ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর

প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ‘দুর্যোগ সহনীয় ঘর’ পেল ভূরুঙ্গামারীর ৬৬ পরিবার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ৬৬টি গৃহহীন হতদরিদ্র ও অস্বচ্ছল পরিবার প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার ‘দুর্যোগ সহনীয় ঘর’ পেয়েছে।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবার জন্য বাসস্থান নিশ্চিতকরণ কর্মসূচির আওতায় ওই ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) ও গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে

গ্রামীণ দরিদ্র গৃহহীন জনগোষ্ঠীর জন্য ‘দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ’ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়।

সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ যাদের ৮০০ বর্গফুট জায়গা বা দুই শতাংশ জমি আছে তাদের জন্য রান্নাঘর ও টয়লেটসহ দুই কক্ষ বিশিষ্ট একটি সেমিপাকা টিনসেড গৃহ নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে। প্রতিটি ঘরের জন্য নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬০ টাকা।

২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ৬৬টি গৃহ বরাদ্দ দেয়া হয়। যার মোট ব্যয় এক কোটি ৯৭ লাখ ৯০ হাজার ৭৬০ টাকা।

প্রকল্পের সুবিধাভোগী জয়মনিরহাট ইউনিয়নের ছোটখাটামারী গ্রামের বিপ্লব জানান, তিনি একজন প্রতিবন্ধী, মাথা গুঁজার কোনো ঠাঁই ছিল না। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া একটি ঘর পেয়েছি, আমি খুব খুশি।

তিলাই ইউনিয়নের দক্ষিণ ছাট গোপালপুর গ্রামের জাহানারা বলেন, ‘আগোত ভাঙা ঘরোত থাইকছোং, ঝড়ি পইড়লে ঘরোত পানি পইড়ছে। ইউএনও স্যার দেখি যায়া মোক এখান ঘর দিছে। এ্যলা মুই ছওয়া-পোয়া শুউদ্দা পাকা ঘরোত থাকোং’ (আগে ভাঙা ঘরে থাকতাম, বৃষ্টি পড়লে ঘরে পানি পড়ত, ইউএনও স্যার দেখে গিয়ে
আমাকে একটা ঘর দিয়েছে এখন সন্তানসহ পাকা ঘরে থাকছি)।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনুর আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা দিয়েছিলেন, সবার জন্য বাসস্থান- এ লক্ষে গৃহহীরদের গৃহদান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ
মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে, কয়েকটি ঘরের রংয়ের কাজ চলছে।

বলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান বলেন, এ প্রকল্পে গৃহহীন অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, নদীভাঙনসহ, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে গৃহহীন পরিবার,বিধবা মহিলা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও পরিবারে উর্পাজক্ষম সদস্য নেই এমন পরিবার এবং অসহায় বৃদ্ধ/বৃদ্ধাদের বেশি অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরুজুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা, দেশের কেউ গৃহহীন থাকবে না- সেই ঘোষণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে হতদরিদ্রদের জন্য ‘দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ’ করা হয়েছে।

উপজেলার ৬৬টি গৃহহীন পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিতে পেরে আমাদের ভালো লাগছে, ঘর পেয়ে উপকার ভোগীরাও খুব খুশি হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা

প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ‘দুর্যোগ সহনীয় ঘর’ পেল ভূরুঙ্গামারীর ৬৬ পরিবার

আপডেট সময় ০৬:০৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ৬৬টি গৃহহীন হতদরিদ্র ও অস্বচ্ছল পরিবার প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার ‘দুর্যোগ সহনীয় ঘর’ পেয়েছে।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবার জন্য বাসস্থান নিশ্চিতকরণ কর্মসূচির আওতায় ওই ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) ও গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে

গ্রামীণ দরিদ্র গৃহহীন জনগোষ্ঠীর জন্য ‘দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ’ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়।

সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ যাদের ৮০০ বর্গফুট জায়গা বা দুই শতাংশ জমি আছে তাদের জন্য রান্নাঘর ও টয়লেটসহ দুই কক্ষ বিশিষ্ট একটি সেমিপাকা টিনসেড গৃহ নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে। প্রতিটি ঘরের জন্য নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬০ টাকা।

২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ৬৬টি গৃহ বরাদ্দ দেয়া হয়। যার মোট ব্যয় এক কোটি ৯৭ লাখ ৯০ হাজার ৭৬০ টাকা।

প্রকল্পের সুবিধাভোগী জয়মনিরহাট ইউনিয়নের ছোটখাটামারী গ্রামের বিপ্লব জানান, তিনি একজন প্রতিবন্ধী, মাথা গুঁজার কোনো ঠাঁই ছিল না। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া একটি ঘর পেয়েছি, আমি খুব খুশি।

তিলাই ইউনিয়নের দক্ষিণ ছাট গোপালপুর গ্রামের জাহানারা বলেন, ‘আগোত ভাঙা ঘরোত থাইকছোং, ঝড়ি পইড়লে ঘরোত পানি পইড়ছে। ইউএনও স্যার দেখি যায়া মোক এখান ঘর দিছে। এ্যলা মুই ছওয়া-পোয়া শুউদ্দা পাকা ঘরোত থাকোং’ (আগে ভাঙা ঘরে থাকতাম, বৃষ্টি পড়লে ঘরে পানি পড়ত, ইউএনও স্যার দেখে গিয়ে
আমাকে একটা ঘর দিয়েছে এখন সন্তানসহ পাকা ঘরে থাকছি)।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনুর আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা দিয়েছিলেন, সবার জন্য বাসস্থান- এ লক্ষে গৃহহীরদের গৃহদান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ
মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে, কয়েকটি ঘরের রংয়ের কাজ চলছে।

বলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান বলেন, এ প্রকল্পে গৃহহীন অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, নদীভাঙনসহ, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে গৃহহীন পরিবার,বিধবা মহিলা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও পরিবারে উর্পাজক্ষম সদস্য নেই এমন পরিবার এবং অসহায় বৃদ্ধ/বৃদ্ধাদের বেশি অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরুজুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা, দেশের কেউ গৃহহীন থাকবে না- সেই ঘোষণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে হতদরিদ্রদের জন্য ‘দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ’ করা হয়েছে।

উপজেলার ৬৬টি গৃহহীন পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিতে পেরে আমাদের ভালো লাগছে, ঘর পেয়ে উপকার ভোগীরাও খুব খুশি হয়েছে।