অাকাশ নিউজ ডেস্ক:
বিএনপি শাসনামলে দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের কথা স্মরণ করে দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ক্ষমা করা যায়, কিন্তু অতীত ভুলে যাওয়া যায় না। ভুলে যাওয়া উচিত না, আমি এটাই মনে করি। সেখান থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।
শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভার সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির জন্ম ইতিহাস থেকে শুরু করে বিএনপি সরকারের বিভিন্ন সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, এই ইতিহাসটা এদেশের মানুষের বারবার জানা উচিত। অতীতকে একেবারে ভুলে গেলে সামনের দিকে এগুনো যায় না। কারণ অতীত থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হয়।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু যতটুকু গুছিয়ে রেখে গিয়েছিলেন ওইটুকুই। তারপর তো দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবনতি তীব্র থেকে তীব্রতর হলো। এরপর এদেশের মানুষ বারবার দুর্বৃত্তের কবলে পড়েছে। খাদ্য নেই, বাসস্থান নেই, চিকিৎসা নেই, পরনে ছিন্ন কাপড়- এ অবস্থার মধ্য দিয়ে মানুষ চলেছে। আর ক্ষমতাসীনদের তাদের বিত্ত-বৈভব বেড়েছে। তাদের ঠাঁট-বাট বেড়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, এই যে ঋণখেলাপি কালচার থেকে শুরু করে যা যা শুরু এগুলো কিন্তু সবই জিয়ার আমলে। কারণ দুর্নীতির সুযোগ দেওয়া মিলিটারি ডিকটেটরদের চরিত্র। আইয়ুব খানও তাই করেছিল। একটা এলিট শ্রেণি তৈরি করে তাদের সমর্থনে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা। জিয়ার পতনের পরও দেখেছি একই কায়দায় জেনারেল এরশাদও জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করে নিজেকে রাষ্ট্রপতি করে ফেলল।
কিন্তু আওয়ামী লীগ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়েই সবসময় দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে আমাদের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর অত্যাচার করেছে।
‘আমি আমার ওয়ার্কিং কমিটির মেম্বারদের দয়া করে বলব, প্রত্যেক এলাকায় আমাদের টিম আছে। এলাকাভিত্তিক কাজ করার। আমাদের সাংগঠনিক সম্পাদক আছে, এই টিমটা যদি অতীতে আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর কী অত্যাচার তারা করেছে, এ তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে পরে। কারণ এগুলো আমাদের আর্কাইভে রাখা দরকার। এগুলো মানুষকে জানানোও দরকার। তারা কীভাবে আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন করেছে। আমাদের প্রায় সব নেতাই জেলখানায় ছিল। জেলখানায় ঢুকেও হত্যাকাণ্ড চালাল। তারপর আবার এই অত্যাচার-নির্যাতন। আর পরবর্তীতে আবারও ক্ষমতায় আসার পর থেকে নির্যাতন। এক একজনকে ধরে নিয়ে গেছে। মেরে মেরে গুম করে দিয়েছে, খবরও পাওয়া যায়নি। ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের বহু কর্মী এভাবে জীবন দিয়েছে। অথবা এমনভাবে টর্চার করেছে পরবর্তীতে তারা বেশিদিন কিন্তু বেঁচে থাকতে পারেনি। কাজেই এর একটা হিসাব রাখা এবং তথ্য সংগ্রহ করার দরকার। কারণ আমরা অনেক সময় ভুলে যাই। অতীতের অত্যাচার-নির্যাতনের কথা আমরা ভুলে যাই। শুধু ভুলে যাওয়া নয়, পরবর্তীতে ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখি। ক্ষমা করা যায়, কিন্তু অতীত ভুলে যাওয়া যায় না। ভুলে যাওয়া উচিত না, এটাই আমি মনে করি। সেখান থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।
এই অত্যাচার-নির্যাতনের মধ্য দিয়েও কিন্তু এই সংগঠন টিকে থেকেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ভেঙে ভেঙে টুকরো করে দেওয়া হয়েছিল। আমি এসে তো দেখলাম অনেক ব্র্যাকেট।
একটা রাজনৈতিক দল, যে দলটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু নিজের হাতে গড়ে তুলে দিয়েছিলেন তার ওপর বারবার আঘাত এসেছে, ঝড়-ঝঞ্ঝাট, অত্যচার-নির্যাতন, জেল-জুলুম সহ্য করতে হয়েছে। তারপরও এই দলটি টিকে থেকেছে এবং ২১ বছর পর পর সরকারে এসেছে।
