ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই সনদকে অস্বীকার করে বিএনপি জাতির সঙ্গে গাদ্দারি করছে:নাহিদ ইসলাম দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী মিরপুরে সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট ধ্বংসস্তূপের নিচে ৩২ ঘণ্টার বিভীষিকা, যেভাবে বেঁচে ফিরল ১২ বছরের কিশোরী ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ প্রতিটি ক্লাশরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, শ্রেণিকক্ষেই স্কুলছাত্রের বিষপান খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম জুলাইয়ের ৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা দেশে ফিরলে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে: রুমিন ফারহানা

প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়েই তিনি ‘এমবিবিএস’ ডাক্তার, হাসপাতালের মালিক!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রাথমিক বিদ্যায়য়ের গণ্ডি কোন রকমে পেরিয়েছেন। তিনি এমবিবিএস ডাক্তার এবং হাসপাতালের মালিক। প্রতিদিনই নিয়মিত রোগী দেখতেন এবং ব্যবস্থাপত্র দিতেন। এভাবেই দীর্ঘদিন থেকে সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে প্রতারণা করে আসছিল রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। অবশেষে র‌্যাবের জালে ধরা পড়ে ওই প্রতারক ডাক্তার। পরে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

সেই সাথে ওই চিকিৎসকের মালিকানাধীন সেবা হাসপাতাল সিলগালা করে দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর ধাপ এলাকায় র‌্যাব-১৩ এ অভিযান চালিয়ে হাসপাতাল সিলগালা এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করা হয়।

সূত্র জানায়, সেবা হাসপাতালের মালিক রফিকুল ইসলাম পঞ্চম শ্রেণি পাশ। হাসপাতালের মালিক হিসেবে কোন প্রাতিষ্ঠানিক ডাক্তার না হয়েও নিয়মিত রোগী দেখেন এবং ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন। রংপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন জাহান ও রংপুর সিভিল সার্জনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে হাসপাতালের সকল সেবা কার্যক্রম নিরীক্ষা কালে দেখা যায় হাসপাতালের লাইসেন্স দীর্ঘ ৩ বছর ধরে নবায়ন করা হয়নি। ১০ (দশ) শয্যার অনুমোদন থাকলেও বর্তমানে ৩০ (ত্রিশ) টি শয্যায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কোন নিয়মিত ডাক্তার তো নেই-ই অধিকন্তু রোগীদের তাৎক্ষনিক চিকিৎসা দেওয়ার জন্য কোন ডিউটি ডাক্তারও নেই। পাশাপাশি হাসপাতালের মালিক মো. রফিকুল ইসলামকে চিকিৎসা দেওয়ারত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার ডাক্তারী সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য কাগজপত্র চাওয়া হলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। প্রকৃতপক্ষে তিনি কোন ডাক্তার নন। কিন্তু সরকারী দলিল, ব্যাংকের চেক বই ও কোর্টের কাগজপত্রে তার নামের আগে ‘ডাক্তার’ ব্যবহার করেছেন।

র‌্যাব ১৩ এর অধিনায়ক রেজা আহমেদ ফেরদৌস জানান, সেবা হাসপাতালটিতে রোগীদের হয়রানি, বেশি করে বিল আদায় করাসহ নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়।

এদিকে জেলা সিভিল সার্জন ডা. হিরন্ব কুমার রায় বলেন, ভুুয়া ডাক্তারের কোন শিক্ষাগত যোগত্যাই নেই। তিনি নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে মানুষের সাথে প্রতারণা করতেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই সনদকে অস্বীকার করে বিএনপি জাতির সঙ্গে গাদ্দারি করছে:নাহিদ ইসলাম

প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়েই তিনি ‘এমবিবিএস’ ডাক্তার, হাসপাতালের মালিক!

আপডেট সময় ০৪:৩৭:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রাথমিক বিদ্যায়য়ের গণ্ডি কোন রকমে পেরিয়েছেন। তিনি এমবিবিএস ডাক্তার এবং হাসপাতালের মালিক। প্রতিদিনই নিয়মিত রোগী দেখতেন এবং ব্যবস্থাপত্র দিতেন। এভাবেই দীর্ঘদিন থেকে সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে প্রতারণা করে আসছিল রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। অবশেষে র‌্যাবের জালে ধরা পড়ে ওই প্রতারক ডাক্তার। পরে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

সেই সাথে ওই চিকিৎসকের মালিকানাধীন সেবা হাসপাতাল সিলগালা করে দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর ধাপ এলাকায় র‌্যাব-১৩ এ অভিযান চালিয়ে হাসপাতাল সিলগালা এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করা হয়।

সূত্র জানায়, সেবা হাসপাতালের মালিক রফিকুল ইসলাম পঞ্চম শ্রেণি পাশ। হাসপাতালের মালিক হিসেবে কোন প্রাতিষ্ঠানিক ডাক্তার না হয়েও নিয়মিত রোগী দেখেন এবং ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন। রংপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন জাহান ও রংপুর সিভিল সার্জনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে হাসপাতালের সকল সেবা কার্যক্রম নিরীক্ষা কালে দেখা যায় হাসপাতালের লাইসেন্স দীর্ঘ ৩ বছর ধরে নবায়ন করা হয়নি। ১০ (দশ) শয্যার অনুমোদন থাকলেও বর্তমানে ৩০ (ত্রিশ) টি শয্যায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কোন নিয়মিত ডাক্তার তো নেই-ই অধিকন্তু রোগীদের তাৎক্ষনিক চিকিৎসা দেওয়ার জন্য কোন ডিউটি ডাক্তারও নেই। পাশাপাশি হাসপাতালের মালিক মো. রফিকুল ইসলামকে চিকিৎসা দেওয়ারত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার ডাক্তারী সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য কাগজপত্র চাওয়া হলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। প্রকৃতপক্ষে তিনি কোন ডাক্তার নন। কিন্তু সরকারী দলিল, ব্যাংকের চেক বই ও কোর্টের কাগজপত্রে তার নামের আগে ‘ডাক্তার’ ব্যবহার করেছেন।

র‌্যাব ১৩ এর অধিনায়ক রেজা আহমেদ ফেরদৌস জানান, সেবা হাসপাতালটিতে রোগীদের হয়রানি, বেশি করে বিল আদায় করাসহ নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়।

এদিকে জেলা সিভিল সার্জন ডা. হিরন্ব কুমার রায় বলেন, ভুুয়া ডাক্তারের কোন শিক্ষাগত যোগত্যাই নেই। তিনি নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে মানুষের সাথে প্রতারণা করতেন।