ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক মব নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রভাব পড়বে: টিআইবি ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লার পাশাপাশি হ্যাঁ-তে ভোট দিতে হবে: সাদিক কায়েম চট্টগ্রাম বন্দরে এবার ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক এবার কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুর্নীতি-চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে বলায় তাদের চান্দি গরম হয়ে গেছে: জামায়াত আমির প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি দেখতে চান না তারেক রহমান: দুলু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় ও চুক্তি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ: নিরাপত্তা উপদেষ্টা মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত তরুণদের সঙ্গে জাইমা রহমানের ‘চায়ের আড্ডা’

চীন-রাশিয়ার করোনা টিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সন্দেহ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

মহামারি করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের একেবারে শেষ প্রান্তে বলে জানিয়েছে চীন-রাশিয়া। তবে তারা টিকা আবিষ্কার করলেও সেই টিকা যুক্তরাষ্ট্র ব্যবহার করবে না বলে জানিয়েছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশিয়াস ডিজিজের ডিরেক্টর, সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ও হোয়াইট হাউসের প্রধান স্বাস্থ্য উপদেষ্টা অ্যান্টনি ফাউসি। চীন-রাশিয়ার টিকা তৈরির দাবি নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর টেলিগ্রাফের।

যুক্তরাষ্ট্রের আশঙ্কা, চীন বা রাশিয়া টিকা বানালে তা মানবদেহের পক্ষে নিরাপদ নাও হতে পারে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীনা বা রাশিয়ান টিকা তাদের দেশে ব্যবহার না করাই ভাল।

শুক্রবার মার্কিন কংগ্রেসে ফাউসি বলেন, ‘অন্যান্য দেশের তৈরি করা প্রতিষেধক ব্যবহার করা ঠিক হবে না। কারণ সেসব দেশে পাশ্চাত্যের মতো কড়া বিধিনিষেধ নেই। কোনো পরীক্ষার আগেই যদি কেউ বলে, টিকা তৈরি হয়ে গিয়েছে, তাতে সমস্যাই সৃষ্টি হবে।’

তিনি বলেন, ‘টিকা ট্রায়ালে হুড়োহুড়ি করছে রাশিয়া ও চীন। আমি আশা করব তারা প্রিক্লিনিকাল ট্রায়াল ও সেফটি ট্রায়ালে নিশ্চিত হয়েই মানুষের শরীরে টিকা দিচ্ছে। বিশ্বের বাজারে টিকা আনার আগে তা মানুষের জন্য কতটা নিরাপদ ও সুরক্ষিত হবে সেটা আগে যাচাই করা দরকার।’

সারা বিশ্বই এখন করোনার টিকার জন্য অপেক্ষা করছে। চীনের কয়েকটি সংস্থা জানিয়েছে, অল্পদিনের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে প্রতিষেধক। রাশিয়া নির্দিষ্ট করে জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরেই তারা বাজারে প্রতিষেধক আনতে পারবে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, রবিবার সকাল পর্যন্ত সারা বিশ্বে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ৮৪৫ জনে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৬৮৩ জন। সুস্থ হয়েছেন এক কোটি ১৩ লাখ ২৬ হাজার ২৩২ জন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক

চীন-রাশিয়ার করোনা টিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সন্দেহ

আপডেট সময় ১২:৪৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

মহামারি করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের একেবারে শেষ প্রান্তে বলে জানিয়েছে চীন-রাশিয়া। তবে তারা টিকা আবিষ্কার করলেও সেই টিকা যুক্তরাষ্ট্র ব্যবহার করবে না বলে জানিয়েছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশিয়াস ডিজিজের ডিরেক্টর, সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ও হোয়াইট হাউসের প্রধান স্বাস্থ্য উপদেষ্টা অ্যান্টনি ফাউসি। চীন-রাশিয়ার টিকা তৈরির দাবি নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর টেলিগ্রাফের।

যুক্তরাষ্ট্রের আশঙ্কা, চীন বা রাশিয়া টিকা বানালে তা মানবদেহের পক্ষে নিরাপদ নাও হতে পারে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীনা বা রাশিয়ান টিকা তাদের দেশে ব্যবহার না করাই ভাল।

শুক্রবার মার্কিন কংগ্রেসে ফাউসি বলেন, ‘অন্যান্য দেশের তৈরি করা প্রতিষেধক ব্যবহার করা ঠিক হবে না। কারণ সেসব দেশে পাশ্চাত্যের মতো কড়া বিধিনিষেধ নেই। কোনো পরীক্ষার আগেই যদি কেউ বলে, টিকা তৈরি হয়ে গিয়েছে, তাতে সমস্যাই সৃষ্টি হবে।’

তিনি বলেন, ‘টিকা ট্রায়ালে হুড়োহুড়ি করছে রাশিয়া ও চীন। আমি আশা করব তারা প্রিক্লিনিকাল ট্রায়াল ও সেফটি ট্রায়ালে নিশ্চিত হয়েই মানুষের শরীরে টিকা দিচ্ছে। বিশ্বের বাজারে টিকা আনার আগে তা মানুষের জন্য কতটা নিরাপদ ও সুরক্ষিত হবে সেটা আগে যাচাই করা দরকার।’

সারা বিশ্বই এখন করোনার টিকার জন্য অপেক্ষা করছে। চীনের কয়েকটি সংস্থা জানিয়েছে, অল্পদিনের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে প্রতিষেধক। রাশিয়া নির্দিষ্ট করে জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরেই তারা বাজারে প্রতিষেধক আনতে পারবে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, রবিবার সকাল পর্যন্ত সারা বিশ্বে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ৮৪৫ জনে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৬৮৩ জন। সুস্থ হয়েছেন এক কোটি ১৩ লাখ ২৬ হাজার ২৩২ জন।