ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দেশের জন্য প্রয়োজন হলে প্রাণ দিব, কিন্তু পিছপা হবো না: প্রধান বিচারপতি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দরকার হলে দেশের জন্য প্রয়োজন হলে প্রাণ দিব, কিন্তু পিছপা হবো না। মঙ্গলবার রাতে তাঁর এক শুভানূধ্যায়ির নিকট এভাবেই নিজের বর্তমান অবস্থা ব্যখ্যা করলেন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা।

ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে দেয়া রায় নিয়ে সরকারের সাথে চলমান বিবাদের জের ধরে সরকারি চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, “আমার বয়স হয়ে গেছে, আর ক’দিনই বা বাঁচব। রাষ্ট্রের বিচার বিভাগের অভিবাবক হিসাবে মৃত্যুর আগে দেশের হানাহানি ও সংকটের একটা অবসান ঘটাতে চাই। ”

জাতীয় সংকট দূর করে নিজেকে ইতিহাসে স্থান করে নিতে চান বিচারপতি সিনহা। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখতে তিনি সার্বোচ্চ চেষ্টা করবেন, যাতে করে বিচার বিভাগ চিরদিন তাকে মনে রাখে। ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে চলমান সংকটে প্রধান বিচারপতির ভূমিকা বাংলাদেশের জনগনের সর্বোচ্চ সমর্থন লাভ করেছে বলে দেশী বিদেশী পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনী, কূটনীতিক, প্রশাসন, ব্যবসায়ী সমাজ এবং প্রভাবশালী দেশ সমূহ বিচারপাতি সিনহার ঐতিহাসিক ভূমিকাকে সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

দেশের জন্য প্রয়োজন হলে প্রাণ দিব, কিন্তু পিছপা হবো না: প্রধান বিচারপতি

আপডেট সময় ১০:৩৩:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দরকার হলে দেশের জন্য প্রয়োজন হলে প্রাণ দিব, কিন্তু পিছপা হবো না। মঙ্গলবার রাতে তাঁর এক শুভানূধ্যায়ির নিকট এভাবেই নিজের বর্তমান অবস্থা ব্যখ্যা করলেন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা।

ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে দেয়া রায় নিয়ে সরকারের সাথে চলমান বিবাদের জের ধরে সরকারি চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, “আমার বয়স হয়ে গেছে, আর ক’দিনই বা বাঁচব। রাষ্ট্রের বিচার বিভাগের অভিবাবক হিসাবে মৃত্যুর আগে দেশের হানাহানি ও সংকটের একটা অবসান ঘটাতে চাই। ”

জাতীয় সংকট দূর করে নিজেকে ইতিহাসে স্থান করে নিতে চান বিচারপতি সিনহা। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখতে তিনি সার্বোচ্চ চেষ্টা করবেন, যাতে করে বিচার বিভাগ চিরদিন তাকে মনে রাখে। ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে চলমান সংকটে প্রধান বিচারপতির ভূমিকা বাংলাদেশের জনগনের সর্বোচ্চ সমর্থন লাভ করেছে বলে দেশী বিদেশী পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনী, কূটনীতিক, প্রশাসন, ব্যবসায়ী সমাজ এবং প্রভাবশালী দেশ সমূহ বিচারপাতি সিনহার ঐতিহাসিক ভূমিকাকে সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছেন।