ঢাকা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মাছের ডিমের স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নিন

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

বলা হয় মাছে ভাতে বাঙালি। বাঙালির পাতে প্রতিদিন মাছ চাই।মাছের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে আমরা সকলেই ওয়াকিবহাল। তবে যদি মাছের ডিমের কথা বলি, অনেকেই হয়তো এটি খেতে আরও বেশি পছন্দ করেন। কিন্তু, জানেন কি মাছের ডিমের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে?

মাছের ডিম ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা ফিশ অয়েল সাপ্লিমেন্ট হিসেবে আমাদের শরীরে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

চিকিৎসকদের মতে, মাছের ডিমে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা শরীরের বহু সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। তবে চলুন দেখে নিন, মাছের ডিম খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা।
নিউট্রিশন ভ্যালু ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচারে পরীক্ষা অনুযায়ী, ১ টেবিল চামচ (১৬ গ্রাম) মাছের ডিমের নিউট্রিশন ভ্যালু হল- ক্যালোরিজ – ৪২ ফ্যাট – ৩ গ্রাম সোডিয়াম – ২৪০ মাইক্রোগ্রাম কার্বোহাইড্রেট – ০.৬ গ্রাম ফাইবার – ০ গ্রাম সুগার – ০ গ্রাম প্রোটিন – ৪ গ্রাম।

এছাড়াও রয়েছে অনেক ভিটামিন এবং মিনারেলস। জেনে নিন মাছের ডিমের উপকারিতা।

১. মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য উন্নতি করতে :

মাছের ডিমের মধ্যে থাকা ইপিএ, ডিএইচ এবং ডিপিএ(এক ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড) মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য উন্নতি করতে সহায়তা করে।

২. রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস হ্রাস করতে :

গবেষকদের মতে, মাছ ও মাছের ডিমে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের লক্ষণগুলো হ্রাস করতে সহায়তা করে।

৪. চোখ ভালো রাখতে :

মাছের ডিমের মধ্যে থাকা ভিটামিন-এ চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া ডিএইচএ এবং ইপিএ শিশুদের চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করতে ও রেটিনার কার্যকারিতাকে উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ।

৪. অ্যানিমিয়া থেকে মুক্তি :

মাছের ডিমে থাকা স্বাস্থ্যকর উপাদানগুলো রক্ত পরিষ্কার করে এবং হিমোগ্লোবিন বাড়িয়ে তোলে, যা অ্যানিমিয়া থেকে মুক্তি পেতে খুবই সহায়ক।

৫. হাড় শক্ত করতে :

মাছের ডিমের মধ্যে থাকে ভিটামিন ডি, যা হাড়কে শক্ত করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি দাঁতকে মজবুত ও ভালো রাখতে সাহায্য করে।

৬. হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করতে :

মাছের ডিমে থাকা ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ডি হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৭. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে :

মাছের ডিমের ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধতে না দেওয়া এবং প্রদাহ হ্রাস করতে সহায়তা করে, যা উচ্চ রক্তচাপের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে।

৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে :

মাছের পাশাপাশি মাছের ডিমে থাকা প্রয়োজনীয় উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মাছের ডিমের স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নিন

আপডেট সময় ০৫:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

বলা হয় মাছে ভাতে বাঙালি। বাঙালির পাতে প্রতিদিন মাছ চাই।মাছের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে আমরা সকলেই ওয়াকিবহাল। তবে যদি মাছের ডিমের কথা বলি, অনেকেই হয়তো এটি খেতে আরও বেশি পছন্দ করেন। কিন্তু, জানেন কি মাছের ডিমের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে?

মাছের ডিম ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা ফিশ অয়েল সাপ্লিমেন্ট হিসেবে আমাদের শরীরে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

চিকিৎসকদের মতে, মাছের ডিমে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা শরীরের বহু সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। তবে চলুন দেখে নিন, মাছের ডিম খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা।
নিউট্রিশন ভ্যালু ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচারে পরীক্ষা অনুযায়ী, ১ টেবিল চামচ (১৬ গ্রাম) মাছের ডিমের নিউট্রিশন ভ্যালু হল- ক্যালোরিজ – ৪২ ফ্যাট – ৩ গ্রাম সোডিয়াম – ২৪০ মাইক্রোগ্রাম কার্বোহাইড্রেট – ০.৬ গ্রাম ফাইবার – ০ গ্রাম সুগার – ০ গ্রাম প্রোটিন – ৪ গ্রাম।

এছাড়াও রয়েছে অনেক ভিটামিন এবং মিনারেলস। জেনে নিন মাছের ডিমের উপকারিতা।

১. মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য উন্নতি করতে :

মাছের ডিমের মধ্যে থাকা ইপিএ, ডিএইচ এবং ডিপিএ(এক ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড) মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য উন্নতি করতে সহায়তা করে।

২. রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস হ্রাস করতে :

গবেষকদের মতে, মাছ ও মাছের ডিমে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের লক্ষণগুলো হ্রাস করতে সহায়তা করে।

৪. চোখ ভালো রাখতে :

মাছের ডিমের মধ্যে থাকা ভিটামিন-এ চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া ডিএইচএ এবং ইপিএ শিশুদের চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করতে ও রেটিনার কার্যকারিতাকে উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ।

৪. অ্যানিমিয়া থেকে মুক্তি :

মাছের ডিমে থাকা স্বাস্থ্যকর উপাদানগুলো রক্ত পরিষ্কার করে এবং হিমোগ্লোবিন বাড়িয়ে তোলে, যা অ্যানিমিয়া থেকে মুক্তি পেতে খুবই সহায়ক।

৫. হাড় শক্ত করতে :

মাছের ডিমের মধ্যে থাকে ভিটামিন ডি, যা হাড়কে শক্ত করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি দাঁতকে মজবুত ও ভালো রাখতে সাহায্য করে।

৬. হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করতে :

মাছের ডিমে থাকা ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ডি হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৭. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে :

মাছের ডিমের ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধতে না দেওয়া এবং প্রদাহ হ্রাস করতে সহায়তা করে, যা উচ্চ রক্তচাপের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে।

৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে :

মাছের পাশাপাশি মাছের ডিমে থাকা প্রয়োজনীয় উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।