ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মোস্তাফিজকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপ দল গঠনের সুপারিশ আইসিসির আমরা মা-বোনদের নিরাপত্তার ব্যাপারে অত্যন্ত এটেন্টিভ : ডা. শফিকুর রহমান আন্তর্জাতিক আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাচ্ছেন তিন রোহিঙ্গা নির্বাচনে ৫ লাখ ৫৫ হাজার আনসার-ভিডিপি দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে গুলি ছুড়ে যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ ইরানি কর্তৃপক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে না থাকলে মাহফিল শোনার দরকার নেই :জামায়াতের আমির মো. মিজানুর রহমান বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুনের ঘটনায় রেস্তোরাঁ কর্মী মিলন গ্রেপ্তার নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ব্যর্থ : মির্জা ফখরুল ইরানে বিরুদ্ধে ‘কঠোর’ পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

স্পিন আক্রমণে কারা এগিয়ে—বাংলাদেশ না অস্ট্রেলিয়া?

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

সাকিব আল হাসান পরশু পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণই এগিয়ে। সাকিবের এই মন্তব্যের জবাব দিতে সংবাদ সম্মেলনে এসে নাথান লায়ন যা বললেন, তাতে পাল্টা আক্রমণ ছিল না। তিনি এ বিষয়ে বললেন রক্ষণাত্মক সুরেই।
অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সফল অফস্পিনার লায়নের কথা, ”আমি মনে করি সেটা দেখতে হলে অপেক্ষা করতে হবে। দুই দল একে অপরের বিপক্ষে খেলেনি, এমন কিছু বলাটা অনেক বড় ব্যাপার। তবে সবাই নিজের মতামত দিতেই পারে। আমরা শুধু নিজেদের নিয়েই ভাবছি। তারা যেকোনো কিছু বলতে পারে। আমরা ভালোভাবে তৈরি হচ্ছি।”
গত অক্টোবরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে স্পিন-সহায়ক উইকেট বানিয়ে বাংলাদেশ যেভাবে সফল হয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করতে এবারও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে স্পিন-বান্ধব উইকেটই তৈরি হবে। যদি তা-ই হয়, তাহলে দুই দলের স্পিনারদের জমজমাট এক লড়াই-ই দেখা যাবে। সেই লড়াইয়ে সাকিব-মিরাজ-তাইজুল নাকি লায়ন-অ্যাগার-সোয়েপসনরা এগিয়ে থাকবেন, তা সময়ই বলে দেবে।
তবে সরল পরিসংখ্যানে এগিয়ে বাংলাদেশই। সাকিব-তাইজুল-মিরাজের সম্মিলিত উইকেট-সংখ্যা ২৫৯ (এর মধ্যে সাকিবেরই ১৭৬টি)। লায়ন-অ্যাগার-সোয়েপসনের সেটি ২৪৯ (২৪৭টিই লায়নের)। অ্যাগার খেলেছেন মাত্র ২ টেস্ট, সোয়েপসন অভিষেকের অপেক্ষায়।
এ বছর বাংলাদেশ যে পাঁচটি টেস্ট খেলেছে, সেগুলোতে প্রতিপক্ষের ১০০ উইকেটের ৬৭টি নিতে পেরেছেন বাংলাদেশের বোলাররা। এর মধ্যে পেসাররা নিয়েছেন ২৭টি, স্পিনারার ৪০টি। এই পাঁচ টেস্টের দুটি আবার নিউজিল্যান্ডের মতো পেস-সহায়ক কন্ডিশনে। এই সময়ে অস্ট্রেলিয়াও খেলেছে পাঁচটি টেস্টে। প্রতিপক্ষের ১০০ উইকেটের ৭৮টি নিতে পেরেছেন অস্ট্রেলীয় বোলাররা। পেসার নিয়েছেন ৩১ উইকেট, স্পিনারদের দখলে ৪৭টি। অবশ্য এই পাঁচ টেস্টের চারটি তারা খেলেছে ভারতের স্পিন-সহায়ক উইকেটে। স্পিনারদের ৪৭টি উইকেটের ৩৮টিই স্পিনাররা পেয়েছেন ভারতের মাটিতে।
বাংলাদেশ গত এক বছরে যে দুটি টেস্টে (ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে) জিতেছে, দুটিতেই স্পিনারদের অবদান বেশি। এই দুই টেস্টের ৪০ উইকেটের ৩২টিই স্পিনারদের। অর্থাৎ ৮০ শতাংশ উইকেটই এনে দিয়েছেন স্পিনাররা।
উপমহাদেশে গত দুই বছরে সাত টেস্ট খেলে অস্ট্রেলিয়া যে একটিতে জিতেছে, সেটি স্পিনারদের সৌজ্যনেই। গত ফেব্রুয়ারিতে পুনে টেস্টে ভারতের ১৭ উইকেটে তুলে নিয়েছিলেন অস্ট্রেলীয় স্পিনাররা। এর মধ্যে স্টিভ ও’কিফের ১২টি। ও’কিফ অবশ্য এবার বাংলাদেশ সফরেই নেই। অভিজ্ঞতায় তাই কিছুটা পিছিয়ে থাকছে অস্ট্রেলিয়ার স্পিন আক্রমণ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোস্তাফিজকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপ দল গঠনের সুপারিশ আইসিসির

স্পিন আক্রমণে কারা এগিয়ে—বাংলাদেশ না অস্ট্রেলিয়া?

