ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নারীকে হত্যা করে থানায় ফোন দিল খুনি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিলেটের ওসমানীনগরে অজ্ঞাতনামা (৩৫) এক নারীকে হত্যা করে মাটিচাপা দিয়ে থানায় ফোন করেছে খুনি। পরে পুলিশ মাটি খঁড়ে লাশ উদ্ধার করে। খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।

আটকরা হলেন উপজেলার দয়ামীর ইউপির দয়ামীর খালপাড় গ্রামের মৃত হুরমত উল্যার ছেলে আব্দুল বারী (৪০)। অন্যরা হলেন, তার কথিত স্ত্রী পাখি বেগম (২০), তার মেয়ে মোনালিসা (১৩) উপজেলার তাজপুর ইউপির মজলিসপুর গ্রামের জনাব আলীর ছেলে সেলিম মিয়াকে (৩৫)।

সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার দয়ামীর ইউপির দয়ামীর বাজারের কনাইশাহ (র.) মাজারের পশ্চিম পাশ থেকে ওই নারীর লাশ উঠানো হয়। এর আগে রোববার রাতে ওই অজ্ঞাতনামা নারীকে হত্যা করা হয়।

ওসমানীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, খুনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার সকাল ১১টা দিকে আব্দুল বারি ও অন্য আরেকজন লোক থানায় ফোন করে জানায় দয়ামীরে অজ্ঞাতনামা এক নারীকে খুন করে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার অনুসন্ধান করে এর সত্যতা পায়। ঘটনার পুরো সংবাদ জানতে কৌশলে আব্দুল বারিকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে মহিলাকে তার বাড়িতেই রোববার রাতে খুন করে দয়ামীর বাজারে পশ্চিমে মাটিচাপা দিয়ে লাশ গুম করার কথা স্বীকার করেন। খুন করতে তাকে আরও কয়েকজন সাহায্য করে বলেও পুলিশকে জানায়।

পরে সোমবার দুপুর ১টার দিকে দয়ামীর বাজারের কনাইশাহ(র.) মাজারের পশ্চিমের খালি জায়গা থেকে মাটিচাপা দেয়া মহিলার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

নিহত মহিলার পরিচয় পাওয়া যায়নি। পুলিশ ধারণা করছে আব্দুল বারি নিহত মহিলা ও তার কথিত স্ত্রীসহ বিভিন্ন খারাপ মহিলাদেরকে দিয়ে তার নিজের বাড়িতেই দেহ ব্যবসা পরিচালনা করাত। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা দায়ের করা হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীকে হত্যা করে থানায় ফোন দিল খুনি

আপডেট সময় ০৭:২৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিলেটের ওসমানীনগরে অজ্ঞাতনামা (৩৫) এক নারীকে হত্যা করে মাটিচাপা দিয়ে থানায় ফোন করেছে খুনি। পরে পুলিশ মাটি খঁড়ে লাশ উদ্ধার করে। খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।

আটকরা হলেন উপজেলার দয়ামীর ইউপির দয়ামীর খালপাড় গ্রামের মৃত হুরমত উল্যার ছেলে আব্দুল বারী (৪০)। অন্যরা হলেন, তার কথিত স্ত্রী পাখি বেগম (২০), তার মেয়ে মোনালিসা (১৩) উপজেলার তাজপুর ইউপির মজলিসপুর গ্রামের জনাব আলীর ছেলে সেলিম মিয়াকে (৩৫)।

সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার দয়ামীর ইউপির দয়ামীর বাজারের কনাইশাহ (র.) মাজারের পশ্চিম পাশ থেকে ওই নারীর লাশ উঠানো হয়। এর আগে রোববার রাতে ওই অজ্ঞাতনামা নারীকে হত্যা করা হয়।

ওসমানীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, খুনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার সকাল ১১টা দিকে আব্দুল বারি ও অন্য আরেকজন লোক থানায় ফোন করে জানায় দয়ামীরে অজ্ঞাতনামা এক নারীকে খুন করে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার অনুসন্ধান করে এর সত্যতা পায়। ঘটনার পুরো সংবাদ জানতে কৌশলে আব্দুল বারিকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে মহিলাকে তার বাড়িতেই রোববার রাতে খুন করে দয়ামীর বাজারে পশ্চিমে মাটিচাপা দিয়ে লাশ গুম করার কথা স্বীকার করেন। খুন করতে তাকে আরও কয়েকজন সাহায্য করে বলেও পুলিশকে জানায়।

পরে সোমবার দুপুর ১টার দিকে দয়ামীর বাজারের কনাইশাহ(র.) মাজারের পশ্চিমের খালি জায়গা থেকে মাটিচাপা দেয়া মহিলার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

নিহত মহিলার পরিচয় পাওয়া যায়নি। পুলিশ ধারণা করছে আব্দুল বারি নিহত মহিলা ও তার কথিত স্ত্রীসহ বিভিন্ন খারাপ মহিলাদেরকে দিয়ে তার নিজের বাড়িতেই দেহ ব্যবসা পরিচালনা করাত। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা দায়ের করা হয়নি।