আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
সাংবাদিক, হয়তো কোনোভোবে টিকিট ম্যানেজ করে দিতে পারি-এই ভেবে গতকাল বেশ কয়েকজন প্রবাসী ফোন করলেন। জানিয়েছেন, অনেক চেষ্টা করেও তারা টিকিট ম্যানেজ করতে পারেননি। ছুটির দিনে বাংলাদেশের ফাইনাল দেখতে শত শত দিরহাম খরচ করতেও তাদের সমস্যা নেই। বাংলাদেশের ফাইনাল ম্যাচটা তারা যে করেই হোক দেখতে চান।
ভরত-পাকিস্তান ফাইনাল হচ্ছে- এটা ধরে তো নিয়েছিলেন সবাই। সাকিব- তামিম নেই, তারপরে আবার অনভ্যস্ত কন্ডিশন। ফাইনালে তাই বাংলাদেশকে কেউ রাখার সাহস করেননি। কিন্তু হিসাব উল্টে দিয়ে সেই ইনজুরি জর্জরিত দলটাই ফাইনালে।
ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল হবে মনে করে বেশিরভাগ টিকিট চলে যায় এই দুই দেশের সমর্থকদের কছে। কিন্তু পকিস্তান বাদ পড়ায় সেদেশের সমর্থকদের মধ্যে কোনো আগ্রহ নেই ফাইনাল নিয়ে। তাই বেশিরভাগ পাকিস্তানি সমর্থক তাদের টিকিট বিক্রি করে দিয়েছেন। এবং তাদের কাছ থেকেই চড়া দামে টিকিট কিনতে হয়েছে বাংলাদেশি সমর্থকদের।
একজন জানালেন, তিনি গ্যালারির একটা টিকিট কিনেছেন ৩৫০ দিরহামে। বাংলাদেশি টাকায় এটি আট হাজার ৫৮ টাকা। দুবাই স্পোর্টস সিটিতে বাসে করে আসছিলেন আট দশ জন বাংলাদেশি সমর্থক। জানালেন, তারা এক সঙ্গে ২৮টি টিকিট অনলাইন থেকে। প্রতিটা টিকিটের দাম পড়েছে ২০০ দিরহাম।
সাথনীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্টেডিয়াম গেইটের কাছে টিকিটের জন্য হাহাকার দেখা গেল। টিকিট ম্যানেজ না করেই কেউ কেউ এলে এসছে স্টেডিয়ামে। যদি একটা টিকিট ম্যানেজ হয়, এই আশায়।
তুহিন নামের এজন সমর্থক ৩৫০ দিরহামে একটা টিকিট ম্যানেজ করে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন। বাংলাদেশ দলে এসেছে দুবাইয়ে। ফাইনাল খেলছে। সেখানে টাকা প্রধান বিষয় নয় তার কাছে।
৩৫০ দিরহাম! অঙ্কটা শুনে থমকে দাঁড়ালাম। আজকের ম্যাচ দেখতে এই সমর্খকের খরচ হবে কম করে ৪০০ দিরহাম। টাকার হিসেবে নয় হাজার ২০৯ টাকা। একজন শ্রমিকের জন্য যেটা যথেষ্ট ব্যয়বহুল, চিন্তা করে মনটা খারাপ হয়ে গেল।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























