ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই রায় কার্যকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন দিল্লিতে বসে হুংকার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী মোনাফেক গুপ্তরা থেমে নেই: ছাত্রদল সভাপতি পদত্যাগ করলেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী শিক্ষককে ঘরে আটকে মাথায় ১০ কোপ, শিক্ষার্থীর মা গ্রেফতার আগ্রাসন চালিয়ে হরমুজ কখনোই উন্মুক্ত করা যাবে না, ইরানের হুঁশিয়ারি ‘ফার্মের মুরগি’ এই ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছিল বলেই আপনি এখন শিক্ষামন্ত্রী কুসুম্বা মসজিদের দানবাক্সে মিলল পৌনে ১৩ লাখ টাকা ও স্বর্ণের চামচ দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

নীল থেকে লাল হয়েছে মঙ্গল!

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

৪০০ কোটি বছর আগে মঙ্গল গ্রহের রঙ নীল ছিল। আস্তে আস্তে সেটি লাল হয়েছে। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা গবেষণা শেষে এমনটাই দাবি করছেন। একই সঙ্গে বিজ্ঞানীরা মঙ্গল গ্রহে প্রাণের স্পন্দনের ইঙ্গিত পেয়েছেন। তারা মঙ্গলে নাইট্রোজেন বা জৈবিক পদার্থ (কার্বনেট কম্পাউন্ড) পেয়েছেন ৷

জাপানের একদল বিজ্ঞানী মঙ্গলের উল্কাপিন্ডে এমন এক জৈবিক পদার্থ পেয়েছেন যাতে নাইট্রোজেনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

এই বিশেষজ্ঞদের দলে রয়েছেন টোকিও ইন্ডাসট্রিজ অব টেকনোলজির বিজ্ঞানী আন্সুকো কোবায়াশী ও জাপানি এরোস্পেস এক্সপোরেশন এজেন্সির ইনস্টিটিউট অব স্পেস অ্যান্ড অ্যাস্টোনটিক্যাল সায়েন্সের বিজ্ঞানী মিজুহো কোএকে৷

তাদের গবেষণায় জানা গেছে, মঙ্গলে পাওয়া এই জৈব পদার্থ প্রায় ৪০০ কোটি বছর পুরনো৷ বিজ্ঞানীরা বলছেন, মঙ্গলের মাটির ভেতরে জৈবিক পদার্থ পানির সংমিশ্রণে থাকতে পারে৷ ফলে সেই সময়ে মঙ্গলে প্রাণের স্পন্দনের এক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল বলেই মনে করা হচ্ছে৷

বিভিন্ন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে একটি উল্কাপিন্ড আন্টার্কটিকায় পড়েছিল সেটিকে হিল্স এএলএইচ ৮৪০০১ (ALH 84001) নাম দেওয়া হয়েছিল৷ এই উল্কাপিন্ড ১৯৮৪ সালে বৈজ্ঞানিকেরা পেয়েছিলেন৷ তারপরে একাধিক সমীক্ষায় উঠেছে

এমন সব তথ্য যে মঙ্গলের রং আগে হয়ত নীল ছিল যা এখন লাল হয়েছে৷

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই রায় কার্যকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নীল থেকে লাল হয়েছে মঙ্গল!

আপডেট সময় ০৯:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

৪০০ কোটি বছর আগে মঙ্গল গ্রহের রঙ নীল ছিল। আস্তে আস্তে সেটি লাল হয়েছে। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা গবেষণা শেষে এমনটাই দাবি করছেন। একই সঙ্গে বিজ্ঞানীরা মঙ্গল গ্রহে প্রাণের স্পন্দনের ইঙ্গিত পেয়েছেন। তারা মঙ্গলে নাইট্রোজেন বা জৈবিক পদার্থ (কার্বনেট কম্পাউন্ড) পেয়েছেন ৷

জাপানের একদল বিজ্ঞানী মঙ্গলের উল্কাপিন্ডে এমন এক জৈবিক পদার্থ পেয়েছেন যাতে নাইট্রোজেনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

এই বিশেষজ্ঞদের দলে রয়েছেন টোকিও ইন্ডাসট্রিজ অব টেকনোলজির বিজ্ঞানী আন্সুকো কোবায়াশী ও জাপানি এরোস্পেস এক্সপোরেশন এজেন্সির ইনস্টিটিউট অব স্পেস অ্যান্ড অ্যাস্টোনটিক্যাল সায়েন্সের বিজ্ঞানী মিজুহো কোএকে৷

তাদের গবেষণায় জানা গেছে, মঙ্গলে পাওয়া এই জৈব পদার্থ প্রায় ৪০০ কোটি বছর পুরনো৷ বিজ্ঞানীরা বলছেন, মঙ্গলের মাটির ভেতরে জৈবিক পদার্থ পানির সংমিশ্রণে থাকতে পারে৷ ফলে সেই সময়ে মঙ্গলে প্রাণের স্পন্দনের এক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল বলেই মনে করা হচ্ছে৷

বিভিন্ন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে একটি উল্কাপিন্ড আন্টার্কটিকায় পড়েছিল সেটিকে হিল্স এএলএইচ ৮৪০০১ (ALH 84001) নাম দেওয়া হয়েছিল৷ এই উল্কাপিন্ড ১৯৮৪ সালে বৈজ্ঞানিকেরা পেয়েছিলেন৷ তারপরে একাধিক সমীক্ষায় উঠেছে

এমন সব তথ্য যে মঙ্গলের রং আগে হয়ত নীল ছিল যা এখন লাল হয়েছে৷