ঢাকা ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চীনের করিডর প্রস্তাব সরকার ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে: উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির খন্দকার লুৎফরকে বহিষ্কার, জাগপার নতুন সভাপতি জাকির হোসেন রিয়াজ বর্তমান সরকারও ফ্যাসিবাদের পথে: জিএম কাদের মুখে বালিশ চেপে ধরে কিশোরীকে অচেতন, ধর্ষণের পর ফেলে যায় চৌবাচ্চায় এনসিপির মাসব্যাপী ‘জুলাই পদযাত্রা’ ৬ জুলাই শুরু অহংকার যে একটি দেশ ও দলকে ধ্বংস করতে পারে তার প্রমাণ শেখ হাসিনা গুলিস্তানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে জামায়াত নেতা আহত ‘আমাকে দেখে কি বেকুব মনে হয়’, পিডিকে প্রশ্ন মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সেই ভুল আর করা চলবে না: শামা ওবায়েদ চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশে গণতন্ত্র ফিরেছে: গণপূর্ত মন্ত্রী

করোনা চিকিৎসায় মেয়র আরিফের ২ গাড়ি ও ৫ অ্যাম্বুলেন্স দান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা ভাইরাস সংক্রমণে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় চিকিৎসকদের পরিবহনের জন্য দু’টি গাড়ি দিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এছাড়া রোগীদের পরিবহনে পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স দিচ্ছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সিলেটের শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সুশান্ত কুমার মহাপাত্রের কাছে গাড়ি দু’টি হস্তান্তর করেন তিনি।

এর আগে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় চিকিৎসকদের পরিবহনে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর আহ্বানে একটি মাইক্রোবাস ও একটি নোহা গাড়ি দেয় জালালাবাদ এসোসিয়েশন। গাড়ি দু’টির ভাড়াও এসোসিয়েশন বহন করবে।

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসা দিতে চিকিৎসকদের পরিহনের জন্য জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে আহ্বান জানিয়েছিলাম। তারা আমার আহ্বানে সাড়া দিয়ে একটি মাইক্রোবাস ও নোহা গাড়ি দিয়েছেন। এ দু’টি গাড়িতে করে চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানদের বহন করা হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ঐচ্ছিক হিসেবে এই সহযোগিতা করেছি। এছাড়া রোগীদের বহণে ৫টি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা করেছি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) অ্যাম্বুলেন্সগুলোও হস্তান্তর করা হবে। পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে আরও সহায়তা দেওয়া হবে।

গাড়ি উপহার দেওয়াতে নগরবাসীর পক্ষ থেকে জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানান মেয়র আরিফ।

করোনা ভাইরাস সংক্রমন থেকে রক্ষায় নগরবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা যদি বাঁচতে না পারি, তাহলে কিসের প্রয়োজন। আসুন, আগামী ক’দিন আমরা কঠোরভাবে সরকার ঘোষিত নিয়ম পালন করি। ঘরে থাকি, নিজেদেরকে এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ রাখি। যেখানে রমজান মাসেও ঘরে নামাজ আদায় করতে বলা হচ্ছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আমাদেরকে ধৈর্য ধরতে হবে। আমাদেরকে আইন মেনে চলতে হবে। এই আইন আপনি নিজে বাঁচার জন্য, পরিবার-পরিজনদের বাঁচানোর জন্য। আপনি ঘর থেকে বের হয়ে গিয়ে পুরো পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চীনের করিডর প্রস্তাব সরকার ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে: উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

করোনা চিকিৎসায় মেয়র আরিফের ২ গাড়ি ও ৫ অ্যাম্বুলেন্স দান

আপডেট সময় ০৮:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা ভাইরাস সংক্রমণে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় চিকিৎসকদের পরিবহনের জন্য দু’টি গাড়ি দিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এছাড়া রোগীদের পরিবহনে পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স দিচ্ছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সিলেটের শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সুশান্ত কুমার মহাপাত্রের কাছে গাড়ি দু’টি হস্তান্তর করেন তিনি।

এর আগে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় চিকিৎসকদের পরিবহনে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর আহ্বানে একটি মাইক্রোবাস ও একটি নোহা গাড়ি দেয় জালালাবাদ এসোসিয়েশন। গাড়ি দু’টির ভাড়াও এসোসিয়েশন বহন করবে।

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসা দিতে চিকিৎসকদের পরিহনের জন্য জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে আহ্বান জানিয়েছিলাম। তারা আমার আহ্বানে সাড়া দিয়ে একটি মাইক্রোবাস ও নোহা গাড়ি দিয়েছেন। এ দু’টি গাড়িতে করে চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানদের বহন করা হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ঐচ্ছিক হিসেবে এই সহযোগিতা করেছি। এছাড়া রোগীদের বহণে ৫টি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা করেছি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) অ্যাম্বুলেন্সগুলোও হস্তান্তর করা হবে। পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে আরও সহায়তা দেওয়া হবে।

গাড়ি উপহার দেওয়াতে নগরবাসীর পক্ষ থেকে জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানান মেয়র আরিফ।

করোনা ভাইরাস সংক্রমন থেকে রক্ষায় নগরবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা যদি বাঁচতে না পারি, তাহলে কিসের প্রয়োজন। আসুন, আগামী ক’দিন আমরা কঠোরভাবে সরকার ঘোষিত নিয়ম পালন করি। ঘরে থাকি, নিজেদেরকে এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ রাখি। যেখানে রমজান মাসেও ঘরে নামাজ আদায় করতে বলা হচ্ছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আমাদেরকে ধৈর্য ধরতে হবে। আমাদেরকে আইন মেনে চলতে হবে। এই আইন আপনি নিজে বাঁচার জন্য, পরিবার-পরিজনদের বাঁচানোর জন্য। আপনি ঘর থেকে বের হয়ে গিয়ে পুরো পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন।