ঢাকা ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

করোনা চিকিৎসায় মেয়র আরিফের ২ গাড়ি ও ৫ অ্যাম্বুলেন্স দান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা ভাইরাস সংক্রমণে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় চিকিৎসকদের পরিবহনের জন্য দু’টি গাড়ি দিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এছাড়া রোগীদের পরিবহনে পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স দিচ্ছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সিলেটের শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সুশান্ত কুমার মহাপাত্রের কাছে গাড়ি দু’টি হস্তান্তর করেন তিনি।

এর আগে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় চিকিৎসকদের পরিবহনে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর আহ্বানে একটি মাইক্রোবাস ও একটি নোহা গাড়ি দেয় জালালাবাদ এসোসিয়েশন। গাড়ি দু’টির ভাড়াও এসোসিয়েশন বহন করবে।

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসা দিতে চিকিৎসকদের পরিহনের জন্য জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে আহ্বান জানিয়েছিলাম। তারা আমার আহ্বানে সাড়া দিয়ে একটি মাইক্রোবাস ও নোহা গাড়ি দিয়েছেন। এ দু’টি গাড়িতে করে চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানদের বহন করা হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ঐচ্ছিক হিসেবে এই সহযোগিতা করেছি। এছাড়া রোগীদের বহণে ৫টি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা করেছি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) অ্যাম্বুলেন্সগুলোও হস্তান্তর করা হবে। পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে আরও সহায়তা দেওয়া হবে।

গাড়ি উপহার দেওয়াতে নগরবাসীর পক্ষ থেকে জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানান মেয়র আরিফ।

করোনা ভাইরাস সংক্রমন থেকে রক্ষায় নগরবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা যদি বাঁচতে না পারি, তাহলে কিসের প্রয়োজন। আসুন, আগামী ক’দিন আমরা কঠোরভাবে সরকার ঘোষিত নিয়ম পালন করি। ঘরে থাকি, নিজেদেরকে এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ রাখি। যেখানে রমজান মাসেও ঘরে নামাজ আদায় করতে বলা হচ্ছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আমাদেরকে ধৈর্য ধরতে হবে। আমাদেরকে আইন মেনে চলতে হবে। এই আইন আপনি নিজে বাঁচার জন্য, পরিবার-পরিজনদের বাঁচানোর জন্য। আপনি ঘর থেকে বের হয়ে গিয়ে পুরো পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

করোনা চিকিৎসায় মেয়র আরিফের ২ গাড়ি ও ৫ অ্যাম্বুলেন্স দান

আপডেট সময় ০৮:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা ভাইরাস সংক্রমণে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় চিকিৎসকদের পরিবহনের জন্য দু’টি গাড়ি দিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এছাড়া রোগীদের পরিবহনে পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স দিচ্ছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে সিলেটের শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সুশান্ত কুমার মহাপাত্রের কাছে গাড়ি দু’টি হস্তান্তর করেন তিনি।

এর আগে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় চিকিৎসকদের পরিবহনে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর আহ্বানে একটি মাইক্রোবাস ও একটি নোহা গাড়ি দেয় জালালাবাদ এসোসিয়েশন। গাড়ি দু’টির ভাড়াও এসোসিয়েশন বহন করবে।

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসা দিতে চিকিৎসকদের পরিহনের জন্য জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে আহ্বান জানিয়েছিলাম। তারা আমার আহ্বানে সাড়া দিয়ে একটি মাইক্রোবাস ও নোহা গাড়ি দিয়েছেন। এ দু’টি গাড়িতে করে চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানদের বহন করা হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ঐচ্ছিক হিসেবে এই সহযোগিতা করেছি। এছাড়া রোগীদের বহণে ৫টি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা করেছি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) অ্যাম্বুলেন্সগুলোও হস্তান্তর করা হবে। পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে আরও সহায়তা দেওয়া হবে।

গাড়ি উপহার দেওয়াতে নগরবাসীর পক্ষ থেকে জালালাবাদ এসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানান মেয়র আরিফ।

করোনা ভাইরাস সংক্রমন থেকে রক্ষায় নগরবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা যদি বাঁচতে না পারি, তাহলে কিসের প্রয়োজন। আসুন, আগামী ক’দিন আমরা কঠোরভাবে সরকার ঘোষিত নিয়ম পালন করি। ঘরে থাকি, নিজেদেরকে এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ রাখি। যেখানে রমজান মাসেও ঘরে নামাজ আদায় করতে বলা হচ্ছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আমাদেরকে ধৈর্য ধরতে হবে। আমাদেরকে আইন মেনে চলতে হবে। এই আইন আপনি নিজে বাঁচার জন্য, পরিবার-পরিজনদের বাঁচানোর জন্য। আপনি ঘর থেকে বের হয়ে গিয়ে পুরো পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন।