ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণকে দেয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পূরণ করা হবে : প্রধানমন্ত্রী উলশী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগাম জামিন পেলেন আমির হামজা নিপীড়িতদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার : আইনমন্ত্রী হজে গিয়ে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু যারা যুক্তরাষ্ট্রের গতিপথ বদলে দিতে চায়, সেই লোকগুলোকে ঘৃণা করি: ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে হত্যা: আসামির বয়ানে অসঙ্গতি, বেরিয়ে এলো নতুন তথ্য জামালপুরে গাছচাপায় মা ও দুই মেয়ের মৃত্যু বিএনপির আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে: সাইফুল হক হুইলচেয়ারে বসে দীপু মনিকে দেখতে ট্রাইব্যুনালে এলেন স্বামী

পেশাদার জীবনের সেরা মুহূর্ত লা লিগা জয়: জিদান

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

শুন্য থেকে শুরু করে রিয়াল মাদ্রিদকে লা লীগার শিরোপা জয়ে নেতৃত্ব দেয়াকে নিজের ক্যারিয়ারের সেরা দিন বলে মন্তব্য করেছেন ক্লাবটির প্রধান কোচ জিনেদিন জিদান।

৪৮ বছর বয়সি ফ্রান্সের এই ফুটবল আইকনের মতে এই দিনটি তার সারা জীবন মনে থাকবে। যেখানে অন্তুর্ভুক্ত আছে খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপের শিরোপা জয়টিও। এই মৌসুমে তার বড় ধাক্কাটি হচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের শেষ ষোল থেকে বিদায় নেয়ার ঘটনা।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে জিদান বলেন, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল লা লীগা জয় করা। করোনা ভাইরাসের মাহামারি শুরুর পর মনে করেছিলাম আমরা আর খেলাটি শুরু করতে পারব না। কারণ পরিস্থিতি তেমনটাই ছিল। শেষ পর্যন্ত আমরা লা লীগা জয় করতে পেরেছি। আমার কাছে ওই দিনটি ছিল সবচেয়ে আনন্দের দিন। এমনকি চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জয় করতে পারাটা সব সময় দারুন ব্যাপার। এটি একটি চমৎকার বিষয়। তারপরও আমি সেটির সঙ্গে এর তুলনা করতে চাই না। আমরা যখন জটিলতা কাটাতে সক্ষম হলাম, তখনো লা লীগা জয় করাটা কঠিন ছিল। এটি ছিল আমার পেশাদার ক্যারিয়ারের সেরা দিন।’

কোন এক পর্যায়ে এসে ফ্রান্স জাতীয় দলের দায়িত্ব গ্রহনের আশা কখনো ত্যাগ করেননি উল্লেখ করে জিদান আরো বলেন, আমি অনেকবার বলেছি আমি যদি কোচ থাকি তাহলে কেন একদিন ফ্রান্সের দায়িত্বে আসব না?

এটি নতুন কিছু নয়। এমনকি দিদিয়ের দেশ্যমও বিষয়টি জানে। কারণ তিনি নিজেই এই ঘোষণাটি দিয়েছেন। আমাদের সবারই কিছু না কিছু গল্প আছে। আর আমার গল্প ফ্রেঞ্চ দলকে নিয়ে। আমার শেষ গেম পর্যন্ত এটি ছিল চমৎকার। ছিল উত্থান পতন। তবে আমার গল্পটি খুবই সুন্দর। একদিন আমি এই দায়িত্ব পাব। এটি প্রকৃতিগত ব্যাপার। যা হবার তা হবে।’

ফরাসি দলের হয়ে ১০৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন জিদান। ১৯৯৮ সালের বিশ^কাপ জয়ী দলেরও অংশ ছিলেন তিনি। তবে তার সমাপ্তিটা ঘটেছে কিছুটা অন্যরকম ভাবে। ২০০৬ সালে ইতালীল বিপক্ষে বিশ^কাপের ফাইনালে লাল কার্ড দেখতে হয়েছে জিদানকে।

তিনি বলেন, ‘ক্যারিয়ার নিয়ে আমার কোন পরিকল্পনা নেই। আজ আমি প্রশিক্ষন উপভোগ করছি। যেমনটি উপভোগ করতাম খেলোয়াড় থাকাকালীন সময়ে। যখন সেটা কাজ করবে না কিংবা অন্য কিছু করার প্রয়োজন হবে, আমি তা করব।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনগণকে দেয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পূরণ করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

পেশাদার জীবনের সেরা মুহূর্ত লা লিগা জয়: জিদান

আপডেট সময় ০৯:২১:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

শুন্য থেকে শুরু করে রিয়াল মাদ্রিদকে লা লীগার শিরোপা জয়ে নেতৃত্ব দেয়াকে নিজের ক্যারিয়ারের সেরা দিন বলে মন্তব্য করেছেন ক্লাবটির প্রধান কোচ জিনেদিন জিদান।

৪৮ বছর বয়সি ফ্রান্সের এই ফুটবল আইকনের মতে এই দিনটি তার সারা জীবন মনে থাকবে। যেখানে অন্তুর্ভুক্ত আছে খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপের শিরোপা জয়টিও। এই মৌসুমে তার বড় ধাক্কাটি হচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের শেষ ষোল থেকে বিদায় নেয়ার ঘটনা।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে জিদান বলেন, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল লা লীগা জয় করা। করোনা ভাইরাসের মাহামারি শুরুর পর মনে করেছিলাম আমরা আর খেলাটি শুরু করতে পারব না। কারণ পরিস্থিতি তেমনটাই ছিল। শেষ পর্যন্ত আমরা লা লীগা জয় করতে পেরেছি। আমার কাছে ওই দিনটি ছিল সবচেয়ে আনন্দের দিন। এমনকি চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জয় করতে পারাটা সব সময় দারুন ব্যাপার। এটি একটি চমৎকার বিষয়। তারপরও আমি সেটির সঙ্গে এর তুলনা করতে চাই না। আমরা যখন জটিলতা কাটাতে সক্ষম হলাম, তখনো লা লীগা জয় করাটা কঠিন ছিল। এটি ছিল আমার পেশাদার ক্যারিয়ারের সেরা দিন।’

কোন এক পর্যায়ে এসে ফ্রান্স জাতীয় দলের দায়িত্ব গ্রহনের আশা কখনো ত্যাগ করেননি উল্লেখ করে জিদান আরো বলেন, আমি অনেকবার বলেছি আমি যদি কোচ থাকি তাহলে কেন একদিন ফ্রান্সের দায়িত্বে আসব না?

এটি নতুন কিছু নয়। এমনকি দিদিয়ের দেশ্যমও বিষয়টি জানে। কারণ তিনি নিজেই এই ঘোষণাটি দিয়েছেন। আমাদের সবারই কিছু না কিছু গল্প আছে। আর আমার গল্প ফ্রেঞ্চ দলকে নিয়ে। আমার শেষ গেম পর্যন্ত এটি ছিল চমৎকার। ছিল উত্থান পতন। তবে আমার গল্পটি খুবই সুন্দর। একদিন আমি এই দায়িত্ব পাব। এটি প্রকৃতিগত ব্যাপার। যা হবার তা হবে।’

ফরাসি দলের হয়ে ১০৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন জিদান। ১৯৯৮ সালের বিশ^কাপ জয়ী দলেরও অংশ ছিলেন তিনি। তবে তার সমাপ্তিটা ঘটেছে কিছুটা অন্যরকম ভাবে। ২০০৬ সালে ইতালীল বিপক্ষে বিশ^কাপের ফাইনালে লাল কার্ড দেখতে হয়েছে জিদানকে।

তিনি বলেন, ‘ক্যারিয়ার নিয়ে আমার কোন পরিকল্পনা নেই। আজ আমি প্রশিক্ষন উপভোগ করছি। যেমনটি উপভোগ করতাম খেলোয়াড় থাকাকালীন সময়ে। যখন সেটা কাজ করবে না কিংবা অন্য কিছু করার প্রয়োজন হবে, আমি তা করব।’