ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

প্রণোদনার টাকা টাকা পেতেই মরিয়া গার্মেন্টস মালিকরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গার্মেন্টস মালিকরা যে প্রণোদনার টাকার লোভেই সবকিছু করছে এবং প্রণোদনার টাকা পেতেই মরিয়া হয়ে আছে, তা প্রমাণ পেতে সময় লাগলো না। সরকার যখন করোনা মোকাবেলায় ব্যতিব্যস্ত এবং সামনের দিনগুলোতে কীভাবে অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠা যাবে, বিশেষ করে হতদরিদ্র মানুষের ভরণপোষণ কীভাবে কী প্রক্রিয়ায় হবে, সে কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত, তখন বাংলাদেশের গার্মেন্টস মালিকরা তাদের প্রণোদনার টাকা কড়ায় গণ্ডায় বুঝে নেবার জন্য মরিয়া হয়ে গেছে। এর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করে দিল এ জন্যেই তারা শ্রমিকদের জিম্মি করে গার্মেন্টস খুলতে চাইছে।

ইতিমধ্যে ২ হাজার ২০০টি কারখানা প্রণোদনার টাকার জন্য আবেদন করেছে। এর মধ্যে বিজিএমইর সদস্যভুক্ত গার্মেন্টস কারখানা হলো ১ হাজার ৬১৫ টি। বিকেএমইএ ভুক্ত ৫৫০টি। বাকি ৩৫টি ইপিজেডের।

৪৬টি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা চেয়ে তারা আবেদন করেছে। গত ২ মে ছিল সেই আবেদন দেওয়ার শেষ সময়।

উল্লেখ্য যে, ইতিমধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়ও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো যে, মার্চ মাসের ২৬ তারিখ পর্যন্ত কারখানা খোলা ছিল। তাহলে মার্চের বেতনের জন্য সরকার কেন টাকা দেবে?

গার্মেন্টস মালিকরা তাদের জন্য কাজ করিয়ে নেবেন, অথচ টাকা দেবে সরকার, এটা কীভাবে হয়? এই প্রণোদনা প্যাকেজের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়া গার্মেন্টস মালিকদের মানসিকতা দেখেই বোঝা গেল যে তারা আসলে টাকার জন্য লোভাতুর ছিলেন। এই টাকাটা যেকোনো মূল্যে পাওয়ার জন্যই তারা এতকিছু করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

প্রণোদনার টাকা টাকা পেতেই মরিয়া গার্মেন্টস মালিকরা

আপডেট সময় ১১:৫৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গার্মেন্টস মালিকরা যে প্রণোদনার টাকার লোভেই সবকিছু করছে এবং প্রণোদনার টাকা পেতেই মরিয়া হয়ে আছে, তা প্রমাণ পেতে সময় লাগলো না। সরকার যখন করোনা মোকাবেলায় ব্যতিব্যস্ত এবং সামনের দিনগুলোতে কীভাবে অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠা যাবে, বিশেষ করে হতদরিদ্র মানুষের ভরণপোষণ কীভাবে কী প্রক্রিয়ায় হবে, সে কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত, তখন বাংলাদেশের গার্মেন্টস মালিকরা তাদের প্রণোদনার টাকা কড়ায় গণ্ডায় বুঝে নেবার জন্য মরিয়া হয়ে গেছে। এর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করে দিল এ জন্যেই তারা শ্রমিকদের জিম্মি করে গার্মেন্টস খুলতে চাইছে।

ইতিমধ্যে ২ হাজার ২০০টি কারখানা প্রণোদনার টাকার জন্য আবেদন করেছে। এর মধ্যে বিজিএমইর সদস্যভুক্ত গার্মেন্টস কারখানা হলো ১ হাজার ৬১৫ টি। বিকেএমইএ ভুক্ত ৫৫০টি। বাকি ৩৫টি ইপিজেডের।

৪৬টি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা চেয়ে তারা আবেদন করেছে। গত ২ মে ছিল সেই আবেদন দেওয়ার শেষ সময়।

উল্লেখ্য যে, ইতিমধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়ও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো যে, মার্চ মাসের ২৬ তারিখ পর্যন্ত কারখানা খোলা ছিল। তাহলে মার্চের বেতনের জন্য সরকার কেন টাকা দেবে?

গার্মেন্টস মালিকরা তাদের জন্য কাজ করিয়ে নেবেন, অথচ টাকা দেবে সরকার, এটা কীভাবে হয়? এই প্রণোদনা প্যাকেজের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়া গার্মেন্টস মালিকদের মানসিকতা দেখেই বোঝা গেল যে তারা আসলে টাকার জন্য লোভাতুর ছিলেন। এই টাকাটা যেকোনো মূল্যে পাওয়ার জন্যই তারা এতকিছু করেছেন।