ঢাকা ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম শেখ হাসিনা চাচ্ছে না বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক : মেজর হাফিজ ৫৪ বছরে ক্ষমতায় যারা ছিল, তাদের শ্বশুরবাড়ির সম্পদ হু হু করে বেড়েছে:শফিকুর রহমান ৫ দশমিক ৯ মাত্রায় ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থানকারী দলের ইতিহাস বিকৃতিতে জাতি স্তব্ধ: মাহদী আমিন সাপ আর ভারতীয়র দেখা একসঙ্গে পেলে, আগে ভারতীয়কে মারা উচিত: এপস্টেইন নথি ‘আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল’:সালাহউদ্দিন দায়িত্ব শেষে আমি নাগরিক সমাজের কাজে ফিরে যাবো : শিক্ষা উপদেষ্টা আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভিয়েতনাম, গোপন নথি ফাঁস পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ

আশুলিয়ায় চলন্ত বাসে নৃত্যশিল্পীকে গণধর্ষণের অভিযোগে আটক ৭

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সাভারের আশুলিয়ায় চলন্ত বাসে এক নারী নৃত্যশিল্পীকে (১৮) গণধর্ষণের অভিযোগে সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ। গভীর রাতে নবীনগর চন্দ্রা মহাসড়কের আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকা থেকে তাদের আটক করে আশুলিয়া থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, রাতে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকা থেকে আশুলিয়ার ক্লাসিক পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় আসার জন্য এক নারী উঠেন। পরে বাসটির চালক গাড়িটি পল্লীবিদ্যুৎ না গিয়ে মহাসড়কের পাশে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে আরও ৬ সহযোগীসহ সাতজন মিলে জোর পূর্বক ওই নারীকে গণধর্ষণ করেন। এসময় ধর্ষণে আরও চার যুবক তাদেরকে সহয়তা করেন।

পরে ওই নারী চলন্ত গাড়ি থেকে চিৎকার দিলে মহাসড়কে টহলরত আশুলিয়ার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুদীপ কুমার বলেন, ওই নারী বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু তাকে একলা পেয়ে চলন্ত বাসে তাকে ধর্ষণ করে। গোপন সংবাদ পেয়ে পুলিশের ওই কর্মকর্তা গাড়িটিতে তল্লাশি চালান।
গ্রেফতাররা হলেন- গোপালগঞ্জ জেলার কাশীয়ানি থানার মহির উদ্দিনের ছেলে সহিদুল ইসলাম (২৮), কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিদপুর থানার গাজারিয়ার গ্রামের ফেরদৌসের ছেলে ও আশুলিয়া ক্ল্যাসিক পরিবহনের চালক আরিফ (১৮) এবং লক্ষীপুর জেলা সদর থানার যোগমেন গ্রামের কামরুল ইসলামের ছেলে সজীবসহ (১৯) সাতজনকে আটক করে ও নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে দুপুরের গণধর্ষণের শিকার ওই নারীকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টফ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করেছে পুলিশ।

আশুলিয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তকর্তা শেখ মোহাম্মদ রিজাউল হক দিপু বলেন, এই ঘটনার একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় ধর্ষণের শিকার ওই নারী সাতজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-৩১।

তিনি আরও বলেন, যে বাসে ঘটনার ঘটেছে সেই বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। সাভার উপজেলার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা খালেদা আক্তার এ্যানি বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে সাভার ও আশুলিয়ার এলাকার গণধর্ষণে ঘটনা ঘটেছে। আর চলন্ত বাসে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে আশুলিয়ায় স্থানীয় নারীদের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এর আগে সাভার ও ধামরাইয়ে বেশ কয়েকবার চলন্ত যাত্রীবাহী বাসে কয়েকজন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে গেলে স্বর্ণের দেশে পরিণত হবে’: রেজাউল করিম

আশুলিয়ায় চলন্ত বাসে নৃত্যশিল্পীকে গণধর্ষণের অভিযোগে আটক ৭

আপডেট সময় ১০:৫৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সাভারের আশুলিয়ায় চলন্ত বাসে এক নারী নৃত্যশিল্পীকে (১৮) গণধর্ষণের অভিযোগে সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ। গভীর রাতে নবীনগর চন্দ্রা মহাসড়কের আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকা থেকে তাদের আটক করে আশুলিয়া থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, রাতে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকা থেকে আশুলিয়ার ক্লাসিক পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় আসার জন্য এক নারী উঠেন। পরে বাসটির চালক গাড়িটি পল্লীবিদ্যুৎ না গিয়ে মহাসড়কের পাশে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে আরও ৬ সহযোগীসহ সাতজন মিলে জোর পূর্বক ওই নারীকে গণধর্ষণ করেন। এসময় ধর্ষণে আরও চার যুবক তাদেরকে সহয়তা করেন।

পরে ওই নারী চলন্ত গাড়ি থেকে চিৎকার দিলে মহাসড়কে টহলরত আশুলিয়ার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুদীপ কুমার বলেন, ওই নারী বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু তাকে একলা পেয়ে চলন্ত বাসে তাকে ধর্ষণ করে। গোপন সংবাদ পেয়ে পুলিশের ওই কর্মকর্তা গাড়িটিতে তল্লাশি চালান।
গ্রেফতাররা হলেন- গোপালগঞ্জ জেলার কাশীয়ানি থানার মহির উদ্দিনের ছেলে সহিদুল ইসলাম (২৮), কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিদপুর থানার গাজারিয়ার গ্রামের ফেরদৌসের ছেলে ও আশুলিয়া ক্ল্যাসিক পরিবহনের চালক আরিফ (১৮) এবং লক্ষীপুর জেলা সদর থানার যোগমেন গ্রামের কামরুল ইসলামের ছেলে সজীবসহ (১৯) সাতজনকে আটক করে ও নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে দুপুরের গণধর্ষণের শিকার ওই নারীকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টফ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করেছে পুলিশ।

আশুলিয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তকর্তা শেখ মোহাম্মদ রিজাউল হক দিপু বলেন, এই ঘটনার একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় ধর্ষণের শিকার ওই নারী সাতজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-৩১।

তিনি আরও বলেন, যে বাসে ঘটনার ঘটেছে সেই বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। সাভার উপজেলার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা খালেদা আক্তার এ্যানি বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে সাভার ও আশুলিয়ার এলাকার গণধর্ষণে ঘটনা ঘটেছে। আর চলন্ত বাসে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে আশুলিয়ায় স্থানীয় নারীদের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এর আগে সাভার ও ধামরাইয়ে বেশ কয়েকবার চলন্ত যাত্রীবাহী বাসে কয়েকজন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছিল।