আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
প্রিয় নেতা মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুর খবরে শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে পুরো সিরাজগঞ্জ। প্রিয় নেতাকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ অনেকেই। কেউ কেউ আবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।
শনিবার (১৩ জুন) সকাল থেকেই মূষলধারে বৃষ্টি চলছিল। এ অবস্থায় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে খবর আসে মোহাম্মদ নাসিম আর নেই। তার মৃত্যুর খবর শুনে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই শহরের এস এস রোডস্থ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের ভিড় জমতে থাকে। এ সময় নেতাকর্মীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এমনকি সাধারণ মানুষের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে আসে।
সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী এলাকার রিকশা শ্রমিক চাঁন মিয়া বলেন, নাসিম সাহেবের মত নেতা আর পাবো না।
অপর রিকশা শ্রমিক রানীগ্রাম এলাকার রানা বলেন, সিরাজগঞ্জের অনেক উন্নয়ন নাসিম সাহেব করেছেন। এত বড় বড় কাজ নাসিম সাহেব ছাড়া আর কেউ করতে পারতো না।
জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ওয়াহিদ খান তনু বলেন, মোহাম্মদ নাসিম ছিলেন আমাদের গর্ব। আমরা আমাদের মুখের ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।
সিরাজগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দানিউল হক মোল্লা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমরা আমাদের অভিভাবককে হারালাম। তিনি ছিলেন কর্মী দরদী নেতা। এ শূন্যতা পূর্ণ হবার নয়।
শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, আমাদের প্রিয় নেতাকে আমরা একটি বারের জন্য হলেও দেখতে চাই। সিরাজগঞ্জবাসী মোহাম্মদ নাসিমকে শেষবারের মতো দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কে এম হোসেন আলী হাসান অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় তিনি বলেন, দীর্ঘদিন তার সঙ্গে থেকে রাজনীতি করেছি।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস বলেন, সিরাজগঞ্জবাসী বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে। তিনি শুধু সিরাজগঞ্জের নেতা ছিলেন না। তিনি ছিলেন জাতীয় নেতা। তার মৃত্যুতে জাতীয় রাজনীতিতে যে শূন্যতার সৃষ্টি হলো সেটা পূর্ণ হবার নয়।
এদিকে মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে তার নির্বাচনী এলাকা কাজিপুরবাসী। মৃত্যুর সংবাদ শোনার সঙ্গে সঙ্গে দলে দলে নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে ভিড় জমাচ্ছেন। অনেকেই হাউমাউ করে কাঁদছেন। আবার একে অপরকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























