ঢাকা ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

করোনা চিকিৎসায় মেয়র আরিফের ২ গাড়ি ও ৫ অ্যাম্বুলেন্স দান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা ভাইরাস সংক্রমণে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় চিকিৎসকদের পরিবহনের জন্য দু’টি গাড়ি দিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এছাড়া রোগীদের পরিবহনে পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স দিচ্ছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সিলেটের শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সুশান্ত কুমার মহাপাত্রের কাছে গাড়ি দু’টি হস্তান্তর করেন তিনি।

এর আগে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় চিকিৎসকদের পরিবহনে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর আহ্বানে একটি মাইক্রোবাস ও একটি নোহা গাড়ি দেয় জালালাবাদ এসোসিয়েশন। গাড়ি দু’টির ভাড়াও এসোসিয়েশন বহন করবে।

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসা দিতে চিকিৎসকদের পরিহনের জন্য জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে আহ্বান জানিয়েছিলাম। তারা আমার আহ্বানে সাড়া দিয়ে একটি মাইক্রোবাস ও নোহা গাড়ি দিয়েছেন। এ দু’টি গাড়িতে করে চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানদের বহন করা হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ঐচ্ছিক হিসেবে এই সহযোগিতা করেছি। এছাড়া রোগীদের বহণে ৫টি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা করেছি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) অ্যাম্বুলেন্সগুলোও হস্তান্তর করা হবে। পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে আরও সহায়তা দেওয়া হবে।

গাড়ি উপহার দেওয়াতে নগরবাসীর পক্ষ থেকে জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানান মেয়র আরিফ।

করোনা ভাইরাস সংক্রমন থেকে রক্ষায় নগরবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা যদি বাঁচতে না পারি, তাহলে কিসের প্রয়োজন। আসুন, আগামী ক’দিন আমরা কঠোরভাবে সরকার ঘোষিত নিয়ম পালন করি। ঘরে থাকি, নিজেদেরকে এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ রাখি। যেখানে রমজান মাসেও ঘরে নামাজ আদায় করতে বলা হচ্ছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আমাদেরকে ধৈর্য ধরতে হবে। আমাদেরকে আইন মেনে চলতে হবে। এই আইন আপনি নিজে বাঁচার জন্য, পরিবার-পরিজনদের বাঁচানোর জন্য। আপনি ঘর থেকে বের হয়ে গিয়ে পুরো পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরিত্রিয়া সীমান্তে ইথিওপীয় সেনার অগ্রগতি, বাড়ছে নতুন যুদ্ধের শঙ্কা

করোনা চিকিৎসায় মেয়র আরিফের ২ গাড়ি ও ৫ অ্যাম্বুলেন্স দান

আপডেট সময় ০৮:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা ভাইরাস সংক্রমণে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় চিকিৎসকদের পরিবহনের জন্য দু’টি গাড়ি দিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এছাড়া রোগীদের পরিবহনে পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স দিচ্ছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সিলেটের শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সুশান্ত কুমার মহাপাত্রের কাছে গাড়ি দু’টি হস্তান্তর করেন তিনি।

এর আগে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় চিকিৎসকদের পরিবহনে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর আহ্বানে একটি মাইক্রোবাস ও একটি নোহা গাড়ি দেয় জালালাবাদ এসোসিয়েশন। গাড়ি দু’টির ভাড়াও এসোসিয়েশন বহন করবে।

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসা দিতে চিকিৎসকদের পরিহনের জন্য জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে আহ্বান জানিয়েছিলাম। তারা আমার আহ্বানে সাড়া দিয়ে একটি মাইক্রোবাস ও নোহা গাড়ি দিয়েছেন। এ দু’টি গাড়িতে করে চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানদের বহন করা হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ঐচ্ছিক হিসেবে এই সহযোগিতা করেছি। এছাড়া রোগীদের বহণে ৫টি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা করেছি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) অ্যাম্বুলেন্সগুলোও হস্তান্তর করা হবে। পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে আরও সহায়তা দেওয়া হবে।

গাড়ি উপহার দেওয়াতে নগরবাসীর পক্ষ থেকে জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানান মেয়র আরিফ।

করোনা ভাইরাস সংক্রমন থেকে রক্ষায় নগরবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা যদি বাঁচতে না পারি, তাহলে কিসের প্রয়োজন। আসুন, আগামী ক’দিন আমরা কঠোরভাবে সরকার ঘোষিত নিয়ম পালন করি। ঘরে থাকি, নিজেদেরকে এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ রাখি। যেখানে রমজান মাসেও ঘরে নামাজ আদায় করতে বলা হচ্ছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আমাদেরকে ধৈর্য ধরতে হবে। আমাদেরকে আইন মেনে চলতে হবে। এই আইন আপনি নিজে বাঁচার জন্য, পরিবার-পরিজনদের বাঁচানোর জন্য। আপনি ঘর থেকে বের হয়ে গিয়ে পুরো পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন।