ঢাকা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক মব নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রভাব পড়বে: টিআইবি ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লার পাশাপাশি হ্যাঁ-তে ভোট দিতে হবে: সাদিক কায়েম চট্টগ্রাম বন্দরে এবার ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক এবার কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুর্নীতি-চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে বলায় তাদের চান্দি গরম হয়ে গেছে: জামায়াত আমির প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি দেখতে চান না তারেক রহমান: দুলু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় ও চুক্তি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ: নিরাপত্তা উপদেষ্টা মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত তরুণদের সঙ্গে জাইমা রহমানের ‘চায়ের আড্ডা’

মিশর-সুদানের বিরোধিতা সত্ত্বেও নীল নদের পানিতে ইথিওপিয়ার নিয়ন্ত্রণ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

কোনো চুক্তি ছাড়াই নীল নদের ওপর স্থাপিত বিতর্কিত জল বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য পানি নেয়া শুরু করেছে ইথিওপিয়া। এ নিয়ে মিশর ও সুদানের সঙ্গে বিরোধ আরও চরম আকার ধারণ করতে যাচ্ছে দেশটির।

বুধবার নীল নদ থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য পানি প্রত্যাহার করা শুরু করেছে ইথিওপিয়া। বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য বিশাল জলাধারটিতে ভরা হচ্ছে এই পানি। ইথিওপিয়ার পানি মন্ত্রী সেলেশি বেকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। স্যাটেলাইট চিত্রেও দেখা যাচ্ছে, জলাধারের পানির স্তর বাড়তে শুরু করেছে।

নীল নদের ওপরে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণের শুরু থেকেই বিরোধিতা করে আসছে মিশর ও সুদান। এদিকে কোনো ধরনের চুক্তি ছাড়া নীল নদের ওপর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ও চালু করার ব্যাপারে সতর্ক করেন মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামেহ শোউকরি।
১৯২৯ সালের একটি চুক্তি এবং পরবর্তীতে ১৯৫৯ সালের আরেকটি চুক্তিতে মিসর এবং সুদানকে নীল নদের পানির প্রায় সমস্ত অধিকার দেয়া হয়। যদিও পুরোনো এসব আইন মানতে ইচ্ছুক নয় ইথিওপিয়া, কারণ তাদের ব্লু নীলের পানি নীল নদে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে।

এদিকে মিসরের দুশ্চিন্তা হলো, নীল নদে যদি পানি প্রবাহ কমে যায়, তাহলে সেটি লেক নাসেরকে প্রভাবিত করবে। যার ফলে মিশরের আসওয়ান বাঁধে পানির প্রবাহ কমে যাবে, যেখান থেকে মিশরের বেশিরভাগ বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

এ ছাড়া এই বাঁধের কারণে নীল নদের পানির প্রবাহ যদি অনেক কমে যায়, তাহলে সেটি মিসরের নদীপথে পরিবহন ব্যবস্থাকেও হুমকির মুখে ফেলবে এবং কৃষকদের কৃষি ও পশুপালনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক

মিশর-সুদানের বিরোধিতা সত্ত্বেও নীল নদের পানিতে ইথিওপিয়ার নিয়ন্ত্রণ

আপডেট সময় ০১:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

কোনো চুক্তি ছাড়াই নীল নদের ওপর স্থাপিত বিতর্কিত জল বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য পানি নেয়া শুরু করেছে ইথিওপিয়া। এ নিয়ে মিশর ও সুদানের সঙ্গে বিরোধ আরও চরম আকার ধারণ করতে যাচ্ছে দেশটির।

বুধবার নীল নদ থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য পানি প্রত্যাহার করা শুরু করেছে ইথিওপিয়া। বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য বিশাল জলাধারটিতে ভরা হচ্ছে এই পানি। ইথিওপিয়ার পানি মন্ত্রী সেলেশি বেকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। স্যাটেলাইট চিত্রেও দেখা যাচ্ছে, জলাধারের পানির স্তর বাড়তে শুরু করেছে।

নীল নদের ওপরে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণের শুরু থেকেই বিরোধিতা করে আসছে মিশর ও সুদান। এদিকে কোনো ধরনের চুক্তি ছাড়া নীল নদের ওপর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ও চালু করার ব্যাপারে সতর্ক করেন মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামেহ শোউকরি।
১৯২৯ সালের একটি চুক্তি এবং পরবর্তীতে ১৯৫৯ সালের আরেকটি চুক্তিতে মিসর এবং সুদানকে নীল নদের পানির প্রায় সমস্ত অধিকার দেয়া হয়। যদিও পুরোনো এসব আইন মানতে ইচ্ছুক নয় ইথিওপিয়া, কারণ তাদের ব্লু নীলের পানি নীল নদে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে।

এদিকে মিসরের দুশ্চিন্তা হলো, নীল নদে যদি পানি প্রবাহ কমে যায়, তাহলে সেটি লেক নাসেরকে প্রভাবিত করবে। যার ফলে মিশরের আসওয়ান বাঁধে পানির প্রবাহ কমে যাবে, যেখান থেকে মিশরের বেশিরভাগ বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

এ ছাড়া এই বাঁধের কারণে নীল নদের পানির প্রবাহ যদি অনেক কমে যায়, তাহলে সেটি মিসরের নদীপথে পরিবহন ব্যবস্থাকেও হুমকির মুখে ফেলবে এবং কৃষকদের কৃষি ও পশুপালনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।