ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

ইভ্যালির সৌজন্যে এক হাজার পরিবারে ‘এসো সবাই’র ইফতার সামগ্রী

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

ই-কমার্সভিত্তিক মার্কেটপ্লেস ইভ্যালির সৌজন্য এক হাজার পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী ও খাদ্যপণ্য বিতরণ করছে ‘এসো সবাই’ নামের একটি সংগঠন। প্রতি পরিবারে গড়ে চার জন সদস্যের হিসেবে প্রায় চার হাজার জন পাচ্ছেন এসব খাদ্য সামগ্রী ও ইফতার পণ্য।

করোনা পরিস্থিতিতে অসহায় ও কর্মহীন হয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সাহায্যের উদ্দেশ্য নিয়ে যাত্রা আরম্ভ করে ‘এসো সবাই’। এ উদ্যোগে সাড়া দিয়ে দ্রুতই এগিয়ে আসেন অনেকে। এরমধ্যে অন্যতম পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আছে ইকমার্স সাইট ইভ্যালি ডটকম ডটবিডি।

রাজধানী ঢাকাসহ গাইবান্ধা, কিশোরগঞ্জ, নড়াইল ও রংপুর জেলায় এরইমধ্যে কর্মহীন ও অসহায় পরিবারের মাঝে এসব পণ্য বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আমাল ফাউন্ডেশন, নড়াইল এক্সপ্রেস, অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন, বিদ্যানন্দ, মিশন সেভ বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে বিতরণ কার্যক্রম নিশ্চিত করা হচ্ছে।

কার্যক্রম সম্পর্কে ‘এসো সবাই’র অন্যতম সহ-উদ্যোক্তা এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস)পরিচালক দিদারুল আলম সানি বলেন, ‘এসো সবাই’র মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতিতে যারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, কাজ হারিয়ে কর্মহীন হয়েছেন তাদের জন্য আমরা প্রযুক্তির মাধ্যমে অনুদান সংগ্রহ করে বিতরণ করতে পারছি। আবার সামাজিক দূরত্বও নিশ্চিত থাকছে। আবার অনুদান ডিজিটাল মাধ্যমে গ্রহণ করার ফলে আমাদের কার্যক্রমের স্বচ্ছতাও থাকছে।

ইভ্যালি ছাড়াও প্রায় ৮১ জন ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক দাতার কাছ থেকে ইতিমধ্যে ১৭ লক্ষাধিক টাকা অনুদান জমা হয়েছে বলেও জানান দিদারুল আলম সানি।

অন্যদিকে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল বলেন, সংকটের এই সময়ে আমরা আমাদের সীমিত সামর্থ্য থেকে যতটুকু সম্ভব সবার সাহায্যে এগিয়ে আসতে চাই। একইসঙ্গে অন্যদেরও অনুরোধ করব তারাও যেন এগিয়ে আসেন। একটি ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরেকটি ডিজিটাল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পাশে থাকতে পেরে আমরা আনন্দিত। সংকট উত্তরণে আমাদের সবাইকে কাজ করে যেতে হবে। এই রমজানে আমাদের সবার উচিত নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী অন্যের পাশে দাঁড়ানো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

ইভ্যালির সৌজন্যে এক হাজার পরিবারে ‘এসো সবাই’র ইফতার সামগ্রী

আপডেট সময় ০৮:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

ই-কমার্সভিত্তিক মার্কেটপ্লেস ইভ্যালির সৌজন্য এক হাজার পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী ও খাদ্যপণ্য বিতরণ করছে ‘এসো সবাই’ নামের একটি সংগঠন। প্রতি পরিবারে গড়ে চার জন সদস্যের হিসেবে প্রায় চার হাজার জন পাচ্ছেন এসব খাদ্য সামগ্রী ও ইফতার পণ্য।

করোনা পরিস্থিতিতে অসহায় ও কর্মহীন হয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সাহায্যের উদ্দেশ্য নিয়ে যাত্রা আরম্ভ করে ‘এসো সবাই’। এ উদ্যোগে সাড়া দিয়ে দ্রুতই এগিয়ে আসেন অনেকে। এরমধ্যে অন্যতম পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আছে ইকমার্স সাইট ইভ্যালি ডটকম ডটবিডি।

রাজধানী ঢাকাসহ গাইবান্ধা, কিশোরগঞ্জ, নড়াইল ও রংপুর জেলায় এরইমধ্যে কর্মহীন ও অসহায় পরিবারের মাঝে এসব পণ্য বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আমাল ফাউন্ডেশন, নড়াইল এক্সপ্রেস, অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন, বিদ্যানন্দ, মিশন সেভ বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে বিতরণ কার্যক্রম নিশ্চিত করা হচ্ছে।

কার্যক্রম সম্পর্কে ‘এসো সবাই’র অন্যতম সহ-উদ্যোক্তা এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস)পরিচালক দিদারুল আলম সানি বলেন, ‘এসো সবাই’র মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতিতে যারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, কাজ হারিয়ে কর্মহীন হয়েছেন তাদের জন্য আমরা প্রযুক্তির মাধ্যমে অনুদান সংগ্রহ করে বিতরণ করতে পারছি। আবার সামাজিক দূরত্বও নিশ্চিত থাকছে। আবার অনুদান ডিজিটাল মাধ্যমে গ্রহণ করার ফলে আমাদের কার্যক্রমের স্বচ্ছতাও থাকছে।

ইভ্যালি ছাড়াও প্রায় ৮১ জন ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক দাতার কাছ থেকে ইতিমধ্যে ১৭ লক্ষাধিক টাকা অনুদান জমা হয়েছে বলেও জানান দিদারুল আলম সানি।

অন্যদিকে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল বলেন, সংকটের এই সময়ে আমরা আমাদের সীমিত সামর্থ্য থেকে যতটুকু সম্ভব সবার সাহায্যে এগিয়ে আসতে চাই। একইসঙ্গে অন্যদেরও অনুরোধ করব তারাও যেন এগিয়ে আসেন। একটি ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরেকটি ডিজিটাল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পাশে থাকতে পেরে আমরা আনন্দিত। সংকট উত্তরণে আমাদের সবাইকে কাজ করে যেতে হবে। এই রমজানে আমাদের সবার উচিত নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী অন্যের পাশে দাঁড়ানো।