আপডেট সময় ০৭:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

সাকিব আল হাসান পরশু পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণই এগিয়ে। সাকিবের এই মন্তব্যের জবাব দিতে সংবাদ সম্মেলনে এসে নাথান লায়ন যা বললেন, তাতে পাল্টা আক্রমণ ছিল না। তিনি এ বিষয়ে বললেন রক্ষণাত্মক সুরেই।
অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সফল অফস্পিনার লায়নের কথা, ”আমি মনে করি সেটা দেখতে হলে অপেক্ষা করতে হবে। দুই দল একে অপরের বিপক্ষে খেলেনি, এমন কিছু বলাটা অনেক বড় ব্যাপার। তবে সবাই নিজের মতামত দিতেই পারে। আমরা শুধু নিজেদের নিয়েই ভাবছি। তারা যেকোনো কিছু বলতে পারে। আমরা ভালোভাবে তৈরি হচ্ছি।”
গত অক্টোবরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে স্পিন-সহায়ক উইকেট বানিয়ে বাংলাদেশ যেভাবে সফল হয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করতে এবারও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে স্পিন-বান্ধব উইকেটই তৈরি হবে। যদি তা-ই হয়, তাহলে দুই দলের স্পিনারদের জমজমাট এক লড়াই-ই দেখা যাবে। সেই লড়াইয়ে সাকিব-মিরাজ-তাইজুল নাকি লায়ন-অ্যাগার-সোয়েপসনরা এগিয়ে থাকবেন, তা সময়ই বলে দেবে।
তবে সরল পরিসংখ্যানে এগিয়ে বাংলাদেশই। সাকিব-তাইজুল-মিরাজের সম্মিলিত উইকেট-সংখ্যা ২৫৯ (এর মধ্যে সাকিবেরই ১৭৬টি)। লায়ন-অ্যাগার-সোয়েপসনের সেটি ২৪৯ (২৪৭টিই লায়নের)। অ্যাগার খেলেছেন মাত্র ২ টেস্ট, সোয়েপসন অভিষেকের অপেক্ষায়।
এ বছর বাংলাদেশ যে পাঁচটি টেস্ট খেলেছে, সেগুলোতে প্রতিপক্ষের ১০০ উইকেটের ৬৭টি নিতে পেরেছেন বাংলাদেশের বোলাররা। এর মধ্যে পেসাররা নিয়েছেন ২৭টি, স্পিনারার ৪০টি। এই পাঁচ টেস্টের দুটি আবার নিউজিল্যান্ডের মতো পেস-সহায়ক কন্ডিশনে। এই সময়ে অস্ট্রেলিয়াও খেলেছে পাঁচটি টেস্টে। প্রতিপক্ষের ১০০ উইকেটের ৭৮টি নিতে পেরেছেন অস্ট্রেলীয় বোলাররা। পেসার নিয়েছেন ৩১ উইকেট, স্পিনারদের দখলে ৪৭টি। অবশ্য এই পাঁচ টেস্টের চারটি তারা খেলেছে ভারতের স্পিন-সহায়ক উইকেটে। স্পিনারদের ৪৭টি উইকেটের ৩৮টিই স্পিনাররা পেয়েছেন ভারতের মাটিতে।
বাংলাদেশ গত এক বছরে যে দুটি টেস্টে (ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে) জিতেছে, দুটিতেই স্পিনারদের অবদান বেশি। এই দুই টেস্টের ৪০ উইকেটের ৩২টিই স্পিনারদের। অর্থাৎ ৮০ শতাংশ উইকেটই এনে দিয়েছেন স্পিনাররা।
উপমহাদেশে গত দুই বছরে সাত টেস্ট খেলে অস্ট্রেলিয়া যে একটিতে জিতেছে, সেটি স্পিনারদের সৌজ্যনেই। গত ফেব্রুয়ারিতে পুনে টেস্টে ভারতের ১৭ উইকেটে তুলে নিয়েছিলেন অস্ট্রেলীয় স্পিনাররা। এর মধ্যে স্টিভ ও’কিফের ১২টি। ও’কিফ অবশ্য এবার বাংলাদেশ সফরেই নেই। অভিজ্ঞতায় তাই কিছুটা পিছিয়ে থাকছে অস্ট্রেলিয়ার স্পিন আক্রমণ।