ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

ভুল সামলে চলাই জীবন : লিন্ডসে

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

লিন্ডসে নামেই বিশ্বখ্যাতি। পুরো নাম লিন্ডসে ডি লোহান। জন্ম ২ জুলাই ১৯৮৬। মার্কিন অভিনেত্রী, গায়িকা, ব্যবসায়ী ও ফ্যাশন ডিজাইনার।

সব ক্ষেত্রেই সফল তিনি। নিউইয়র্ক সিটিতে জন্ম নেয়া লোহান শিশু বয়সেই বিখ্যাত ফোর্ডের মডেল হন।

মাত্র ১০ বছর বয়সেই নিয়মিত অ্যানাদার ওয়ার্ড-এ অভিনয় শুরু করেন। এরপরেই লোহান ডিজনি পিকচার্সের দ্য প্যারেন্ট ট্র্যাপ (১৯৯৮) চলচ্চিত্রে কাজ করার সুযোগ পেয়ে যান।

এ ছবির সফলতা তাকে টেলিভিশন চলচ্চিত্র ফ্রিকি ফ্রাইডে’তে (২০০৩) কাজের সুযোগ করে দেয়। শিশুশিল্পী হিসেবে লোহানের কাজগুলো তাকে দ্রুতই তারকা খ্যাতি এনে দেয়। মিন গার্লস (২০০৪) তাকে কিশোর আদর্শ অভিনয়শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

আইনি জটিলতায় পড়ে গণমাধ্যমের আলোচনায় আসেন লোহান। পরে তাকে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রেও যেতে হয়। আইনি জটিলতার জন্য তিনি বেশ কয়েকটি কাজ হারান।

দর্শকদের কাছে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়। ২০১০ সালের পর তিনি মাশেটি, লিজ অ্যান্ড ডিক এবং দ্য ক্যানিয়ন্স ছবিতে অভিনয় করে আবারও দর্শকপ্রিয় তারকা হয়ে ওঠেন।

বাবা মাইকেল লোহান। মা ডিনা লোহান। ভাই মাইকেল লোহান জুনিয়র। বোন অ্যালাইনা লোহান। বাবা-মা আর ভাই-বোন নিয়ে ভালোই আছেন লোহান। লিন্ডসে লোহান তার ভক্তদের কাছে ‘ফ্রিকি ফ্রাইডে’ এবং ‘প্যারেন্ট ট্র্যাপ’ চলচ্চিত্রে তার অনবদ্য অভিনীত চরিত্রের জন্য খ্যাত।

তাই সমালোচনার চাপে যখন এ মহাতারকা হলিউডের ক্যারিয়ারকে বিদায় জানানো ঘোষণা দেন তখন অনেকেই তা স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। পরে অবশ্য লোহান জানান, চলচ্চিত্রের দুনিয়াকে মিস করছেন তিনি। কিন্তু সিরিয়ার শরণার্থীদের সাহায্য করে তার মাঝেই নিজের মানসিক শান্তি খুঁজে নিতে চাইছেন।

একেবারে হলিউডের সংস্পর্শ ত্যাগ করছেন লোহান এমন কথা সম্পূর্ণ অসত্য। যদিও একই সময় লোহান নিজের ধর্মীয় পরিচয় বদল করে মুসলিম হয়েছেন- এমন গুজবের পালে হাওয়া লাগান।

ওই সময় তাকে বেশ করেকবার মাথায় হিজাব পরা অবস্থায় দেখা গেছে। এমনকি সিরিয়ান রিফিউজিদের সঙ্গে তার পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের একটি ভিডিও সামাজিক গণমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে সাক্ষাৎকারের মাধমে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী। নিজের জীবন নিয়ে ভালো আছেন লোহান। তার নতুন জীবন সম্পর্কে শুরুতেই এ কথা বলেন তিনি।

নিজের কাজ সম্পর্কে বলেন, আমার একটি নিজস্ব ব্যবসায়িক জীবন আছে। বর্তমানে আমি যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বসবাস করছি। তাই অনেকেই আমার বর্তমান জীবন সম্পর্কে জানেন না। কিন্তু আমি এতে আনন্দিত।

ফলে আমি আমার নিজের ব্যবসায়িক কাজে অনেক বেশি মনোযোগ দিতে পারছি। নিজের অতীত সম্পর্কে বলেন, আসলে খারাপ কোনো উদ্দেশ্য আমার কোনদিনই ছিল না। আমি শুধু একটু আনন্দই খোঁজার চেষ্টা করতাম। তবে আমার আজকের জীবন সম্পূর্ণ আলাদা।

যুক্তরাষ্ট্রের দাপুটে অভিনেত্রী লিন্ডসে লোহানের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার খবর নিয়ে তিনি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসেন। ওই সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রাম থেকে নিজের সব ছবিও মুছে ফেলেন তিনি।

