ঢাকা ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

নির্বাচনের অজুহাতে শেয়ারবাজার অস্থিতিশীল করলে ছাড় নেই

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের জাতীয় নির্বাচনের অজুহাতে শেয়ারবাজার অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করা হলে ছাড় নেই। বিষয়টি কড়া নজরদারি করছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

এক্ষেত্রে আইন লঙ্ঘন করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ারবাজারের রিপোর্টারদের এক কর্মশালায় সোমবার বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন এসব কথা বলেন।

বিএসইসি এবং শেয়ারবাজারের রিপোর্টারদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম (সিএমজেএফ) যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।

বিএসইসির অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির কমিশনার ড. স্বপন কুমার বালা, হেলাল উদ্দিন নিজামী, খোন্দকার কামালুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ ও পরিচালক রেজাউল করিম। সিএমজেএফের সভাপতি হাসান ইমাম রুবেল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

ড. খায়রুল হোসেন বলেন, বিভিন্ন সময়ে নানা অজুহাতে বাজারে দরপতন হয়। নির্বাচনকে সামনে রেখে শেয়ারবাজার অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা আছে। তবে আমরা বলতে পারি, এ ব্যাপারে বিএসইসি সজাগ আছে। কারা কী করছে, তা সার্ভিলেন্সের মাধ্যমে সব সময়ই নজরদারি করা হয়।

ফলে কোনো মহল থেকে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। খায়রুল হোসেন বলেন, আইপিওতে (প্রাথমিক শেয়ার) কোম্পানিগুলো সঠিক দাম পায় না বলে দীর্ঘদিন ধরে উদ্যোক্তাদের অভিযোগ ছিল। এরপর বুক বিল্ডিং পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এক্ষেত্রে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির তথ্য বিচার-বিশ্লেষণ করে দর নির্ধারণ করে।

কিন্তু এর মধ্যেও কোম্পানি ও যোগ্য বিনিয়োগকারীরা যোগসাজশ করতে শুরু করে, যা প্রতিরোধে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশের পরিবর্তে সর্বোচ্চ ২ শতাংশ শেয়ারে দর প্রস্তাব করার সংশোধনী করা হয়েছে। এরপরও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা যোগসাজশের মাধ্যমে শেয়ারের দাম বাড়ালে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেখানে অসহায়। কারণ যারা অতিরিক্ত মূল্য কোট করছে, তাদেরকে শেয়ার না দিলে বাজারে শৃঙ্খলা নষ্ট নয়। ফলে এখানে আমাদের রয়েছে।

বিএসইসির চেয়ারম্যান আরও বলেন, উদ্যোক্তারা শেয়ারবাজারে আসতে চাইছে না। এর অন্যতম কারণ ব্যাংকে কম্পায়েন্স নেই। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে যথাসময়ে ফেরত দিতে হবে, এই বিষয়টি নিশ্চিত হলে শেয়ারবাজারের প্রতি উদ্যোক্তাদের নির্ভরশীলতা বাড়বে।

খায়রুল হোসেন বলেন, পুঁজি নয়, জ্ঞান শেয়ারবাজারে জয়ী হওয়ার অস্ত্র। বিনিয়োগ শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হল জ্ঞানভাণ্ডার তৈরি করা। বিনিয়োগকারীরা যাতে নিজেরাই শেয়ার লেনদেন করে পুঁজির সংরক্ষণ ও মুনাফা করতে পারে। এক্ষেত্রে শেয়ারবাজারে ক্ষতিপূরণের জায়গা নেই।

তিনি বলেন, প্রকাশিত তথ্যের (ডিসক্লোজার) ভিত্তিতে একটি কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দেয় কমিশন। এক্ষেত্রে ইস্যু ম্যানেজার ও নিরীক্ষক সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিষয়ে সব ঠিক আছে বলে জানানোর পরে কমিশনের কিছু করার থাকে না। কারণ বিএসইসি সরেজমিনে ওই কোম্পানির আর্থিক হিসাবের সত্যতা যাচাই করতে পারে না। আর এমনটি করতে গেলে আইপিও অনুমোদনে ৩ বছর সময় লাগবে।

বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমানে প্রত্যেকটি কোম্পানির ওয়েবসাইটে প্রসপেক্টাস প্রকাশ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন খায়রুল হোসেন। এক্ষেত্রে সাংবাদিকেরা ওই প্রসপেক্টাসে প্রদত্ত তথ্য নিয়ে রিপোর্ট করতে পারেন। এক্ষেত্রে কোনো কোম্পানির প্রসপেক্টাসের সঙ্গে বাস্তবতার গরমিল পেলে, আইপিওতে আবেদনের আগ মুহূর্তেও তা বন্ধ করে দেয়া হবে।

আইপিও অনুমোদন পাওয়া কোম্পানির কাছে চাঁদা না পেয়ে একটি গ্রুপ আদালতে রিট করে বলে জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান।

এদেরকে প্রতিহত করতে সাংবাদিকদের কাছে আহ্বান করেছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, শেয়ারবাজারের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্প, সেবা, অবকাঠামো ইত্যাদি খাত অনেক এগিয়ে যাবে। এ কারণে বাজারে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করা হচ্ছে। বর্তমানে কোম্পানিতে ২৫ শতাংশ স্বতন্ত্র পরিচালক রয়েছে।

এদের দায়িত্ব ও করণীয় নিয়ে শিগগিরই কর্মশালার আয়োজন করা হবে। এছাড়াও ডিমিউচুয়ালাইজেশনের (মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা আলাদাকরণ) পর স্টক এক্সচেঞ্জের স্বতন্ত্র পরিচালকের সংখ্যা বেশি। এসব পরিচালকের দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে তাদেরকে সচেতন করতে কর্মশালার আয়োজন করা হবে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, কমিশনে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সময়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কর্মশালার সমাপনী সেশনে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়। এ সময়ে সিএমজেএফের সভাপতি হাসান ইমান রুবেল বলেন, সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে কোনো প্রতিষ্ঠান স্বচ্ছতা প্রমাণ করা সম্ভব নয়।

কারণ সাংবাদিকরা হল সুপার রেগুলেটর। আর সুপার রেগুলেটরকে বাদ দিয়ে কোনো রেগুলেটর প্রতিষ্ঠান সঠিকভাবে তার দায়িত্ব পালন করতে পারে না। ফলে বিএসইসির নিজের স্বার্থেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

নির্বাচনের অজুহাতে শেয়ারবাজার অস্থিতিশীল করলে ছাড় নেই

আপডেট সময় ০৯:৫৫:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের জাতীয় নির্বাচনের অজুহাতে শেয়ারবাজার অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করা হলে ছাড় নেই। বিষয়টি কড়া নজরদারি করছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

এক্ষেত্রে আইন লঙ্ঘন করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ারবাজারের রিপোর্টারদের এক কর্মশালায় সোমবার বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন এসব কথা বলেন।

বিএসইসি এবং শেয়ারবাজারের রিপোর্টারদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম (সিএমজেএফ) যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।

বিএসইসির অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির কমিশনার ড. স্বপন কুমার বালা, হেলাল উদ্দিন নিজামী, খোন্দকার কামালুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ ও পরিচালক রেজাউল করিম। সিএমজেএফের সভাপতি হাসান ইমাম রুবেল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

ড. খায়রুল হোসেন বলেন, বিভিন্ন সময়ে নানা অজুহাতে বাজারে দরপতন হয়। নির্বাচনকে সামনে রেখে শেয়ারবাজার অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা আছে। তবে আমরা বলতে পারি, এ ব্যাপারে বিএসইসি সজাগ আছে। কারা কী করছে, তা সার্ভিলেন্সের মাধ্যমে সব সময়ই নজরদারি করা হয়।

ফলে কোনো মহল থেকে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। খায়রুল হোসেন বলেন, আইপিওতে (প্রাথমিক শেয়ার) কোম্পানিগুলো সঠিক দাম পায় না বলে দীর্ঘদিন ধরে উদ্যোক্তাদের অভিযোগ ছিল। এরপর বুক বিল্ডিং পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এক্ষেত্রে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির তথ্য বিচার-বিশ্লেষণ করে দর নির্ধারণ করে।

কিন্তু এর মধ্যেও কোম্পানি ও যোগ্য বিনিয়োগকারীরা যোগসাজশ করতে শুরু করে, যা প্রতিরোধে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশের পরিবর্তে সর্বোচ্চ ২ শতাংশ শেয়ারে দর প্রস্তাব করার সংশোধনী করা হয়েছে। এরপরও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা যোগসাজশের মাধ্যমে শেয়ারের দাম বাড়ালে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেখানে অসহায়। কারণ যারা অতিরিক্ত মূল্য কোট করছে, তাদেরকে শেয়ার না দিলে বাজারে শৃঙ্খলা নষ্ট নয়। ফলে এখানে আমাদের রয়েছে।

বিএসইসির চেয়ারম্যান আরও বলেন, উদ্যোক্তারা শেয়ারবাজারে আসতে চাইছে না। এর অন্যতম কারণ ব্যাংকে কম্পায়েন্স নেই। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে যথাসময়ে ফেরত দিতে হবে, এই বিষয়টি নিশ্চিত হলে শেয়ারবাজারের প্রতি উদ্যোক্তাদের নির্ভরশীলতা বাড়বে।

খায়রুল হোসেন বলেন, পুঁজি নয়, জ্ঞান শেয়ারবাজারে জয়ী হওয়ার অস্ত্র। বিনিয়োগ শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হল জ্ঞানভাণ্ডার তৈরি করা। বিনিয়োগকারীরা যাতে নিজেরাই শেয়ার লেনদেন করে পুঁজির সংরক্ষণ ও মুনাফা করতে পারে। এক্ষেত্রে শেয়ারবাজারে ক্ষতিপূরণের জায়গা নেই।

তিনি বলেন, প্রকাশিত তথ্যের (ডিসক্লোজার) ভিত্তিতে একটি কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দেয় কমিশন। এক্ষেত্রে ইস্যু ম্যানেজার ও নিরীক্ষক সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিষয়ে সব ঠিক আছে বলে জানানোর পরে কমিশনের কিছু করার থাকে না। কারণ বিএসইসি সরেজমিনে ওই কোম্পানির আর্থিক হিসাবের সত্যতা যাচাই করতে পারে না। আর এমনটি করতে গেলে আইপিও অনুমোদনে ৩ বছর সময় লাগবে।

বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমানে প্রত্যেকটি কোম্পানির ওয়েবসাইটে প্রসপেক্টাস প্রকাশ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন খায়রুল হোসেন। এক্ষেত্রে সাংবাদিকেরা ওই প্রসপেক্টাসে প্রদত্ত তথ্য নিয়ে রিপোর্ট করতে পারেন। এক্ষেত্রে কোনো কোম্পানির প্রসপেক্টাসের সঙ্গে বাস্তবতার গরমিল পেলে, আইপিওতে আবেদনের আগ মুহূর্তেও তা বন্ধ করে দেয়া হবে।

আইপিও অনুমোদন পাওয়া কোম্পানির কাছে চাঁদা না পেয়ে একটি গ্রুপ আদালতে রিট করে বলে জানান বিএসইসি চেয়ারম্যান।

এদেরকে প্রতিহত করতে সাংবাদিকদের কাছে আহ্বান করেছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, শেয়ারবাজারের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্প, সেবা, অবকাঠামো ইত্যাদি খাত অনেক এগিয়ে যাবে। এ কারণে বাজারে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করা হচ্ছে। বর্তমানে কোম্পানিতে ২৫ শতাংশ স্বতন্ত্র পরিচালক রয়েছে।

এদের দায়িত্ব ও করণীয় নিয়ে শিগগিরই কর্মশালার আয়োজন করা হবে। এছাড়াও ডিমিউচুয়ালাইজেশনের (মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা আলাদাকরণ) পর স্টক এক্সচেঞ্জের স্বতন্ত্র পরিচালকের সংখ্যা বেশি। এসব পরিচালকের দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে তাদেরকে সচেতন করতে কর্মশালার আয়োজন করা হবে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, কমিশনে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সময়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কর্মশালার সমাপনী সেশনে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়। এ সময়ে সিএমজেএফের সভাপতি হাসান ইমান রুবেল বলেন, সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে কোনো প্রতিষ্ঠান স্বচ্ছতা প্রমাণ করা সম্ভব নয়।

কারণ সাংবাদিকরা হল সুপার রেগুলেটর। আর সুপার রেগুলেটরকে বাদ দিয়ে কোনো রেগুলেটর প্রতিষ্ঠান সঠিকভাবে তার দায়িত্ব পালন করতে পারে না। ফলে বিএসইসির নিজের স্বার্থেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা উচিত।