ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক মব নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রভাব পড়বে: টিআইবি ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লার পাশাপাশি হ্যাঁ-তে ভোট দিতে হবে: সাদিক কায়েম চট্টগ্রাম বন্দরে এবার ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক এবার কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুর্নীতি-চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে বলায় তাদের চান্দি গরম হয়ে গেছে: জামায়াত আমির প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি দেখতে চান না তারেক রহমান: দুলু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় ও চুক্তি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ: নিরাপত্তা উপদেষ্টা মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত তরুণদের সঙ্গে জাইমা রহমানের ‘চায়ের আড্ডা’

সামরিক গোয়েন্দার নজরদারিতে মিয়ানমারের সব মন্ত্রী-এমপি

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

মিয়ানমারে অবসান হচ্ছে না সামরিক হস্তক্ষেপ। দেশটিতে দীর্ঘদিন পর গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় এলেও কার্যত শাসন চলছে সামরিক। সেখানকার সাবেক সামরিক একনায়ক সরকারের মতোই বর্তমান সরকারের মন্ত্রী ও এমপিদের সবাই দেশটির সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত গোয়েন্দাদের নজরদারির শিকার হচ্ছেন।

এমনকি একজন মুখ্যমন্ত্রীও এই নজরদারির বাইরে নেই। এ জন্য সামরিক গোয়েন্দা বাহিনীর ওপর ক্ষুব্ধ মন্ত্রীদের অনেকেই।

নজরদারি বন্ধ করতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। খবর ইরাবতীর।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক সামরিক শাসনামলের মতোই স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি’র বর্তমান সরকারের প্রত্যেক মন্ত্রীই সেনানিয়ন্ত্রিত গোয়েন্দাদের তীক্ষ্ণ নজরদারিতে রয়েছেন।

বিষয়টি আমলে নিয়ে রোববার এক সংবাদ সম্মেলন থেকে গোয়েন্দা বিভাগের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে বের করে দেন মান্দালয় প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জ মিন্ট মং।

ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

এদিন মিয়ানমারের এক জাতীয় দিবস অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় যোগ দেন জ। মুখ্যমন্ত্রীর এই সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের পাশাপাশি ঢুকে পড়েন স্পেশাল ব্রাঞ্চের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাও।

অনুষ্ঠানের কয়েক ঘণ্টা পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

তাতে দেখা যায়, মুখ্যমন্ত্রী জ বেশ ক্ষোভের সঙ্গেই স্পেশাল ব্রাঞ্চের সদস্যদের মিটিং রুম থেকে বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন। তিনি বলছেন, ‘এখান থেকে এখনই বেরিয়ে যাও। এখানে তোমাদের কোনও কাজ নেই।’

ওই কর্মকর্তাদের সামনেই তিনি নজরদারির বিষয়টি তোলেন। বলেন, ‘কোনও নজরদারিই গ্রহণযোগ্য নয়। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের অবশ্যই আচরণবিধি মেনে চলতে হবে।’

১৯৪৮ সালে স্বাধীনতার পর থেকে বেশির ভাগ সময়ই সেনা শাসনের অধীনে ছিল মিয়ানমার।

এ সময়ে সামরিক গোয়েন্দা বাহিনী ব্যবহার করে সরকারবিরোধী কমকাণ্ডের অভিযোগ এনে বহু রাজনীতিক ও অধিকার কর্মীকে জেলে ঢুকানো হয়েছে।

এর মধ্যে ১৯৮৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তৎকালে গণতন্ত্রপন্থী দল এনএলডির বহু নেতাকর্মীকে হয়রানি করা হয়। সে সময় মান্দালয়ের মুখ্যমন্ত্রী জ মিন্টও জেল খেটেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক

সামরিক গোয়েন্দার নজরদারিতে মিয়ানমারের সব মন্ত্রী-এমপি

আপডেট সময় ০২:২৪:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

মিয়ানমারে অবসান হচ্ছে না সামরিক হস্তক্ষেপ। দেশটিতে দীর্ঘদিন পর গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় এলেও কার্যত শাসন চলছে সামরিক। সেখানকার সাবেক সামরিক একনায়ক সরকারের মতোই বর্তমান সরকারের মন্ত্রী ও এমপিদের সবাই দেশটির সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত গোয়েন্দাদের নজরদারির শিকার হচ্ছেন।

এমনকি একজন মুখ্যমন্ত্রীও এই নজরদারির বাইরে নেই। এ জন্য সামরিক গোয়েন্দা বাহিনীর ওপর ক্ষুব্ধ মন্ত্রীদের অনেকেই।

নজরদারি বন্ধ করতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। খবর ইরাবতীর।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক সামরিক শাসনামলের মতোই স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি’র বর্তমান সরকারের প্রত্যেক মন্ত্রীই সেনানিয়ন্ত্রিত গোয়েন্দাদের তীক্ষ্ণ নজরদারিতে রয়েছেন।

বিষয়টি আমলে নিয়ে রোববার এক সংবাদ সম্মেলন থেকে গোয়েন্দা বিভাগের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে বের করে দেন মান্দালয় প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জ মিন্ট মং।

ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

এদিন মিয়ানমারের এক জাতীয় দিবস অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় যোগ দেন জ। মুখ্যমন্ত্রীর এই সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের পাশাপাশি ঢুকে পড়েন স্পেশাল ব্রাঞ্চের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাও।

অনুষ্ঠানের কয়েক ঘণ্টা পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

তাতে দেখা যায়, মুখ্যমন্ত্রী জ বেশ ক্ষোভের সঙ্গেই স্পেশাল ব্রাঞ্চের সদস্যদের মিটিং রুম থেকে বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন। তিনি বলছেন, ‘এখান থেকে এখনই বেরিয়ে যাও। এখানে তোমাদের কোনও কাজ নেই।’

ওই কর্মকর্তাদের সামনেই তিনি নজরদারির বিষয়টি তোলেন। বলেন, ‘কোনও নজরদারিই গ্রহণযোগ্য নয়। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের অবশ্যই আচরণবিধি মেনে চলতে হবে।’

১৯৪৮ সালে স্বাধীনতার পর থেকে বেশির ভাগ সময়ই সেনা শাসনের অধীনে ছিল মিয়ানমার।

এ সময়ে সামরিক গোয়েন্দা বাহিনী ব্যবহার করে সরকারবিরোধী কমকাণ্ডের অভিযোগ এনে বহু রাজনীতিক ও অধিকার কর্মীকে জেলে ঢুকানো হয়েছে।

এর মধ্যে ১৯৮৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তৎকালে গণতন্ত্রপন্থী দল এনএলডির বহু নেতাকর্মীকে হয়রানি করা হয়। সে সময় মান্দালয়ের মুখ্যমন্ত্রী জ মিন্টও জেল খেটেছেন।