ঢাকা ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নিজস্ব পন্য হিসেবে সারা বিশ্বে স্বীকৃতি পেল ইলিশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইলিশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন) সনদ পেল মৎস্য অধিদপ্তর। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ইলিশের এই সনদ তুলে দিয়েছেন মৎস্য অধিদপ্তরের কাছে। মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষে এর মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ এই সনদ নেন।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সনদ তুলে দেওয়া হয়। জামদানির পর ইলিশ মাছ ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়। পেটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

জিআই পণ্য হওয়ায় ইলিশ বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে সারা বিশ্বে স্বীকৃতি পেল। পেটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে ইলিশ নিবন্ধনের সব প্রক্রিয়া শেষ করে। পেটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তরের রেজিস্ট্রার সানোয়ার হোসেন বলেন, মৎস্য অধিদপ্তর আমাদের কাছে রুপালি ইলিশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করে। ওই আবেদনের পর তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরিপ্রেক্ষিতে এ বছরের ১ জুন গেজেট প্রকাশ করা হয়। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশিত হওয়ার দুই মাসের মধ্যে দেশে বা বিদেশ থেকে এ বিষয়ে আপত্তি জানাতে হয়। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে কোনো আপত্তি জানায়নি। সে অনুসারে এ পণ্য এখন বাংলাদেশের স্বত্ব।

ওয়ার্ল্ড ফিশের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বিশ্বের মোট ইলিশের ৬৫ শতাংশ উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে। ভারতে ১৫ শতাংশ, মিয়ানমারে ১০ শতাংশ, আরব সাগর তীরবর্তী দেশগুলো এবং প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগর তীরবর্তী দেশগুলোতে বাকি ইলিশ ধরা পড়ে।

ইলিশ আছে, বিশ্বের এমন ১১টি দেশের মধ্যে ১০টিতেই ইলিশের উৎপাদন কমছে। একমাত্র বাংলাদেশেই ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব পন্য হিসেবে সারা বিশ্বে স্বীকৃতি পেল ইলিশ

আপডেট সময় ০১:১৯:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইলিশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন) সনদ পেল মৎস্য অধিদপ্তর। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ইলিশের এই সনদ তুলে দিয়েছেন মৎস্য অধিদপ্তরের কাছে। মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষে এর মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ এই সনদ নেন।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সনদ তুলে দেওয়া হয়। জামদানির পর ইলিশ মাছ ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়। পেটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

জিআই পণ্য হওয়ায় ইলিশ বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে সারা বিশ্বে স্বীকৃতি পেল। পেটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে ইলিশ নিবন্ধনের সব প্রক্রিয়া শেষ করে। পেটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তরের রেজিস্ট্রার সানোয়ার হোসেন বলেন, মৎস্য অধিদপ্তর আমাদের কাছে রুপালি ইলিশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করে। ওই আবেদনের পর তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরিপ্রেক্ষিতে এ বছরের ১ জুন গেজেট প্রকাশ করা হয়। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশিত হওয়ার দুই মাসের মধ্যে দেশে বা বিদেশ থেকে এ বিষয়ে আপত্তি জানাতে হয়। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে কোনো আপত্তি জানায়নি। সে অনুসারে এ পণ্য এখন বাংলাদেশের স্বত্ব।

ওয়ার্ল্ড ফিশের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বিশ্বের মোট ইলিশের ৬৫ শতাংশ উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে। ভারতে ১৫ শতাংশ, মিয়ানমারে ১০ শতাংশ, আরব সাগর তীরবর্তী দেশগুলো এবং প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগর তীরবর্তী দেশগুলোতে বাকি ইলিশ ধরা পড়ে।

ইলিশ আছে, বিশ্বের এমন ১১টি দেশের মধ্যে ১০টিতেই ইলিশের উৎপাদন কমছে। একমাত্র বাংলাদেশেই ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে।