ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস রাজনৈতিক পরিবর্তনে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে : ড্যান মজিনা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বিএনপি : সালাহউদ্দিন ‘অনিবার্য কারণে’ জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার সংবাদ সম্মেলন স্থগিত যে দল ইসরাইলের টাকায় চলে সেই দলে আমি থাকতে পারি না: রেজা কিবরিয়া নির্বাচনে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারবে না, সবাই সহযোগিতা করলে শান্তিপূর্ণভাবে হয়ে যাবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ‘সবাইকেই তো দেখলাম, এবার জামায়াতকে দেখব’,বক্তব্যের অন্তর্নিহিত গোমর ফাঁস করলেন হামিম গোপালগঞ্জে মা-বাবাকে জীবন্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা, দুই ছেলে গ্রেফতার আইসিসির রিপোর্টই ভাবতে বাধ্য করেছে, যে ভারতে ঝুঁকি আছে: আসিফ নজরুল বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু

প্রণোদনার টাকা টাকা পেতেই মরিয়া গার্মেন্টস মালিকরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গার্মেন্টস মালিকরা যে প্রণোদনার টাকার লোভেই সবকিছু করছে এবং প্রণোদনার টাকা পেতেই মরিয়া হয়ে আছে, তা প্রমাণ পেতে সময় লাগলো না। সরকার যখন করোনা মোকাবেলায় ব্যতিব্যস্ত এবং সামনের দিনগুলোতে কীভাবে অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠা যাবে, বিশেষ করে হতদরিদ্র মানুষের ভরণপোষণ কীভাবে কী প্রক্রিয়ায় হবে, সে কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত, তখন বাংলাদেশের গার্মেন্টস মালিকরা তাদের প্রণোদনার টাকা কড়ায় গণ্ডায় বুঝে নেবার জন্য মরিয়া হয়ে গেছে। এর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করে দিল এ জন্যেই তারা শ্রমিকদের জিম্মি করে গার্মেন্টস খুলতে চাইছে।

ইতিমধ্যে ২ হাজার ২০০টি কারখানা প্রণোদনার টাকার জন্য আবেদন করেছে। এর মধ্যে বিজিএমইর সদস্যভুক্ত গার্মেন্টস কারখানা হলো ১ হাজার ৬১৫ টি। বিকেএমইএ ভুক্ত ৫৫০টি। বাকি ৩৫টি ইপিজেডের।

৪৬টি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা চেয়ে তারা আবেদন করেছে। গত ২ মে ছিল সেই আবেদন দেওয়ার শেষ সময়।

উল্লেখ্য যে, ইতিমধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়ও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো যে, মার্চ মাসের ২৬ তারিখ পর্যন্ত কারখানা খোলা ছিল। তাহলে মার্চের বেতনের জন্য সরকার কেন টাকা দেবে?

গার্মেন্টস মালিকরা তাদের জন্য কাজ করিয়ে নেবেন, অথচ টাকা দেবে সরকার, এটা কীভাবে হয়? এই প্রণোদনা প্যাকেজের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়া গার্মেন্টস মালিকদের মানসিকতা দেখেই বোঝা গেল যে তারা আসলে টাকার জন্য লোভাতুর ছিলেন। এই টাকাটা যেকোনো মূল্যে পাওয়ার জন্যই তারা এতকিছু করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভয়ংকর অবস্থায় ফ্রান্সের অর্থনীতি

প্রণোদনার টাকা টাকা পেতেই মরিয়া গার্মেন্টস মালিকরা

আপডেট সময় ১১:৫৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গার্মেন্টস মালিকরা যে প্রণোদনার টাকার লোভেই সবকিছু করছে এবং প্রণোদনার টাকা পেতেই মরিয়া হয়ে আছে, তা প্রমাণ পেতে সময় লাগলো না। সরকার যখন করোনা মোকাবেলায় ব্যতিব্যস্ত এবং সামনের দিনগুলোতে কীভাবে অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠা যাবে, বিশেষ করে হতদরিদ্র মানুষের ভরণপোষণ কীভাবে কী প্রক্রিয়ায় হবে, সে কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত, তখন বাংলাদেশের গার্মেন্টস মালিকরা তাদের প্রণোদনার টাকা কড়ায় গণ্ডায় বুঝে নেবার জন্য মরিয়া হয়ে গেছে। এর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করে দিল এ জন্যেই তারা শ্রমিকদের জিম্মি করে গার্মেন্টস খুলতে চাইছে।

ইতিমধ্যে ২ হাজার ২০০টি কারখানা প্রণোদনার টাকার জন্য আবেদন করেছে। এর মধ্যে বিজিএমইর সদস্যভুক্ত গার্মেন্টস কারখানা হলো ১ হাজার ৬১৫ টি। বিকেএমইএ ভুক্ত ৫৫০টি। বাকি ৩৫টি ইপিজেডের।

৪৬টি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা চেয়ে তারা আবেদন করেছে। গত ২ মে ছিল সেই আবেদন দেওয়ার শেষ সময়।

উল্লেখ্য যে, ইতিমধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়ও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো যে, মার্চ মাসের ২৬ তারিখ পর্যন্ত কারখানা খোলা ছিল। তাহলে মার্চের বেতনের জন্য সরকার কেন টাকা দেবে?

গার্মেন্টস মালিকরা তাদের জন্য কাজ করিয়ে নেবেন, অথচ টাকা দেবে সরকার, এটা কীভাবে হয়? এই প্রণোদনা প্যাকেজের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়া গার্মেন্টস মালিকদের মানসিকতা দেখেই বোঝা গেল যে তারা আসলে টাকার জন্য লোভাতুর ছিলেন। এই টাকাটা যেকোনো মূল্যে পাওয়ার জন্যই তারা এতকিছু করেছেন।