ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

করোনা চিকিৎসায় মেয়র আরিফের ২ গাড়ি ও ৫ অ্যাম্বুলেন্স দান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা ভাইরাস সংক্রমণে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় চিকিৎসকদের পরিবহনের জন্য দু’টি গাড়ি দিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এছাড়া রোগীদের পরিবহনে পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স দিচ্ছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সিলেটের শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সুশান্ত কুমার মহাপাত্রের কাছে গাড়ি দু’টি হস্তান্তর করেন তিনি।

এর আগে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় চিকিৎসকদের পরিবহনে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর আহ্বানে একটি মাইক্রোবাস ও একটি নোহা গাড়ি দেয় জালালাবাদ এসোসিয়েশন। গাড়ি দু’টির ভাড়াও এসোসিয়েশন বহন করবে।

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসা দিতে চিকিৎসকদের পরিহনের জন্য জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে আহ্বান জানিয়েছিলাম। তারা আমার আহ্বানে সাড়া দিয়ে একটি মাইক্রোবাস ও নোহা গাড়ি দিয়েছেন। এ দু’টি গাড়িতে করে চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানদের বহন করা হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ঐচ্ছিক হিসেবে এই সহযোগিতা করেছি। এছাড়া রোগীদের বহণে ৫টি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা করেছি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) অ্যাম্বুলেন্সগুলোও হস্তান্তর করা হবে। পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে আরও সহায়তা দেওয়া হবে।

গাড়ি উপহার দেওয়াতে নগরবাসীর পক্ষ থেকে জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানান মেয়র আরিফ।

করোনা ভাইরাস সংক্রমন থেকে রক্ষায় নগরবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা যদি বাঁচতে না পারি, তাহলে কিসের প্রয়োজন। আসুন, আগামী ক’দিন আমরা কঠোরভাবে সরকার ঘোষিত নিয়ম পালন করি। ঘরে থাকি, নিজেদেরকে এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ রাখি। যেখানে রমজান মাসেও ঘরে নামাজ আদায় করতে বলা হচ্ছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আমাদেরকে ধৈর্য ধরতে হবে। আমাদেরকে আইন মেনে চলতে হবে। এই আইন আপনি নিজে বাঁচার জন্য, পরিবার-পরিজনদের বাঁচানোর জন্য। আপনি ঘর থেকে বের হয়ে গিয়ে পুরো পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

করোনা চিকিৎসায় মেয়র আরিফের ২ গাড়ি ও ৫ অ্যাম্বুলেন্স দান

আপডেট সময় ০৮:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা ভাইরাস সংক্রমণে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় চিকিৎসকদের পরিবহনের জন্য দু’টি গাড়ি দিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এছাড়া রোগীদের পরিবহনে পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স দিচ্ছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সিলেটের শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সুশান্ত কুমার মহাপাত্রের কাছে গাড়ি দু’টি হস্তান্তর করেন তিনি।

এর আগে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় চিকিৎসকদের পরিবহনে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর আহ্বানে একটি মাইক্রোবাস ও একটি নোহা গাড়ি দেয় জালালাবাদ এসোসিয়েশন। গাড়ি দু’টির ভাড়াও এসোসিয়েশন বহন করবে।

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসা দিতে চিকিৎসকদের পরিহনের জন্য জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে আহ্বান জানিয়েছিলাম। তারা আমার আহ্বানে সাড়া দিয়ে একটি মাইক্রোবাস ও নোহা গাড়ি দিয়েছেন। এ দু’টি গাড়িতে করে চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানদের বহন করা হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ঐচ্ছিক হিসেবে এই সহযোগিতা করেছি। এছাড়া রোগীদের বহণে ৫টি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা করেছি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) অ্যাম্বুলেন্সগুলোও হস্তান্তর করা হবে। পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে আরও সহায়তা দেওয়া হবে।

গাড়ি উপহার দেওয়াতে নগরবাসীর পক্ষ থেকে জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানান মেয়র আরিফ।

করোনা ভাইরাস সংক্রমন থেকে রক্ষায় নগরবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা যদি বাঁচতে না পারি, তাহলে কিসের প্রয়োজন। আসুন, আগামী ক’দিন আমরা কঠোরভাবে সরকার ঘোষিত নিয়ম পালন করি। ঘরে থাকি, নিজেদেরকে এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ রাখি। যেখানে রমজান মাসেও ঘরে নামাজ আদায় করতে বলা হচ্ছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আমাদেরকে ধৈর্য ধরতে হবে। আমাদেরকে আইন মেনে চলতে হবে। এই আইন আপনি নিজে বাঁচার জন্য, পরিবার-পরিজনদের বাঁচানোর জন্য। আপনি ঘর থেকে বের হয়ে গিয়ে পুরো পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন।