ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেধাবী ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী চীনা বিনিয়োগে উৎপাদনমুখী শিল্পায়ন চায় বাংলাদেশ: ড. তিতুমীর কথা কম, কাজ বেশি নীতিতে চলবে ডিএনসিসি : প্রশাসক বগুড়াকে বিভাগ করার ইঙ্গিত স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৪৫৮ দেশপ্রেমিক মানুষ কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারে না: বিমানমন্ত্রী সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে কাজ করছে সরকার : ভারপ্রাপ্ত স্পিকার চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা, পণ্য বৈচিত্র্য, উদ্ভাবন ও গবেষণায় সরকারের প্রাধান্য: মাহ্দী আমিন

শিশুদেরও রেহাই দিচ্ছে না মিয়ানমার সেনাবাহিনী

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বার্মিজ সেনারা রোহিঙ্গাদের দেখলেই কোনো বাছবিচার ছাড়াই গুলি করছে। শিশুদেরও রেহাই দিচ্ছে না তারা। বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ, শিশু যেকেউ-ই সেনাদের সামনে পড়লে বুলেটের শিকার হচ্ছে। অতর্কিতে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি।

মিয়ানমার দাবি করেছে, রাখাইনে শুক্রবার সহিংসতা শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১০০ জন নিহত হয়েছেন। বিদ্রোহী রোহিঙ্গাদের সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (এআরএসএ) ওই দিন ভোরে মিয়ানমার পুলিশের আউট-পোস্টে হামলা চালালে এ সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে বলে দাবি করেছে মিয়ানমার।

রোহিঙ্গাদের অধিকার নিয়ে কাজ করা আইনজীবীদের বরাত দিয়ে আলজাজিরা বলেছে, শুক্রবার থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৮০০ জন নিহত হয়েছেন। তবে নিহতের এ সংখ্যা নিরপেক্ষ সূত্র থেকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে সংবাদসংস্থাটি।

মংডুর বাসিন্দা আজিজ খান বলেন, শুক্রবার সকালে সেনাবাহিনী তাদের গ্রামে হানা দেয় এবং বাড়ি ও গাড়িতে নির্বিচারে গুলি চালাতে থাকে। তিনি আরো বলেন, সরকারি বাহিনী ও সেনাবাহিনী তাদের গ্রামের ১১ জনকে হত্যা করে। যা কিছু নড়াচড়া করছিল, এমন সব কিছুতেই তারা গুলি চালায়। এরপর কিছু সেনা ঘরবাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়।

আজিজ খান বলেন, সেদিন নিহতদের মধ্যে নারী ও বৃদ্ধ রয়েছে। এমন কি ছোট্ট শিশুকেও তারা রেহাই দেয়নি। মংডু, বুথিডায়ুং ও রাথেডায়ুং শহর ঘিরে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এ তিন অঞ্চলে প্রায় ৮০ হাজার লোকের বসবাস। সেখানে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি রাখা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেধাবী ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী

শিশুদেরও রেহাই দিচ্ছে না মিয়ানমার সেনাবাহিনী

আপডেট সময় ০৩:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বার্মিজ সেনারা রোহিঙ্গাদের দেখলেই কোনো বাছবিচার ছাড়াই গুলি করছে। শিশুদেরও রেহাই দিচ্ছে না তারা। বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ, শিশু যেকেউ-ই সেনাদের সামনে পড়লে বুলেটের শিকার হচ্ছে। অতর্কিতে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি।

মিয়ানমার দাবি করেছে, রাখাইনে শুক্রবার সহিংসতা শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১০০ জন নিহত হয়েছেন। বিদ্রোহী রোহিঙ্গাদের সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (এআরএসএ) ওই দিন ভোরে মিয়ানমার পুলিশের আউট-পোস্টে হামলা চালালে এ সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে বলে দাবি করেছে মিয়ানমার।

রোহিঙ্গাদের অধিকার নিয়ে কাজ করা আইনজীবীদের বরাত দিয়ে আলজাজিরা বলেছে, শুক্রবার থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৮০০ জন নিহত হয়েছেন। তবে নিহতের এ সংখ্যা নিরপেক্ষ সূত্র থেকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে সংবাদসংস্থাটি।

মংডুর বাসিন্দা আজিজ খান বলেন, শুক্রবার সকালে সেনাবাহিনী তাদের গ্রামে হানা দেয় এবং বাড়ি ও গাড়িতে নির্বিচারে গুলি চালাতে থাকে। তিনি আরো বলেন, সরকারি বাহিনী ও সেনাবাহিনী তাদের গ্রামের ১১ জনকে হত্যা করে। যা কিছু নড়াচড়া করছিল, এমন সব কিছুতেই তারা গুলি চালায়। এরপর কিছু সেনা ঘরবাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়।

আজিজ খান বলেন, সেদিন নিহতদের মধ্যে নারী ও বৃদ্ধ রয়েছে। এমন কি ছোট্ট শিশুকেও তারা রেহাই দেয়নি। মংডু, বুথিডায়ুং ও রাথেডায়ুং শহর ঘিরে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এ তিন অঞ্চলে প্রায় ৮০ হাজার লোকের বসবাস। সেখানে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি রাখা হয়।