ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক মব নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রভাব পড়বে: টিআইবি ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লার পাশাপাশি হ্যাঁ-তে ভোট দিতে হবে: সাদিক কায়েম চট্টগ্রাম বন্দরে এবার ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক এবার কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুর্নীতি-চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে বলায় তাদের চান্দি গরম হয়ে গেছে: জামায়াত আমির প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি দেখতে চান না তারেক রহমান: দুলু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় ও চুক্তি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ: নিরাপত্তা উপদেষ্টা মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত তরুণদের সঙ্গে জাইমা রহমানের ‘চায়ের আড্ডা’

সরকার মহা অস্থিরতায় ভুগছে: রিজভী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাকালেও মহাসমারোহে একদলীয় শাসনকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার আয়োজন চলছে অভিযোগ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকার মনে হয় এক মহা অস্থিরতায় ভুগছে। তাই নিজেদের পছন্দের লোকদেরকে পদোন্নতি দেওয়ার হিড়িক চালাচ্ছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, কয়েকদিন আগে ১২৩ জন উপসচিবকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সরকারি ছুটির দিনে এই আদেশ দেওয়াটাও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। পদ নেই তবুও পদোন্নতি চলছে আলোকের গতিতে। পর্যাপ্ত পদ না থাকায় বেশির ভাগ কর্মকর্তাকেই আগের পদে থাকতে হবে।

তিনি বলেন, সরকারের এই সুপারনিউমারি পদোন্নতি সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক স্বার্থে। পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন চারজন মন্ত্রীর একান্ত সচিব ও ছয়জন জেলা প্রশাসকসহ আওয়ামী ঘনিষ্ঠরা। এই ঘোর দুর্দিনে পদ না থাকা সত্ত্বেও এতগুলো পদোন্নতি দেওয়ায় এটা প্রমাণিত যে, সরকার জনগণের বাঁচা-মরাকে তোয়াক্কা করে না, শুধুমাত্র ক্ষমতাকে অনিশ্চয়তার হাত থেকে বাঁচানোর জন্য যত ধরনের স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা দরকার তারা সেটিই করছে।

রিজভী বলেন, করোনা ভাইরাস যখন ঝড়ের বেগে বাংলাদেশের মানুষকে আক্রান্ত করছে, প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ মারা যাচ্ছে, যখন বেশি প্রয়োজন অক্সিজেন সিলিন্ডার, বেড, আইসিইউ বেড, মাস্ক, গ্লাভস, ফেসশিল্ড, স্যানিটাইজারের, সেই মুহূর্তে পদ না থাকার পরেও এই বিশাল পদোন্নতি করোনায় উদ্বিগ্ন জনগণের প্রতি মস্তবড় তামাশা।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই দলীয় বিবেচনায় ঢালাও নিয়োগ ও পদোন্নতি চলছে। অনেক মেধাবী কর্মকর্তা যোগ্যতা থাকার পরেও তাদের পদোন্নতি হয়নি। কুষ্ঠিনামা যাচাই করে শুধুমাত্র তাদেরকেই পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে যারা ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে নানাভাবে যুক্ত। এই সরকারের পুরোটা সময়জুড়ে বঞ্চিত করা হয়েছে সৎ, যোগ্য ও মেধাবী কর্মকর্তাদের। তবে এই মুহূর্তে প্রশাসন ক্যাডারে এতগুলো কর্মকর্তার পদোন্নতি জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক

সরকার মহা অস্থিরতায় ভুগছে: রিজভী

আপডেট সময় ০৪:৩৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাকালেও মহাসমারোহে একদলীয় শাসনকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার আয়োজন চলছে অভিযোগ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকার মনে হয় এক মহা অস্থিরতায় ভুগছে। তাই নিজেদের পছন্দের লোকদেরকে পদোন্নতি দেওয়ার হিড়িক চালাচ্ছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, কয়েকদিন আগে ১২৩ জন উপসচিবকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সরকারি ছুটির দিনে এই আদেশ দেওয়াটাও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। পদ নেই তবুও পদোন্নতি চলছে আলোকের গতিতে। পর্যাপ্ত পদ না থাকায় বেশির ভাগ কর্মকর্তাকেই আগের পদে থাকতে হবে।

তিনি বলেন, সরকারের এই সুপারনিউমারি পদোন্নতি সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক স্বার্থে। পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন চারজন মন্ত্রীর একান্ত সচিব ও ছয়জন জেলা প্রশাসকসহ আওয়ামী ঘনিষ্ঠরা। এই ঘোর দুর্দিনে পদ না থাকা সত্ত্বেও এতগুলো পদোন্নতি দেওয়ায় এটা প্রমাণিত যে, সরকার জনগণের বাঁচা-মরাকে তোয়াক্কা করে না, শুধুমাত্র ক্ষমতাকে অনিশ্চয়তার হাত থেকে বাঁচানোর জন্য যত ধরনের স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা দরকার তারা সেটিই করছে।

রিজভী বলেন, করোনা ভাইরাস যখন ঝড়ের বেগে বাংলাদেশের মানুষকে আক্রান্ত করছে, প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ মারা যাচ্ছে, যখন বেশি প্রয়োজন অক্সিজেন সিলিন্ডার, বেড, আইসিইউ বেড, মাস্ক, গ্লাভস, ফেসশিল্ড, স্যানিটাইজারের, সেই মুহূর্তে পদ না থাকার পরেও এই বিশাল পদোন্নতি করোনায় উদ্বিগ্ন জনগণের প্রতি মস্তবড় তামাশা।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই দলীয় বিবেচনায় ঢালাও নিয়োগ ও পদোন্নতি চলছে। অনেক মেধাবী কর্মকর্তা যোগ্যতা থাকার পরেও তাদের পদোন্নতি হয়নি। কুষ্ঠিনামা যাচাই করে শুধুমাত্র তাদেরকেই পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে যারা ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে নানাভাবে যুক্ত। এই সরকারের পুরোটা সময়জুড়ে বঞ্চিত করা হয়েছে সৎ, যোগ্য ও মেধাবী কর্মকর্তাদের। তবে এই মুহূর্তে প্রশাসন ক্যাডারে এতগুলো কর্মকর্তার পদোন্নতি জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।