থেকে অনেক আনন্দই কেড়ে নিয়েছে। দুর্গা পূজার আনন্দটাও হয়তবা এবার মাটি হতে পারে। তবুও তারই মাঝে ‘কুড়িয়ে বাড়িয়ে’ যতটুকু আনন্দ খুঁজে নেওয়া যায় আর কি। পূজাতে নতুন জামা-কাপড় কেনার আনন্দই আলাদা। পূজার গন্ধের সঙ্গেই মিলেমিশে যায় নতুন জামা-কাপড়ের গন্ধ।

পূজার শপিং নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম জি-নিউজের সঙ্গে ছিলেন অভিনেত্রী, সমাজকর্মী, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। বিবাহ সূত্রে তিনি আবার সৃজিত ঘরণী। পূজাতে কী কিনেছেন, কীভাবে কাটানোর পরিকল্পনা করেছেন নিজেই জানালেন মিথিলা।

মিথিলা বলেন, এটা যদিও আমার প্রথম পূজা নয়। গত বছরও ২-৩ দিন পূজার সময় এখানে ছিলাম। তবে হ্যাঁ, বিয়ের পর এটা আমার প্রথম পূজা। (হাসি) এবার পুরো পূজাটাই এখানে থাকব। এখন এমন একটা অবস্থা পুজোর জন্য খুব যে পরিকল্পনা করে কিছু করতে পারছি তা নয়। তবুও একটু একটু করে কেনাকাটা করছি। সবার জন্য উপহার কেনা। পাচ্ছিও প্রচুর। (হাসি) দিদি গিফট দিয়েছেন (সৃজিতের বোন), মাও দিয়েছেন (শাশুড়ি মা)। পর্বে পর্বে উপহার পাচ্ছি। (হাসি) মা এখন একটা সালোয়ার কামিজ দিয়েছে। আমরা শান্তিনিকেতন বেড়াতে যাব। ওখানে কিছু কেনাকাটা করব ঠিক করেছি। শান্তিনিকেতনের হাতে বানানো শাড়ি আমার খুব পছন্দ, সেটা মাকে বলেছি।

মিথিলা আরও বলেন, পূজার যে স্পেশাল গিফট, সেটা সৃজিতই আমায় দেবে। ওটা বাংলাদেশেই অর্ডার দেওয়া হয়েছে। আমি তো খুব জামদানি পরি। আমার একজন ডিজাইনার আছেন, ওখান থেকে আমি অনেক জামদানি কিনি। তিনিই বানাচ্ছেন। পূজার আগেই পেয়ে যাব আশা করি। আমি নিজের জন্য তো কিছু কিনিনি। মাকে একটা অ্যালেক্সা কিনে দিয়েছি। মা গান শুনতে ভালোবাসেন, নিজেও সেতার বাজান।

আর বোন, ভাগ্নীর জন্য গিফট কিনেছি। সৃজিতের জন্ম স্পেশাল গিফট হিসাবে বাংলাদেশ থেকে পাঞ্জাবির কাপড় এনেছি। আমাদের দুজনেরই সুকুমার রায় খুব পছন্দ। সুকুমার রায়ের কবিতা লেখা আমার একটা শাড়ি আছে, ওই একই কাপড়ের সৃজিতের পাঞ্জাবি। এটা অর্ডার দিয়ে বানানো হয়েছে।