এরপর সেখানে আরবি ভাষায় ‘আলাইকুম সালাম’ লেখা দেখা যায়। এরপর থেকে অনেকেই ধারণা করেন লোহান ইসলাম গ্রহণ করেছেন। দুবাই সফর করেছেন লোহান।

সেখানে তিনি নতুন জীবন শুরু করার প্রেরণা খুঁজতে যান। লোহানের এসব কাজে ভক্তরা ভাবতে শুরু করেন হয়তো লোহান ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। কিন্তু অভিনেত্রীর তরফ থেকে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।

তবে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচিত এ তারকাকে ইসলাম ধর্মে স্বাগত জানান। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে পবিত্র কোরআন শরিফ হাতে লোহানকে দেখা যায়। এতে ইসলামের প্রতি তার আগ্রহের প্রমাণ পাওয়া যায়। সবশেষ সিরিয়ার শরণার্থী শিশুদের দেখতে যান। সেখানে লোহানকে হিজাব পরতে দেখা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের এ তারকা মাদকের জন্য সমালোচিত। মাদকাসক্ত থেকে পুনর্বাসন নিয়েছেন তিনি। নিজের জীবনের পরিস্থিতিতে তার পরামর্শ, কোনো ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা উচিত। পরে আলোচনা করলে তা দুর্বল হয়ে পড়ে।

শিশু বয়সেই তারকা বনে যাওয়ার খ্যাতিটা ঠিক সামলে নিতে পারেননি। তবে পরিশ্রম করতে তার কোনো আলস্য নেই। কাজ তা যেমনই হোক যদি শান্তি পাওয়া যায় তা করতে হয়।

সবকিছুরই একটা শেষ আছে। জীবনও একদিন থেকে যাবে। তাই একটু সময় করে শান্তির খোঁজ নিতে হবে। যা করলে শান্তি আসে তা থেকে নিজেকে বিরত রাখার চেষ্টা করা উচিত নয়।

ভুল জীবনের অবিচ্ছদ্য অংশ। ভুলহীন জীবন নেই। তবে কতটা ভুল সামলে আবারও এগিয়ে যাওয়া যায় সে চেষ্টায় নিজেকে বারবার তৈরি করতে হবে। মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছা থাকলে তা যথাসাধ্য করা শ্রেয়।

জীবনের সবকিছুই শান্তির জন্য, ভালোর জন্য। একথা মনে রাখতে হবে। নিজের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে এসব কথাই জানিয়েছেন লিন্ডসে লোহান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

ভুল সামলে চলাই জীবন : লিন্ডসে

আপডেট সময় ০৯:০৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

লিন্ডসে নামেই বিশ্বখ্যাতি। পুরো নাম লিন্ডসে ডি লোহান। জন্ম ২ জুলাই ১৯৮৬। মার্কিন অভিনেত্রী, গায়িকা, ব্যবসায়ী ও ফ্যাশন ডিজাইনার।

সব ক্ষেত্রেই সফল তিনি। নিউইয়র্ক সিটিতে জন্ম নেয়া লোহান শিশু বয়সেই বিখ্যাত ফোর্ডের মডেল হন।

মাত্র ১০ বছর বয়সেই নিয়মিত অ্যানাদার ওয়ার্ড-এ অভিনয় শুরু করেন। এরপরেই লোহান ডিজনি পিকচার্সের দ্য প্যারেন্ট ট্র্যাপ (১৯৯৮) চলচ্চিত্রে কাজ করার সুযোগ পেয়ে যান।

এ ছবির সফলতা তাকে টেলিভিশন চলচ্চিত্র ফ্রিকি ফ্রাইডে’তে (২০০৩) কাজের সুযোগ করে দেয়। শিশুশিল্পী হিসেবে লোহানের কাজগুলো তাকে দ্রুতই তারকা খ্যাতি এনে দেয়। মিন গার্লস (২০০৪) তাকে কিশোর আদর্শ অভিনয়শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

আইনি জটিলতায় পড়ে গণমাধ্যমের আলোচনায় আসেন লোহান। পরে তাকে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রেও যেতে হয়। আইনি জটিলতার জন্য তিনি বেশ কয়েকটি কাজ হারান।

দর্শকদের কাছে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়। ২০১০ সালের পর তিনি মাশেটি, লিজ অ্যান্ড ডিক এবং দ্য ক্যানিয়ন্স ছবিতে অভিনয় করে আবারও দর্শকপ্রিয় তারকা হয়ে ওঠেন।

বাবা মাইকেল লোহান। মা ডিনা লোহান। ভাই মাইকেল লোহান জুনিয়র। বোন অ্যালাইনা লোহান। বাবা-মা আর ভাই-বোন নিয়ে ভালোই আছেন লোহান। লিন্ডসে লোহান তার ভক্তদের কাছে ‘ফ্রিকি ফ্রাইডে’ এবং ‘প্যারেন্ট ট্র্যাপ’ চলচ্চিত্রে তার অনবদ্য অভিনীত চরিত্রের জন্য খ্যাত।

