ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

রাজশাহী কারাগারের আরও ১২৯ কয়েদিকে মুক্তির নির্দেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের আরও ১২৯ কয়েদিকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে সরকার। শুক্রবার দুপুরে কারা কর্তৃপক্ষ এ নির্দেশ পেয়েছে।

এর আগে গত শনি ও রবিবার দুই দফায় ৯৮ বন্দীকে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার গিয়াস উদ্দিন বলেন, তৃতীয় ধাপে ১২৯ কয়েদিকে মুক্তি দিতে দুপুরেই নির্দেশনা পেয়েছি। যাদের জরিমানা নেই তাদের সন্ধ্যায় ছেড়ে দেওয়া হবে। আর আগের ৯৮ বন্দীর অনেকেই চলে গেছেন, কেউ কেউ জরিমানা পরিশোধ না হওয়ায় আটকে আছেন।

তিনি জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগের বিস্তার রোধে কারাগারগুলোতে ভিড় কমাতে সরকার লঘু অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ রকম বন্দীদের তালিকা কিছুদিন আগে কারা অধিদফতর সারাদেশের কারাগারগুলো থেকে নিয়েছিল। তালিকা পাওয়ার পর সারাদেশ থেকেই বন্দী মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, তিন ধাপে কয়েদিদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত আছে। সে অনুযায়ী প্রথম ধাপে ৩৩, দ্বিতীয় ধাপে ৬৫ এবং তৃতীয় ধাপে ১২৯ জনকে মুক্তির নির্দেশনা তিনি পেয়েছেন। এই ২২৭ জনের বাইরে আর কাউকে মুক্তি দেওয়া হবে কি না সেটা সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাদের কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বছর, কিন্তু ছয়মাস বা তারও বেশি সাজা খেটেছেন এ রকম কয়েদিদেরই সাধারণ ক্ষমায় সাজা মওকুফ করা হয়েছে। যারা মুক্তি পাচ্ছেন তাদের এ মামলায় আর কারাগারে যাওয়া লাগবে না। সাজা একেবারেই মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে। তবে কারাদণ্ডের সঙ্গে যদি কারও অর্থদণ্ডও থাকে তাহলে তাকে জরিমানার টাকা পরিশোধ করতেই হবে। স্বজনরা জরিমানা পরিশোধ না করলে সাধারণ ক্ষমা পেয়েও বন্দীর মুক্তি মিলবে না।

উল্লেখ্য, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ধারণক্ষমতা ১ হাজার ৪৫০ জন। কিন্তু উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ এই কারাগারে হাজতি এবং কয়েদি মিলিয়ে বন্দী থাকেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার। গাদাগাদি করে কারাগারে থাকতে হয় বন্দীদের। এতে এখানে বন্দীদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের ক্ষমতাসীন দলকে ‘স্যাডিস্ট ও ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র

রাজশাহী কারাগারের আরও ১২৯ কয়েদিকে মুক্তির নির্দেশ

আপডেট সময় ০৪:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের আরও ১২৯ কয়েদিকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে সরকার। শুক্রবার দুপুরে কারা কর্তৃপক্ষ এ নির্দেশ পেয়েছে।

এর আগে গত শনি ও রবিবার দুই দফায় ৯৮ বন্দীকে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার গিয়াস উদ্দিন বলেন, তৃতীয় ধাপে ১২৯ কয়েদিকে মুক্তি দিতে দুপুরেই নির্দেশনা পেয়েছি। যাদের জরিমানা নেই তাদের সন্ধ্যায় ছেড়ে দেওয়া হবে। আর আগের ৯৮ বন্দীর অনেকেই চলে গেছেন, কেউ কেউ জরিমানা পরিশোধ না হওয়ায় আটকে আছেন।

তিনি জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগের বিস্তার রোধে কারাগারগুলোতে ভিড় কমাতে সরকার লঘু অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ রকম বন্দীদের তালিকা কিছুদিন আগে কারা অধিদফতর সারাদেশের কারাগারগুলো থেকে নিয়েছিল। তালিকা পাওয়ার পর সারাদেশ থেকেই বন্দী মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, তিন ধাপে কয়েদিদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত আছে। সে অনুযায়ী প্রথম ধাপে ৩৩, দ্বিতীয় ধাপে ৬৫ এবং তৃতীয় ধাপে ১২৯ জনকে মুক্তির নির্দেশনা তিনি পেয়েছেন। এই ২২৭ জনের বাইরে আর কাউকে মুক্তি দেওয়া হবে কি না সেটা সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাদের কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বছর, কিন্তু ছয়মাস বা তারও বেশি সাজা খেটেছেন এ রকম কয়েদিদেরই সাধারণ ক্ষমায় সাজা মওকুফ করা হয়েছে। যারা মুক্তি পাচ্ছেন তাদের এ মামলায় আর কারাগারে যাওয়া লাগবে না। সাজা একেবারেই মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে। তবে কারাদণ্ডের সঙ্গে যদি কারও অর্থদণ্ডও থাকে তাহলে তাকে জরিমানার টাকা পরিশোধ করতেই হবে। স্বজনরা জরিমানা পরিশোধ না করলে সাধারণ ক্ষমা পেয়েও বন্দীর মুক্তি মিলবে না।

উল্লেখ্য, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ধারণক্ষমতা ১ হাজার ৪৫০ জন। কিন্তু উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ এই কারাগারে হাজতি এবং কয়েদি মিলিয়ে বন্দী থাকেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার। গাদাগাদি করে কারাগারে থাকতে হয় বন্দীদের। এতে এখানে বন্দীদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি।