ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন বিনিয়োগ আনতে ২৭ দেশে আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এই প্রজন্ম হারিয়ে ফেললে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সব মামলায় জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত, যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক : বাণিজ্যমন্ত্রী ইতালির স্বপ্ন দেখিয়ে লিবিয়ায় নির্যাতন, মাদারীপুরে প্রতারণার শিকার অর্ধশতাধিক যুবক আবাসিক হোটেলে স্ত্রী হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন দলের দুঃসময়ের ত্যাগীদের মূল্যায়নের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিখিয়ে শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে : ববি হাজ্জাজ

ভৈরবে করোনার উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেল তিনজনের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বৃহস্পতিবার করোনা সংক্রমণের সংখ্যা ১৫০ এর ঘর ছুঁয়েছে। একই সঙ্গে উপসর্গ নিয়ে নতুন করে মারা গেছেন আরও তিনজন। বুধবার মারা যান চারজন। এই নিয়ে দুদিনে মারা গেলেন সাতজন। বৃহস্পতিবার নতুন করে আরও আটজনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সর্বমোট সংক্রমণের সংখ্যা ১৫০ স্পর্শ করল। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৮ জন।

সকালে পৌর শহরের কেবি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় এক ব্যক্তি মারা যান। তার বয়স ৫৫ বছর। পরিবারের সদস্যরা জানান, এক সপ্তাহ ধরে তিনি জ্বরে ভুগছিলেন। করোনা সন্দেহ হলেও পরীক্ষার জন্য নমুনা দেওয়া হয়নি। এই অবস্থায় ভোর থেকে শ্বাসকষ্ট বাড়তে থাকে এবং সকাল সাতটার দিকে মারা যান।

উপসর্গ নিয়ে ভোর চারটায় মারা যান পৌর শহরের জগন্নাথপুর এলাকার ওলি বেপারির বাড়ির ওয়াদুদ মিয়া। পরিবারের সদস্যরা জানান, ১০ দিন ধরে বৃদ্ধের জ্বরের সঙ্গে সর্দি ছিল। করোনা সংক্রমণ ছিল কিনা জানতে তারও নমুনা নেওয়া হয়নি। ভোর তিনটার দিকে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং এক ঘণ্টার ব্যবধানে তিনি মারা যান।

সকাল আটটার দিকে মারা যান আরও এক বৃদ্ধ। তিনি উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের শম্ভুপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনিও এক সপ্তাহের অধিক সময় ধরে জ্বর ও গলাব্যথায় ভুগছিলেন। তিনিও পরীক্ষার বাইরে ছিলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ বলেন, ঈদের পর থেকেই ভৈরবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। লোকজনকে সচেতনতার জন্য চেষ্টা করেও জীবনযাত্রায় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করানো যাচ্ছে না। সব মিলিয়ে ভৈরবের পরিস্থিতি খুব খারাপ পর্যায়ে রয়েছে বলে তিনি জানান।

মারা যাওয়া ওই তিন ব্যক্তির লাশ দাফন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবী টিম। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফারুক আহামেদ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোদি সরকার বিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের পাশে এবার বলিউড তারকারা

ভৈরবে করোনার উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেল তিনজনের

আপডেট সময় ০৬:২৬:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বৃহস্পতিবার করোনা সংক্রমণের সংখ্যা ১৫০ এর ঘর ছুঁয়েছে। একই সঙ্গে উপসর্গ নিয়ে নতুন করে মারা গেছেন আরও তিনজন। বুধবার মারা যান চারজন। এই নিয়ে দুদিনে মারা গেলেন সাতজন। বৃহস্পতিবার নতুন করে আরও আটজনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সর্বমোট সংক্রমণের সংখ্যা ১৫০ স্পর্শ করল। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৮ জন।

সকালে পৌর শহরের কেবি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় এক ব্যক্তি মারা যান। তার বয়স ৫৫ বছর। পরিবারের সদস্যরা জানান, এক সপ্তাহ ধরে তিনি জ্বরে ভুগছিলেন। করোনা সন্দেহ হলেও পরীক্ষার জন্য নমুনা দেওয়া হয়নি। এই অবস্থায় ভোর থেকে শ্বাসকষ্ট বাড়তে থাকে এবং সকাল সাতটার দিকে মারা যান।

উপসর্গ নিয়ে ভোর চারটায় মারা যান পৌর শহরের জগন্নাথপুর এলাকার ওলি বেপারির বাড়ির ওয়াদুদ মিয়া। পরিবারের সদস্যরা জানান, ১০ দিন ধরে বৃদ্ধের জ্বরের সঙ্গে সর্দি ছিল। করোনা সংক্রমণ ছিল কিনা জানতে তারও নমুনা নেওয়া হয়নি। ভোর তিনটার দিকে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং এক ঘণ্টার ব্যবধানে তিনি মারা যান।

সকাল আটটার দিকে মারা যান আরও এক বৃদ্ধ। তিনি উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের শম্ভুপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনিও এক সপ্তাহের অধিক সময় ধরে জ্বর ও গলাব্যথায় ভুগছিলেন। তিনিও পরীক্ষার বাইরে ছিলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ বলেন, ঈদের পর থেকেই ভৈরবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। লোকজনকে সচেতনতার জন্য চেষ্টা করেও জীবনযাত্রায় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করানো যাচ্ছে না। সব মিলিয়ে ভৈরবের পরিস্থিতি খুব খারাপ পর্যায়ে রয়েছে বলে তিনি জানান।

মারা যাওয়া ওই তিন ব্যক্তির লাশ দাফন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবী টিম। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফারুক আহামেদ।