ঢাকা ০১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অনুতপ্ত সাকিব

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

ভারতীয় জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করার জন্য গত অক্টোবরে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি পেয়েছেন সাকিব আল হাসান, যার মধ্যে এক বছরের শাস্তি স্থগিত। নিষেধাজ্ঞার শাস্তি শেষে চলতি বছরের ৩০ অক্টোবর সবধরনের ক্রিকেট কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন তিনি।

নিষেধাজ্ঞার ৮ মাস পর বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকবাজে ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সাকিব জানিয়েছেন, জুয়াড়ির সঙ্গে কথোপকথনকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেননি তিনি। যেটি তার সবচেয়ে বড় ভুল, এমন ভুল করার উচিৎ হয়নি এবং সে জন্য তিনি অনুতপ্ত।

সাকিব বলেন,‌ আমার মনে হয়, আমি এটা একটু বেশিই হালকাভাবে নিয়েছিলাম। আমি যখন দুর্নীতি দমন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করলাম এবং বললাম, তারা সবকিছু জানে, সব প্রমাণ দিলাম, ভেতরে-বাইরের সবকিছু তারা খুঁটিনাটি সব জানে। সত্য কথা বলতে, মূলত এই কারণেই মাত্র ১ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছি। না হলে ৫-১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারতাম।

সাকিব আইসিসির দুর্নীতি দমনের অনেক ক্লাসে উপস্থিত ছিলেন। তারপরও বার বার প্রস্তাব পেয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাননি। এ বিষয়ে বলেন, ‘আমার মনে হয়, বোকার মতো ভুল করেছিলাম। কারণ, যে অভিজ্ঞতা আমার আছে, যে পরিমাণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ আমি খেলেছি এবং দুর্নীতি দমন ধারা নিয়ে যতগুলো ক্লাস করেছি, আমার ওই ভুল করা উচিত হয়নি। সেটা নিয়ে আমি অনুতপ্ত।’

প্রস্তাবের বিষয়টি না জানানো বিষয় তিনি বলেন, আমরা হাজারও ফোনকল পাই, ম্যাসেজ পাই, কয়টা আর মনে থাকে? একটা উদাহরণ আমি দিতে পারি, ওই লোকটি যখন শেষবার ম্যাসেজ পাঠিয়েছিল, আমি জবাব দিয়েছিলাম, ‘সরি, কার সঙ্গে কথা বলছি?’ তার মানে, আমার মনেও ছিল না, কার সঙ্গে কথা বলছি। তার সঙ্গে প্রথম কথা হয়েছে ২-৩ বছর আগে, ওই সময় আমি জানতামও না লোকটা কে।

সাকিব বলেন, তবে সত্য, কারও উচিত নয় এসব হালকাভাবে নেওয়া। ওই ধরনের ম্যাসেজ বা কল কারও হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। নিরাপদে থাকতে হলে দুর্নীতি দমন কর্তাদের জানানো উচিত। নৈতিকতার দিক থেকে ভুল না হলেও আইন বা নিয়মের দিক থেকে ভুল হয়েছে। আমি কখনোই ভাবতে পারিনি যে এমন ভুল করতে পারি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

অনুতপ্ত সাকিব

আপডেট সময় ০৯:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

ভারতীয় জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করার জন্য গত অক্টোবরে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি পেয়েছেন সাকিব আল হাসান, যার মধ্যে এক বছরের শাস্তি স্থগিত। নিষেধাজ্ঞার শাস্তি শেষে চলতি বছরের ৩০ অক্টোবর সবধরনের ক্রিকেট কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন তিনি।

নিষেধাজ্ঞার ৮ মাস পর বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকবাজে ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সাকিব জানিয়েছেন, জুয়াড়ির সঙ্গে কথোপকথনকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেননি তিনি। যেটি তার সবচেয়ে বড় ভুল, এমন ভুল করার উচিৎ হয়নি এবং সে জন্য তিনি অনুতপ্ত।

সাকিব বলেন,‌ আমার মনে হয়, আমি এটা একটু বেশিই হালকাভাবে নিয়েছিলাম। আমি যখন দুর্নীতি দমন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করলাম এবং বললাম, তারা সবকিছু জানে, সব প্রমাণ দিলাম, ভেতরে-বাইরের সবকিছু তারা খুঁটিনাটি সব জানে। সত্য কথা বলতে, মূলত এই কারণেই মাত্র ১ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছি। না হলে ৫-১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারতাম।

সাকিব আইসিসির দুর্নীতি দমনের অনেক ক্লাসে উপস্থিত ছিলেন। তারপরও বার বার প্রস্তাব পেয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাননি। এ বিষয়ে বলেন, ‘আমার মনে হয়, বোকার মতো ভুল করেছিলাম। কারণ, যে অভিজ্ঞতা আমার আছে, যে পরিমাণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ আমি খেলেছি এবং দুর্নীতি দমন ধারা নিয়ে যতগুলো ক্লাস করেছি, আমার ওই ভুল করা উচিত হয়নি। সেটা নিয়ে আমি অনুতপ্ত।’

প্রস্তাবের বিষয়টি না জানানো বিষয় তিনি বলেন, আমরা হাজারও ফোনকল পাই, ম্যাসেজ পাই, কয়টা আর মনে থাকে? একটা উদাহরণ আমি দিতে পারি, ওই লোকটি যখন শেষবার ম্যাসেজ পাঠিয়েছিল, আমি জবাব দিয়েছিলাম, ‘সরি, কার সঙ্গে কথা বলছি?’ তার মানে, আমার মনেও ছিল না, কার সঙ্গে কথা বলছি। তার সঙ্গে প্রথম কথা হয়েছে ২-৩ বছর আগে, ওই সময় আমি জানতামও না লোকটা কে।

সাকিব বলেন, তবে সত্য, কারও উচিত নয় এসব হালকাভাবে নেওয়া। ওই ধরনের ম্যাসেজ বা কল কারও হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। নিরাপদে থাকতে হলে দুর্নীতি দমন কর্তাদের জানানো উচিত। নৈতিকতার দিক থেকে ভুল না হলেও আইন বা নিয়মের দিক থেকে ভুল হয়েছে। আমি কখনোই ভাবতে পারিনি যে এমন ভুল করতে পারি।