ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক মব নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রভাব পড়বে: টিআইবি ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লার পাশাপাশি হ্যাঁ-তে ভোট দিতে হবে: সাদিক কায়েম চট্টগ্রাম বন্দরে এবার ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক এবার কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুর্নীতি-চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে বলায় তাদের চান্দি গরম হয়ে গেছে: জামায়াত আমির প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি দেখতে চান না তারেক রহমান: দুলু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় ও চুক্তি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ: নিরাপত্তা উপদেষ্টা মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত তরুণদের সঙ্গে জাইমা রহমানের ‘চায়ের আড্ডা’

‘করোনার কারণে দুর্নীতিবাজদের প্রতি নমনীয় হওয়ার কোনো সুযোগ নেই’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনার মধ্যেও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত থাকবে। করোনার কারণে দুর্নীতিবাজদের প্রতি নমনীয় হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

ক্যাসিনোকাণ্ডে কমিশনের অনুসন্ধান বা তদন্তে শিথিলিতা এসেছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ একথা বলেছেন।

রাজধানীর মিন্টু রোডের বাসায় দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, গণমাধ্যমে এ জাতীয় সংবাদ দেখেছি। তবে আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে পারি, কমিশন ক্যাসিনোকাণ্ডে যে সব অভিযোগ আমলে নিয়েছে সেসব বিষয়ে অনুসন্ধান বা তদন্তে শিথিলতার কোনো সুযোগ নেই। করোনার কারণে অপরাধীদের প্রতি ন্যূনতম নমনীয় হওয়ারও সুযোগ নেই । প্রতিটি অনুসন্ধান ও তদন্ত চলমান রয়েছে।

এন-৯৫ মাস্ক ও পারসোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট (পিপিই) কেনাকাটায় দুর্নীতি হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, করোনা মহামারী শুরুর প্রারম্ভেই এসব সামগ্রী ক্রয় প্রক্রিয়া শুরু হয়। এগুলো খুবই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। যে কোনো প্রয়োজনে যে কোনো প্রতিষ্ঠান ক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে এটা স্বাভাবিক, এক্ষেত্রে দুদকের কিছু করণীয় নেই। তবে এসব ক্রয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি কিংবা জাল-জালিয়াতির ঘটনা ঘটলে দুদক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।

তিনি বলেন, এন-৯৫ মাস্ক এবং পিপিই ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনিয়ম-দুর্নীতি বা প্রতারণার কিছু খবর এসেছে। কমিশন এ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিবেদন সংরক্ষণ করছে। এছাড়া কমশিনের অভিযোগকেন্দ্র হটলাইন-১০৬-এ স্বাস্থ্য খাতের বেশকিছু কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। কমিশনের গোয়েন্দা ইউনিটকেও এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেয়া হয়। কমিশন সার্বিকভাবে এসব কেনাকাটার বিষয়গুলো অনুসরণ করছে।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, মাস্ক বা পিপিইর মতো অতীব গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী যা চিকিৎসক, নার্স বা স্বাস্থ্য কর্মীদের জীবনের নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই এসব অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হচ্ছে এবং দ্রুততার সঙ্গে কমিশনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। এগুলো ছাড়াও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় তৃণমূল পর্যায় (উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স) থেকে শুরু করে রাজধানীর বড় বড় হাসপাতালের বিষয়ে যেসব অভিযোগ পাওয়া গেছে সেগুলোও যাচাই-বাছাই করা হবে এবং অভিযোগের সত্যতা থাকলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধে কমিশন গঠিত প্রাতিষ্ঠানিক টিমও কাজ করেছে। গতবছর কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক টিমের একটি প্রতিবেদন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছে। এ প্রতিবেদেনর সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করা হলে স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি-অনিয়ম প্রতিরোধ করা সহজ হবে বলে কমিশন মনে করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক

‘করোনার কারণে দুর্নীতিবাজদের প্রতি নমনীয় হওয়ার কোনো সুযোগ নেই’

আপডেট সময় ০৫:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনার মধ্যেও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত থাকবে। করোনার কারণে দুর্নীতিবাজদের প্রতি নমনীয় হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

ক্যাসিনোকাণ্ডে কমিশনের অনুসন্ধান বা তদন্তে শিথিলিতা এসেছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ একথা বলেছেন।

রাজধানীর মিন্টু রোডের বাসায় দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, গণমাধ্যমে এ জাতীয় সংবাদ দেখেছি। তবে আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে পারি, কমিশন ক্যাসিনোকাণ্ডে যে সব অভিযোগ আমলে নিয়েছে সেসব বিষয়ে অনুসন্ধান বা তদন্তে শিথিলতার কোনো সুযোগ নেই। করোনার কারণে অপরাধীদের প্রতি ন্যূনতম নমনীয় হওয়ারও সুযোগ নেই । প্রতিটি অনুসন্ধান ও তদন্ত চলমান রয়েছে।

এন-৯৫ মাস্ক ও পারসোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট (পিপিই) কেনাকাটায় দুর্নীতি হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, করোনা মহামারী শুরুর প্রারম্ভেই এসব সামগ্রী ক্রয় প্রক্রিয়া শুরু হয়। এগুলো খুবই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। যে কোনো প্রয়োজনে যে কোনো প্রতিষ্ঠান ক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে এটা স্বাভাবিক, এক্ষেত্রে দুদকের কিছু করণীয় নেই। তবে এসব ক্রয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি কিংবা জাল-জালিয়াতির ঘটনা ঘটলে দুদক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।

তিনি বলেন, এন-৯৫ মাস্ক এবং পিপিই ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনিয়ম-দুর্নীতি বা প্রতারণার কিছু খবর এসেছে। কমিশন এ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিবেদন সংরক্ষণ করছে। এছাড়া কমশিনের অভিযোগকেন্দ্র হটলাইন-১০৬-এ স্বাস্থ্য খাতের বেশকিছু কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। কমিশনের গোয়েন্দা ইউনিটকেও এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেয়া হয়। কমিশন সার্বিকভাবে এসব কেনাকাটার বিষয়গুলো অনুসরণ করছে।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, মাস্ক বা পিপিইর মতো অতীব গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী যা চিকিৎসক, নার্স বা স্বাস্থ্য কর্মীদের জীবনের নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই এসব অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হচ্ছে এবং দ্রুততার সঙ্গে কমিশনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। এগুলো ছাড়াও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় তৃণমূল পর্যায় (উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স) থেকে শুরু করে রাজধানীর বড় বড় হাসপাতালের বিষয়ে যেসব অভিযোগ পাওয়া গেছে সেগুলোও যাচাই-বাছাই করা হবে এবং অভিযোগের সত্যতা থাকলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধে কমিশন গঠিত প্রাতিষ্ঠানিক টিমও কাজ করেছে। গতবছর কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক টিমের একটি প্রতিবেদন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছে। এ প্রতিবেদেনর সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করা হলে স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি-অনিয়ম প্রতিরোধ করা সহজ হবে বলে কমিশন মনে করে।