ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে ছুরিকাঘাতে হত্যা কৌশলের অজুহাতে বিএনপি কোনো গোপন বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান

রাজশাহী কারাগারের আরও ১২৯ কয়েদিকে মুক্তির নির্দেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের আরও ১২৯ কয়েদিকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে সরকার। শুক্রবার দুপুরে কারা কর্তৃপক্ষ এ নির্দেশ পেয়েছে।

এর আগে গত শনি ও রবিবার দুই দফায় ৯৮ বন্দীকে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার গিয়াস উদ্দিন বলেন, তৃতীয় ধাপে ১২৯ কয়েদিকে মুক্তি দিতে দুপুরেই নির্দেশনা পেয়েছি। যাদের জরিমানা নেই তাদের সন্ধ্যায় ছেড়ে দেওয়া হবে। আর আগের ৯৮ বন্দীর অনেকেই চলে গেছেন, কেউ কেউ জরিমানা পরিশোধ না হওয়ায় আটকে আছেন।

তিনি জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগের বিস্তার রোধে কারাগারগুলোতে ভিড় কমাতে সরকার লঘু অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ রকম বন্দীদের তালিকা কিছুদিন আগে কারা অধিদফতর সারাদেশের কারাগারগুলো থেকে নিয়েছিল। তালিকা পাওয়ার পর সারাদেশ থেকেই বন্দী মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, তিন ধাপে কয়েদিদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত আছে। সে অনুযায়ী প্রথম ধাপে ৩৩, দ্বিতীয় ধাপে ৬৫ এবং তৃতীয় ধাপে ১২৯ জনকে মুক্তির নির্দেশনা তিনি পেয়েছেন। এই ২২৭ জনের বাইরে আর কাউকে মুক্তি দেওয়া হবে কি না সেটা সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাদের কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বছর, কিন্তু ছয়মাস বা তারও বেশি সাজা খেটেছেন এ রকম কয়েদিদেরই সাধারণ ক্ষমায় সাজা মওকুফ করা হয়েছে। যারা মুক্তি পাচ্ছেন তাদের এ মামলায় আর কারাগারে যাওয়া লাগবে না। সাজা একেবারেই মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে। তবে কারাদণ্ডের সঙ্গে যদি কারও অর্থদণ্ডও থাকে তাহলে তাকে জরিমানার টাকা পরিশোধ করতেই হবে। স্বজনরা জরিমানা পরিশোধ না করলে সাধারণ ক্ষমা পেয়েও বন্দীর মুক্তি মিলবে না।

উল্লেখ্য, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ধারণক্ষমতা ১ হাজার ৪৫০ জন। কিন্তু উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ এই কারাগারে হাজতি এবং কয়েদি মিলিয়ে বন্দী থাকেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার। গাদাগাদি করে কারাগারে থাকতে হয় বন্দীদের। এতে এখানে বন্দীদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমানের পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী

রাজশাহী কারাগারের আরও ১২৯ কয়েদিকে মুক্তির নির্দেশ

আপডেট সময় ০৪:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের আরও ১২৯ কয়েদিকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে সরকার। শুক্রবার দুপুরে কারা কর্তৃপক্ষ এ নির্দেশ পেয়েছে।

এর আগে গত শনি ও রবিবার দুই দফায় ৯৮ বন্দীকে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার গিয়াস উদ্দিন বলেন, তৃতীয় ধাপে ১২৯ কয়েদিকে মুক্তি দিতে দুপুরেই নির্দেশনা পেয়েছি। যাদের জরিমানা নেই তাদের সন্ধ্যায় ছেড়ে দেওয়া হবে। আর আগের ৯৮ বন্দীর অনেকেই চলে গেছেন, কেউ কেউ জরিমানা পরিশোধ না হওয়ায় আটকে আছেন।

তিনি জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগের বিস্তার রোধে কারাগারগুলোতে ভিড় কমাতে সরকার লঘু অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ রকম বন্দীদের তালিকা কিছুদিন আগে কারা অধিদফতর সারাদেশের কারাগারগুলো থেকে নিয়েছিল। তালিকা পাওয়ার পর সারাদেশ থেকেই বন্দী মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, তিন ধাপে কয়েদিদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত আছে। সে অনুযায়ী প্রথম ধাপে ৩৩, দ্বিতীয় ধাপে ৬৫ এবং তৃতীয় ধাপে ১২৯ জনকে মুক্তির নির্দেশনা তিনি পেয়েছেন। এই ২২৭ জনের বাইরে আর কাউকে মুক্তি দেওয়া হবে কি না সেটা সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাদের কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বছর, কিন্তু ছয়মাস বা তারও বেশি সাজা খেটেছেন এ রকম কয়েদিদেরই সাধারণ ক্ষমায় সাজা মওকুফ করা হয়েছে। যারা মুক্তি পাচ্ছেন তাদের এ মামলায় আর কারাগারে যাওয়া লাগবে না। সাজা একেবারেই মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে। তবে কারাদণ্ডের সঙ্গে যদি কারও অর্থদণ্ডও থাকে তাহলে তাকে জরিমানার টাকা পরিশোধ করতেই হবে। স্বজনরা জরিমানা পরিশোধ না করলে সাধারণ ক্ষমা পেয়েও বন্দীর মুক্তি মিলবে না।

উল্লেখ্য, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ধারণক্ষমতা ১ হাজার ৪৫০ জন। কিন্তু উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ এই কারাগারে হাজতি এবং কয়েদি মিলিয়ে বন্দী থাকেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার। গাদাগাদি করে কারাগারে থাকতে হয় বন্দীদের। এতে এখানে বন্দীদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি।