ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি ‘ওবামা আমলের চেয়ে অনেক ভালো হবে’: ট্রাম্প মাটি খুঁড়ে অজ্ঞাত মা ও নবজাতকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার হেফাজত আমিরের দোয়া নিলেন এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অচিরেই সুখবর আসবে: প্রধানমন্ত্রী ‘পরিবারের সুখ শান্তিকে তছনছ করে দিয়েছি’: মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপি নেত্রী যিশুর মূর্তি ভাঙচুর ইসরাইলি সেনার, বিশ্বজুড়ে তোলপাড় নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী নিজের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে সংসদে উদ্বেগের কথা জানালেন হান্নান মাসুদ

বান্দরবান হত্যাকাণ্ড: নিহত ৬ জনের দাহ সম্পন্ন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ৬ জনের দাহ সম্পন্ন হয়েছে। নিহতদের নিজ নিজ এলাকায় পারিবারিকভাবে দাহ করা হয়।

এর আগে বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় বান্দরবান জেলা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নিহতদের মধ্যে একজন ছাড়া বাকি ৫ জনের বাড়ি খাগড়াছড়িতে।

মরদেহ বুধবার দিবাগত রাতে কড়া পুলিশি পাহারায় খাগড়াছড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে এক এক করে তাদের দাহ সম্পন্ন হয়।

এরমধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি বিমল কান্তি চাকমাকে বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) ভোরে পানছড়ির কুরাদিয়া ছড়া এলাকায় দাহ করা হয়। উপদেষ্টা কমিটির সদস্য চিংথোয়াইয়াং মারমা ওরফে ডেভিডকে মানিকছড়ির এসআলং পাড়ায় দাহ করা হয়।

এছাড়া যুব সমিতির সদস্য রবীন্দ্র চাকমা ওরফে মিলনকে মহালছড়ির খুইল্লান পাড়া শ্মশানে, রিপন ত্রিপুরা ওরফে জয়কে জেলা সদরের তেতুল তলা শ্মশানে এবং জ্ঞান ত্রিপুরা ওরফে দিপনকে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে দাহ করা হয়। অন্যদিকে সংগঠনটির বান্দরবান শাখার সভাপতি রতন তঞ্চঙ্গাকে বুধবার রাতে নিজ এলাকায় দাহ করা হয়।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে বান্দরবানের রাজভিলা ইউনিয়নের বাঘবাড়া এলাকায় অজ্ঞাত অস্ত্রধারীদের গুলিতে ৬ জন নিহত হন, আহত হন আরও তিনজন। নিহতরা সবাই পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এমএন লারমা গ্রুপের নেতাকর্মী।

এ ঘটনায় বুধবার রাতে বান্দরবান থানায় মামলা করেছেন নিহতদের সংগঠন জনসংহতি সমিতির এমএন লারমা গ্রুপের বান্দরবান সম্পাদক উবা মং মারমা। মামলায় সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির ১০ নেতাকর্মীসহ আরো অজ্ঞাত ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বান্দরবান সদর থানার ওসি শহীদুল ইসলাম চৌধুরী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার তদন্তের স্বার্থে আপাতত কারো নাম প্রকাশ করা যাবে না। আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বান্দরবান হত্যাকাণ্ড: নিহত ৬ জনের দাহ সম্পন্ন

আপডেট সময় ০৪:৫৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ৬ জনের দাহ সম্পন্ন হয়েছে। নিহতদের নিজ নিজ এলাকায় পারিবারিকভাবে দাহ করা হয়।

এর আগে বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় বান্দরবান জেলা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নিহতদের মধ্যে একজন ছাড়া বাকি ৫ জনের বাড়ি খাগড়াছড়িতে।

মরদেহ বুধবার দিবাগত রাতে কড়া পুলিশি পাহারায় খাগড়াছড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে এক এক করে তাদের দাহ সম্পন্ন হয়।

এরমধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি বিমল কান্তি চাকমাকে বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) ভোরে পানছড়ির কুরাদিয়া ছড়া এলাকায় দাহ করা হয়। উপদেষ্টা কমিটির সদস্য চিংথোয়াইয়াং মারমা ওরফে ডেভিডকে মানিকছড়ির এসআলং পাড়ায় দাহ করা হয়।

এছাড়া যুব সমিতির সদস্য রবীন্দ্র চাকমা ওরফে মিলনকে মহালছড়ির খুইল্লান পাড়া শ্মশানে, রিপন ত্রিপুরা ওরফে জয়কে জেলা সদরের তেতুল তলা শ্মশানে এবং জ্ঞান ত্রিপুরা ওরফে দিপনকে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে দাহ করা হয়। অন্যদিকে সংগঠনটির বান্দরবান শাখার সভাপতি রতন তঞ্চঙ্গাকে বুধবার রাতে নিজ এলাকায় দাহ করা হয়।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে বান্দরবানের রাজভিলা ইউনিয়নের বাঘবাড়া এলাকায় অজ্ঞাত অস্ত্রধারীদের গুলিতে ৬ জন নিহত হন, আহত হন আরও তিনজন। নিহতরা সবাই পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এমএন লারমা গ্রুপের নেতাকর্মী।

এ ঘটনায় বুধবার রাতে বান্দরবান থানায় মামলা করেছেন নিহতদের সংগঠন জনসংহতি সমিতির এমএন লারমা গ্রুপের বান্দরবান সম্পাদক উবা মং মারমা। মামলায় সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির ১০ নেতাকর্মীসহ আরো অজ্ঞাত ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বান্দরবান সদর থানার ওসি শহীদুল ইসলাম চৌধুরী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার তদন্তের স্বার্থে আপাতত কারো নাম প্রকাশ করা যাবে না। আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।