ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, একজনের মৃত্যু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি অনিয়মের প্রমাণ থাকলে যেকোনো বিচার মেনে নিতে প্রস্তুত: আসিফ এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

অবশেষে থামল রিয়ালের জয়রথ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

অবশেষে ১০ ম্যাচ পর লা লিগা চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদের জয়রথ থামল। আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার ম্যাচে লেগানেসের সঙ্গে ড্র করেছে লস ব্লাঙ্কোসরা। তবে নিজেদের জীবণ মরণ ম্যাচে শেষ রক্ষা হয়নি লেগানেসের। রিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচ জিততে না পারায় সেল্টা ভিগোর চেয়ে এক পয়েন্টে পিছিয়ে থেকে তাই রেলিগেশনে পড়তে হলো তাদের।

আনুষ্ঠানিকতার ম্যাচ বলেই জিনেদিন জিদান বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছিলেন দলে। থিবো কোর্তোয়া, টনি ক্রুস, লুকা মদ্রিচ, দানি কারভাহাল, রাফায়েল ভারান সবাই ছিলেন বেঞ্চে। কিন্তু সার্জিও রামোস নতুন একাদশটাকেও নেতৃত্ব দিলেন আগের মতোই। ম্যাচের ৯ মিনিটে ইস্কোর ফ্রি-কিক থেকে হেডে লিগের ১১তম গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়েছিলেন রামোস। ১১ গোল করে এই শতাব্দীতে ডিফেন্ডার হিসেবে লা লিগার এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডও হয়েছে রিয়াল অধিনায়কের।

এই ম্যাচে রিয়ালের আকর্ষণ বলতে ছিলেন করিম বেনজেমা। লা লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে অবশ্য তাকে ৪ গোল করতে হত। হ্যাটট্রিক করলে ছুঁয়ে ফেলতেন মেসিকে। তবে রেলিগেশন এড়ানোর লড়াইয়ে নামা লেগানেসের বিপক্ষে সেভাবে সুযোগ পেলেন কমই।

প্রথমার্ধেই ম্যাচে ফেরে লেগানেস। ব্রায়ান গিল বাম পায়ের দারুণ শটে কাছের পোস্টে রিয়ালের দ্বিতীয় পছন্দের গোলরক্ষক আলফোন্সো আরিওলাকে হার মানান। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও আবার নড়বড়ে হয়ে যায় লেগানেস। মার্কো আসেনসিও গোল করে ৫২ মিনিটে আবার এগিয়ে নেন রিয়ালকে। এবারও ইস্কোর অবদান তাতে, তার থ্রু পাস ধরেই গোলের সামনে এগিয়ে দিয়েছিলেন আসেনসিও।

আবার পিছিয়ে পড়ে নতুন করে ফেরার লড়াই শুরু করে লেগানেস। দ্বিতীয়ার্ধে আর মাঠে নামেননি রামোস। তার জায়গায় নেমেছিলেন নাচো। ৬১ মিনিটের বেনজেমা, কাসেমিরো, আসেনসিওকে তুলে ক্রুস, ইয়োভিচ আর ব্রাহিম ডিয়াজকে নামিয়ে দেন জিদান। কিন্তু লেগানেস আবার ম্যাচে ফেরে ৭৮ মিনিটে, রজার আসালের গোলে। শেষ ১০ ম্যাচের কোনোটিতেই দুই গোল হজম করেনি রিয়াল, লিগের শেষ ম্যাচে এসেছে সেই ধারা ভাঙার পর হারই চোখ রাঙাচ্ছিল তাদের।

সমতায় ফেরার পর রিয়ালের রক্ষণভাগে সবটুকু নিংড়ে দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে গেছে তারা। অন্তত দুইবার গোলের সামনে থেকে সহজ সুযোগ পেয়েও লেগানেস বল মেরেছে গোলবারের বাইরে দিয়ে।

অন্য ম্যাচে একই সঙ্গে রেলিগেশন এড়াতে লড়ছিল সেল্টা ভিগো। রেলিগেটেড হয়ে যাওয়া এস্পানিওলের বিপক্ষে ম্যাচ ছিল তাদের। গোলশূন্য ড্র করেও তারা বেঁচে গেছে লেগানেস ড্র করায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবশেষে থামল রিয়ালের জয়রথ

আপডেট সময় ০৯:০০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

অবশেষে ১০ ম্যাচ পর লা লিগা চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদের জয়রথ থামল। আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার ম্যাচে লেগানেসের সঙ্গে ড্র করেছে লস ব্লাঙ্কোসরা। তবে নিজেদের জীবণ মরণ ম্যাচে শেষ রক্ষা হয়নি লেগানেসের। রিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচ জিততে না পারায় সেল্টা ভিগোর চেয়ে এক পয়েন্টে পিছিয়ে থেকে তাই রেলিগেশনে পড়তে হলো তাদের।

আনুষ্ঠানিকতার ম্যাচ বলেই জিনেদিন জিদান বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছিলেন দলে। থিবো কোর্তোয়া, টনি ক্রুস, লুকা মদ্রিচ, দানি কারভাহাল, রাফায়েল ভারান সবাই ছিলেন বেঞ্চে। কিন্তু সার্জিও রামোস নতুন একাদশটাকেও নেতৃত্ব দিলেন আগের মতোই। ম্যাচের ৯ মিনিটে ইস্কোর ফ্রি-কিক থেকে হেডে লিগের ১১তম গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়েছিলেন রামোস। ১১ গোল করে এই শতাব্দীতে ডিফেন্ডার হিসেবে লা লিগার এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডও হয়েছে রিয়াল অধিনায়কের।

এই ম্যাচে রিয়ালের আকর্ষণ বলতে ছিলেন করিম বেনজেমা। লা লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে অবশ্য তাকে ৪ গোল করতে হত। হ্যাটট্রিক করলে ছুঁয়ে ফেলতেন মেসিকে। তবে রেলিগেশন এড়ানোর লড়াইয়ে নামা লেগানেসের বিপক্ষে সেভাবে সুযোগ পেলেন কমই।

প্রথমার্ধেই ম্যাচে ফেরে লেগানেস। ব্রায়ান গিল বাম পায়ের দারুণ শটে কাছের পোস্টে রিয়ালের দ্বিতীয় পছন্দের গোলরক্ষক আলফোন্সো আরিওলাকে হার মানান। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও আবার নড়বড়ে হয়ে যায় লেগানেস। মার্কো আসেনসিও গোল করে ৫২ মিনিটে আবার এগিয়ে নেন রিয়ালকে। এবারও ইস্কোর অবদান তাতে, তার থ্রু পাস ধরেই গোলের সামনে এগিয়ে দিয়েছিলেন আসেনসিও।

আবার পিছিয়ে পড়ে নতুন করে ফেরার লড়াই শুরু করে লেগানেস। দ্বিতীয়ার্ধে আর মাঠে নামেননি রামোস। তার জায়গায় নেমেছিলেন নাচো। ৬১ মিনিটের বেনজেমা, কাসেমিরো, আসেনসিওকে তুলে ক্রুস, ইয়োভিচ আর ব্রাহিম ডিয়াজকে নামিয়ে দেন জিদান। কিন্তু লেগানেস আবার ম্যাচে ফেরে ৭৮ মিনিটে, রজার আসালের গোলে। শেষ ১০ ম্যাচের কোনোটিতেই দুই গোল হজম করেনি রিয়াল, লিগের শেষ ম্যাচে এসেছে সেই ধারা ভাঙার পর হারই চোখ রাঙাচ্ছিল তাদের।

সমতায় ফেরার পর রিয়ালের রক্ষণভাগে সবটুকু নিংড়ে দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে গেছে তারা। অন্তত দুইবার গোলের সামনে থেকে সহজ সুযোগ পেয়েও লেগানেস বল মেরেছে গোলবারের বাইরে দিয়ে।

অন্য ম্যাচে একই সঙ্গে রেলিগেশন এড়াতে লড়ছিল সেল্টা ভিগো। রেলিগেটেড হয়ে যাওয়া এস্পানিওলের বিপক্ষে ম্যাচ ছিল তাদের। গোলশূন্য ড্র করেও তারা বেঁচে গেছে লেগানেস ড্র করায়।