ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

প্রণোদনার টাকা টাকা পেতেই মরিয়া গার্মেন্টস মালিকরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গার্মেন্টস মালিকরা যে প্রণোদনার টাকার লোভেই সবকিছু করছে এবং প্রণোদনার টাকা পেতেই মরিয়া হয়ে আছে, তা প্রমাণ পেতে সময় লাগলো না। সরকার যখন করোনা মোকাবেলায় ব্যতিব্যস্ত এবং সামনের দিনগুলোতে কীভাবে অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠা যাবে, বিশেষ করে হতদরিদ্র মানুষের ভরণপোষণ কীভাবে কী প্রক্রিয়ায় হবে, সে কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত, তখন বাংলাদেশের গার্মেন্টস মালিকরা তাদের প্রণোদনার টাকা কড়ায় গণ্ডায় বুঝে নেবার জন্য মরিয়া হয়ে গেছে। এর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করে দিল এ জন্যেই তারা শ্রমিকদের জিম্মি করে গার্মেন্টস খুলতে চাইছে।

ইতিমধ্যে ২ হাজার ২০০টি কারখানা প্রণোদনার টাকার জন্য আবেদন করেছে। এর মধ্যে বিজিএমইর সদস্যভুক্ত গার্মেন্টস কারখানা হলো ১ হাজার ৬১৫ টি। বিকেএমইএ ভুক্ত ৫৫০টি। বাকি ৩৫টি ইপিজেডের।

৪৬টি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা চেয়ে তারা আবেদন করেছে। গত ২ মে ছিল সেই আবেদন দেওয়ার শেষ সময়।

উল্লেখ্য যে, ইতিমধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়ও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো যে, মার্চ মাসের ২৬ তারিখ পর্যন্ত কারখানা খোলা ছিল। তাহলে মার্চের বেতনের জন্য সরকার কেন টাকা দেবে?

গার্মেন্টস মালিকরা তাদের জন্য কাজ করিয়ে নেবেন, অথচ টাকা দেবে সরকার, এটা কীভাবে হয়? এই প্রণোদনা প্যাকেজের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়া গার্মেন্টস মালিকদের মানসিকতা দেখেই বোঝা গেল যে তারা আসলে টাকার জন্য লোভাতুর ছিলেন। এই টাকাটা যেকোনো মূল্যে পাওয়ার জন্যই তারা এতকিছু করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

প্রণোদনার টাকা টাকা পেতেই মরিয়া গার্মেন্টস মালিকরা

আপডেট সময় ১১:৫৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গার্মেন্টস মালিকরা যে প্রণোদনার টাকার লোভেই সবকিছু করছে এবং প্রণোদনার টাকা পেতেই মরিয়া হয়ে আছে, তা প্রমাণ পেতে সময় লাগলো না। সরকার যখন করোনা মোকাবেলায় ব্যতিব্যস্ত এবং সামনের দিনগুলোতে কীভাবে অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠা যাবে, বিশেষ করে হতদরিদ্র মানুষের ভরণপোষণ কীভাবে কী প্রক্রিয়ায় হবে, সে কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত, তখন বাংলাদেশের গার্মেন্টস মালিকরা তাদের প্রণোদনার টাকা কড়ায় গণ্ডায় বুঝে নেবার জন্য মরিয়া হয়ে গেছে। এর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করে দিল এ জন্যেই তারা শ্রমিকদের জিম্মি করে গার্মেন্টস খুলতে চাইছে।

ইতিমধ্যে ২ হাজার ২০০টি কারখানা প্রণোদনার টাকার জন্য আবেদন করেছে। এর মধ্যে বিজিএমইর সদস্যভুক্ত গার্মেন্টস কারখানা হলো ১ হাজার ৬১৫ টি। বিকেএমইএ ভুক্ত ৫৫০টি। বাকি ৩৫টি ইপিজেডের।

৪৬টি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা চেয়ে তারা আবেদন করেছে। গত ২ মে ছিল সেই আবেদন দেওয়ার শেষ সময়।

উল্লেখ্য যে, ইতিমধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়ও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো যে, মার্চ মাসের ২৬ তারিখ পর্যন্ত কারখানা খোলা ছিল। তাহলে মার্চের বেতনের জন্য সরকার কেন টাকা দেবে?

গার্মেন্টস মালিকরা তাদের জন্য কাজ করিয়ে নেবেন, অথচ টাকা দেবে সরকার, এটা কীভাবে হয়? এই প্রণোদনা প্যাকেজের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়া গার্মেন্টস মালিকদের মানসিকতা দেখেই বোঝা গেল যে তারা আসলে টাকার জন্য লোভাতুর ছিলেন। এই টাকাটা যেকোনো মূল্যে পাওয়ার জন্যই তারা এতকিছু করেছেন।