অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
আগামী জাতীয় নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্তের পথে থাকলেও শেষ মুহূর্তে কিছু আসনে পরিবর্তন আসতে পারে। দলটির শীর্ষ নেতারা জানান, প্রার্থী মনোনয়নের জন্য নানা মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের পরও কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়ছে।
দেখা গেছে, বিতর্কিত, দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে অভিযুক্তদের নামও তালিকায় এসেছে। দলের হাইকমান্ড মনে করছেন এ ধরনের ব্যক্তিরা জনপ্রিয়তা হারিয়েছেন। তাই তারা মনোনয়ন পাবেন না।
সূত্র জানায়, মনোনয়ন চূড়ান্তকরণের অংশ হিসেবে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শতাধিক আসনে মনোনয়ন পরিবর্তনের তালিকা করেছেন। এলাকায় যারা জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছেন, তাদের নাম তালিকায় রয়েছে। বিশেষ করে যারা এমপি হয়ে শুধু নিজেদের আখের গুছিয়েছেন, স্বজনপ্রীতি করেছেন, সম্পদের পাহাড় গড়েছেন, তারা কোনোভাবেই মনোনয়ন পাবেন না।
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ- বিশেষ করে যাদের কারণে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা হামলা, মামলা ও নাজেহালের শিকার হয়েছেন তাদের পুনরায় মানোনয়ন পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
ক্ষমতাসীন দলটির নেতারা মনে করছেন, যেসব মাধ্যমে জরিপ হচ্ছে, সেসব মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে অনেকেই নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন। কিছু জরিপ রিপোর্টে পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে। তাই কোনো একক জরিপ রিপোর্ট দেখে মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে না। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রার্থী হিসেবে কারও কারও নাম এলেও সার্বিক বিবেচনায় তারা প্রার্থী হওয়ার যোগ্য নন।
নানা বিবেচনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ক্যাপ্টেন (অব.) তাজুল ইসলাম। একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। চাঁদপুর-৪-এ মনোনয়ন পেতে পারেন শফিকুর রহমান। নেত্রকোনা-৫-এ আহমদ হোসেনের নাম শক্তভাবে বিবেচনায় রয়েছে। এছাড়া ঢাকার ৩-৪টি আসনে বর্তমান এমপিরা মনোনয়ন না-ও পেতে পারেন। এসব আসনে আসতে পারে নতুন মুখ।
৩১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিতর্কিতদের ব্যাপারে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। সংশোধন হতে তাদের বারবার সতর্ক করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে একাধিকবার তিনি জানান, দলে কোন্দল সৃষ্টিকারী, দুর্নীতিবাজ, বিতর্কিত ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে অভিযুক্তদের মনোনয়ন দেয়া হবে না।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























