ঢাকা ০৬:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

সড়কমন্ত্রীর উপন্যাস নিয়ে ‘গাঙচিল’ সিনেমার মহরত

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিতব্য ‘গাঙচিল’ সিনেমার মহরত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী হলে আয়োজিত মহরত অনুষ্ঠানটি মন্ত্রী ও চলচ্চিত্র তারকাদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল।

সিনেমার কাহিনীকার হিসেবে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই উপমহাদেশের রাজনীতিবিদরা সাধারণত উপন্যাস লেখেন না। সেই দুঃসাহসটাই আমি দেখিয়েছি। জীবনঘনিষ্ঠ একটা উপন্যাস আমি লিখতে চেয়েছিলাম। এখানে উপকূলের মানুষের জীবনচিত্র ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছি। জেল থেকে বের হয়ে কক্সবাজারে টানা সাত দিন অবস্থান করে আমি বইটা শেষ করি।’

বইমেলায় প্রকাশের পর বইটি বেস্ট সেলার হয়েছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘কিন্তু বইটি চলবে কি না তা ভেবে শুরুতে লজ্জা পেতাম। এটা নিয়ে আবার সিনেমা হবে আমি কল্পনায়ও ভাবিনি। আমি মনে করি এটা আমার জন্য একটা সৌভাগ্যের ব্যাপার।’

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের সাহেবের উপন্যাসটিতে বাংলাদেশের চেতনার কথা উঠে এসেছে, সাগরপারের জনপদের কথা উঠে এসেছে। নিজস্ব সংস্কৃতি চেতনার বিকাশে এ চলচ্চিত্র বড় ভূমিকা রাখবে।’

পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূলকে ছবিটি নির্মাণের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সিনেমাটি দর্শকনন্দিত হবে বলে আমার বিশ্বাস।’

বিশেষ অতিথি সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘একজন রাজনীতিবিদের এ সৃষ্টিশীল কাজ জাতির সামনে একটি বড় উদাহরণ। শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা সব সময়ই জীবনকে উন্নততর পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।’

গাঙচিলের সাফল্য কামনা করে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, অভিনেতা তারিক আনাম খান, কলকাতার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, অভিনয়শিল্পী পূর্ণিমা, ফেরদৌস প্রমুখ।

পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল জানান, নুজহাত ফিল্মস ও ইচ্ছেমতোর প্রযোজনায় আগামী অক্টোবর মাসে ‘গাঙচিল’ চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হবে। এতে নাম ভূমিকায় পূর্ণিমা-ফেরদৌস ছাড়াও অভিনয় করছেন ঋতুপর্ণা।’

নোয়াখালী অঞ্চলে গাঙচিল নামে একটা চর আছে। ওখানে মানুষকে প্রতিনিয়ত কীভাবে ঝড়, বন্যা আর জলোচ্ছ্বাসের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকতে হয়, সেসব সংগ্রামের কথা উঠে এসেছে ‘গাঙচিল’ উপন্যাসে। গল্পটা একটু রোমান্টিক ধাঁচেরও।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

সড়কমন্ত্রীর উপন্যাস নিয়ে ‘গাঙচিল’ সিনেমার মহরত

আপডেট সময় ১০:৪৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ বিনোদন ডেস্ক:

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিতব্য ‘গাঙচিল’ সিনেমার মহরত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী হলে আয়োজিত মহরত অনুষ্ঠানটি মন্ত্রী ও চলচ্চিত্র তারকাদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল।

সিনেমার কাহিনীকার হিসেবে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই উপমহাদেশের রাজনীতিবিদরা সাধারণত উপন্যাস লেখেন না। সেই দুঃসাহসটাই আমি দেখিয়েছি। জীবনঘনিষ্ঠ একটা উপন্যাস আমি লিখতে চেয়েছিলাম। এখানে উপকূলের মানুষের জীবনচিত্র ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছি। জেল থেকে বের হয়ে কক্সবাজারে টানা সাত দিন অবস্থান করে আমি বইটা শেষ করি।’

বইমেলায় প্রকাশের পর বইটি বেস্ট সেলার হয়েছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘কিন্তু বইটি চলবে কি না তা ভেবে শুরুতে লজ্জা পেতাম। এটা নিয়ে আবার সিনেমা হবে আমি কল্পনায়ও ভাবিনি। আমি মনে করি এটা আমার জন্য একটা সৌভাগ্যের ব্যাপার।’

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের সাহেবের উপন্যাসটিতে বাংলাদেশের চেতনার কথা উঠে এসেছে, সাগরপারের জনপদের কথা উঠে এসেছে। নিজস্ব সংস্কৃতি চেতনার বিকাশে এ চলচ্চিত্র বড় ভূমিকা রাখবে।’

পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূলকে ছবিটি নির্মাণের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সিনেমাটি দর্শকনন্দিত হবে বলে আমার বিশ্বাস।’

বিশেষ অতিথি সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘একজন রাজনীতিবিদের এ সৃষ্টিশীল কাজ জাতির সামনে একটি বড় উদাহরণ। শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা সব সময়ই জীবনকে উন্নততর পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।’

গাঙচিলের সাফল্য কামনা করে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, অভিনেতা তারিক আনাম খান, কলকাতার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, অভিনয়শিল্পী পূর্ণিমা, ফেরদৌস প্রমুখ।

পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল জানান, নুজহাত ফিল্মস ও ইচ্ছেমতোর প্রযোজনায় আগামী অক্টোবর মাসে ‘গাঙচিল’ চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হবে। এতে নাম ভূমিকায় পূর্ণিমা-ফেরদৌস ছাড়াও অভিনয় করছেন ঋতুপর্ণা।’

নোয়াখালী অঞ্চলে গাঙচিল নামে একটা চর আছে। ওখানে মানুষকে প্রতিনিয়ত কীভাবে ঝড়, বন্যা আর জলোচ্ছ্বাসের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকতে হয়, সেসব সংগ্রামের কথা উঠে এসেছে ‘গাঙচিল’ উপন্যাসে। গল্পটা একটু রোমান্টিক ধাঁচেরও।