২১ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পরই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ছোঁয়াটা পেয়েছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এখনও আমরা যে উন্নয়নটা করে যাচ্ছি। সেই উন্নয়নের সব থেকে বড় কথাটি হলো, আমরা ধনী-গরিবের বৈষম্যটা কমিয়ে আনার ওপর সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। আমরা আয় বৈষম্য হ্রাস করেছি। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল তৃণমূল পর্যায়ে যে মানুষগুলো বসবাস করে তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নতি করা। তারা যেন দুবেলা দুমুঠো ভাত পায়। তাদের যেন মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়। তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়। গ্রামের সাধারণ মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নটাই হচ্ছে আমাদের মূল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা আমাদের নীতিমালা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছি। আজকে কিন্তু মানুষের মাঝে সেই আত্মবিশ্বাসটা ফিরে এসেছে। আজকে অন্তত এটুকু বলতে পারি, খাদ্যের অভাবে হাহাকার নেই। যেসব মঙ্গা এলাকা ছিল, সেখানে আর মঙ্গা ও দুর্ভিক্ষ নেই। অন্তত মানুষের দুবেলা খাবারের ব্যবস্থা করতে পেরেছি। দুবেলা কেন, যারা একবেলাও খেতে পারত না, তারা এখন দুবেলা খায়, যারা দুবেলা খেত তারা এখন তিনবেলাও পেটভরে খেতে পারে; সে ব্যবস্থাটা আছে।
আমরা ব্যাপকভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার ফলে বেকারত্বের হার কমে গেছে। এখন তারা ইচ্ছে করলেই কাজ করে খেতে পারে। আমরা তাদের কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছি। আজকে তাই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নটা দৃশ্যমান হয়েছে।
বিএনপি শাসনামলে দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের কথা স্মরণ করে দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ক্ষমা করা যায়, কিন্তু অতীত ভুলে যাওয়া যায় না। ভুলে যাওয়া উচিত না, আমি এটাই মনে করি। সেখান থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভার সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির জন্ম ইতিহাস থেকে শুরু করে বিএনপি সরকারের বিভিন্ন সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, এই ইতিহাসটা এদেশের মানুষের বারবার জানা উচিত। অতীতকে একেবারে ভুলে গেলে সামনের দিকে এগুনো যায় না। কারণ অতীত থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হয়। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু যতটুকু গুছিয়ে রেখে গিয়েছিলেন ওইটুকুই। তারপর তো দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবনতি তীব্র থেকে তীব্রতর হলো। এরপর এদেশের মানুষ বারবার দুর্বৃত্তের কবলে পড়েছে। খাদ্য নেই, বাসস্থান নেই, চিকিৎসা নেই, পরনে ছিন্ন কাপড়- এ অবস্থার মধ্য দিয়ে মানুষ চলেছে। আর ক্ষমতাসীনদের তাদের বিত্ত-বৈভব বেড়েছে। তাদের ঠাঁট-বাট বেড়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, এই যে ঋণখেলাপি কালচার থেকে শুরু করে যা যা শুরু এগুলো কিন্তু সবই জিয়ার আমলে। কারণ দুর্নীতির সুযোগ দেওয়া মিলিটারি ডিকটেটরদের চরিত্র। আইয়ুব খানও তাই করেছিল। একটা এলিট শ্রেণি তৈরি করে তাদের সমর্থনে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা। জিয়ার পতনের পরও দেখেছি একই কায়দায় জেনারেল এরশাদও জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করে নিজেকে রাষ্ট্রপতি করে ফেলল। কিন্তু আওয়ামী লীগ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়েই সবসময় দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে আমাদের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর অত্যাচার করেছে। ‘আমি আমার ওয়ার্কিং কমিটির মেম্বারদের দয়া করে বলব, প্রত্যেক এলাকায় আমাদের টিম আছে। এলাকাভিত্তিক কাজ করার। আমাদের সাংগঠনিক সম্পাদক আছে, এই টিমটা যদি অতীতে আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর কী অত্যাচার তারা করেছে, এ তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে পরে। কারণ এগুলো আমাদের আর্কাইভে রাখা দরকার। এগুলো মানুষকে জানানোও দরকার। তারা কীভাবে আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন করেছে। আমাদের প্রায় সব নেতাই জেলখানায় ছিল। জেলখানায় ঢুকেও হত্যাকাণ্ড চালাল। তারপর আবার এই অত্যাচার-নির্যাতন। আর পরবর্তীতে আবারও ক্ষমতায় আসার পর থেকে নির্যাতন। এক একজনকে ধরে নিয়ে গেছে। মেরে মেরে গুম করে দিয়েছে, খবরও পাওয়া যায়নি। ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের বহু কর্মী এভাবে জীবন দিয়েছে। অথবা এমনভাবে টর্চার করেছে পরবর্তীতে তারা বেশিদিন কিন্তু বেঁচে থাকতে পারেনি। কাজেই এর একটা হিসাব রাখা এবং তথ্য সংগ্রহ করার দরকার। কারণ আমরা অনেক সময় ভুলে যাই। অতীতের অত্যাচার-নির্যাতনের কথা আমরা ভুলে যাই। শুধু ভুলে যাওয়া নয়, পরবর্তীতে ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখি। ক্ষমা করা যায়, কিন্তু অতীত ভুলে যাওয়া যায় না। ভুলে যাওয়া উচিত না, এটাই আমি মনে করি। সেখান থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। এই অত্যাচার-নির্যাতনের মধ্য দিয়েও কিন্তু এই সংগঠন টিকে থেকেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ভেঙে ভেঙে টুকরো করে দেওয়া হয়েছিল। আমি এসে তো দেখলাম অনেক ব্র্যাকেট। একটা রাজনৈতিক দল, যে দলটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু নিজের হাতে গড়ে তুলে দিয়েছিলেন তার ওপর বারবার আঘাত এসেছে, ঝড়-ঝঞ্ঝাট, অত্যচার-নির্যাতন, জেল-জুলুম সহ্য করতে হয়েছে। তারপরও এই দলটি টিকে থেকেছে এবং ২১ বছর পর পর সরকারে এসেছে। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পরই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ছোঁয়াটা পেয়েছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এখনও আমরা যে উন্নয়নটা করে যাচ্ছি। সেই উন্নয়নের সব থেকে বড় কথাটি হলো, আমরা ধনী-গরিবের বৈষম্যটা কমিয়ে আনার ওপর সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। আমরা আয় বৈষম্য হ্রাস করেছি। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল তৃণমূল পর্যায়ে যে মানুষগুলো বসবাস করে তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নতি করা। তারা যেন দুবেলা দুমুঠো ভাত পায়। তাদের যেন মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়। তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়। গ্রামের সাধারণ মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নটাই হচ্ছে আমাদের মূল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা আমাদের নীতিমালা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছি। আজকে কিন্তু মানুষের মাঝে সেই আত্মবিশ্বাসটা ফিরে এসেছে। আজকে অন্তত এটুকু বলতে পারি, খাদ্যের অভাবে হাহাকার নেই। যেসব মঙ্গা এলাকা ছিল, সেখানে আর মঙ্গা ও দুর্ভিক্ষ নেই। অন্তত মানুষের দুবেলা খাবারের ব্যবস্থা করতে পেরেছি। দুবেলা কেন, যারা একবেলাও খেতে পারত না, তারা এখন দুবেলা খায়, যারা দুবেলা খেত তারা এখন তিনবেলাও পেটভরে খেতে পারে; সে ব্যবস্থাটা আছে। আমরা ব্যাপকভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার ফলে বেকারত্বের হার কমে গেছে। এখন তারা ইচ্ছে করলেই কাজ করে খেতে পারে। আমরা তাদের কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছি। আজকে তাই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নটা দৃশ্যমান হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