তাই সমালোচনার চাপে যখন এ মহাতারকা হলিউডের ক্যারিয়ারকে বিদায় জানানো ঘোষণা দেন তখন অনেকেই তা স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। পরে অবশ্য লোহান জানান, চলচ্চিত্রের দুনিয়াকে মিস করছেন তিনি। কিন্তু সিরিয়ার শরণার্থীদের সাহায্য করে তার মাঝেই নিজের মানসিক শান্তি খুঁজে নিতে চাইছেন।

একেবারে হলিউডের সংস্পর্শ ত্যাগ করছেন লোহান এমন কথা সম্পূর্ণ অসত্য। যদিও একই সময় লোহান নিজের ধর্মীয় পরিচয় বদল করে মুসলিম হয়েছেন- এমন গুজবের পালে হাওয়া লাগান।

ওই সময় তাকে বেশ করেকবার মাথায় হিজাব পরা অবস্থায় দেখা গেছে। এমনকি সিরিয়ান রিফিউজিদের সঙ্গে তার পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের একটি ভিডিও সামাজিক গণমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে সাক্ষাৎকারের মাধমে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী। নিজের জীবন নিয়ে ভালো আছেন লোহান। তার নতুন জীবন সম্পর্কে শুরুতেই এ কথা বলেন তিনি।

নিজের কাজ সম্পর্কে বলেন, আমার একটি নিজস্ব ব্যবসায়িক জীবন আছে। বর্তমানে আমি যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বসবাস করছি। তাই অনেকেই আমার বর্তমান জীবন সম্পর্কে জানেন না। কিন্তু আমি এতে আনন্দিত।

ফলে আমি আমার নিজের ব্যবসায়িক কাজে অনেক বেশি মনোযোগ দিতে পারছি। নিজের অতীত সম্পর্কে বলেন, আসলে খারাপ কোনো উদ্দেশ্য আমার কোনদিনই ছিল না। আমি শুধু একটু আনন্দই খোঁজার চেষ্টা করতাম। তবে আমার আজকের জীবন সম্পূর্ণ আলাদা।

যুক্তরাষ্ট্রের দাপুটে অভিনেত্রী লিন্ডসে লোহানের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার খবর নিয়ে তিনি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসেন। ওই সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রাম থেকে নিজের সব ছবিও মুছে ফেলেন তিনি।

এরপর সেখানে আরবি ভাষায় ‘আলাইকুম সালাম’ লেখা দেখা যায়। এরপর থেকে অনেকেই ধারণা করেন লোহান ইসলাম গ্রহণ করেছেন। দুবাই সফর করেছেন লোহান।

সেখানে তিনি নতুন জীবন শুরু করার প্রেরণা খুঁজতে যান। লোহানের এসব কাজে ভক্তরা ভাবতে শুরু করেন হয়তো লোহান ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। কিন্তু অভিনেত্রীর তরফ থেকে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।

তবে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচিত এ তারকাকে ইসলাম ধর্মে স্বাগত জানান। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে পবিত্র কোরআন শরিফ হাতে লোহানকে দেখা যায়। এতে ইসলামের প্রতি তার আগ্রহের প্রমাণ পাওয়া যায়। সবশেষ সিরিয়ার শরণার্থী শিশুদের দেখতে যান। সেখানে লোহানকে হিজাব পরতে দেখা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের এ তারকা মাদকের জন্য সমালোচিত। মাদকাসক্ত থেকে পুনর্বাসন নিয়েছেন তিনি। নিজের জীবনের পরিস্থিতিতে তার পরামর্শ, কোনো ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা উচিত। পরে আলোচনা করলে তা দুর্বল হয়ে পড়ে।

শিশু বয়সেই তারকা বনে যাওয়ার খ্যাতিটা ঠিক সামলে নিতে পারেননি। তবে পরিশ্রম করতে তার কোনো আলস্য নেই। কাজ তা যেমনই হোক যদি শান্তি পাওয়া যায় তা করতে হয়।

সবকিছুরই একটা শেষ আছে। জীবনও একদিন থেকে যাবে। তাই একটু সময় করে শান্তির খোঁজ নিতে হবে। যা করলে শান্তি আসে তা থেকে নিজেকে বিরত রাখার চেষ্টা করা উচিত নয়।

ভুল জীবনের অবিচ্ছদ্য অংশ। ভুলহীন জীবন নেই। তবে কতটা ভুল সামলে আবারও এগিয়ে যাওয়া যায় সে চেষ্টায় নিজেকে বারবার তৈরি করতে হবে। মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছা থাকলে তা যথাসাধ্য করা শ্রেয়।

জীবনের সবকিছুই শান্তির জন্য, ভালোর জন্য। একথা মনে রাখতে হবে। নিজের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে এসব কথাই জানিয়েছেন লিন্ডসে লোহান।