ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু:অর্থনীতির ঝুঁকি বাড়ার সতর্কতা আইএমএফের বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : পর্যটনমন্ত্রী বিএনপি ধর্ম-বর্ণের বিভেদে বিশ্বাস করে না: শামা ওবায়েদ সরকার নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর: মাহদী আমিন ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বন্যা-জলাবদ্ধতায় আ.লীগ, ইন্টেরিম ও বিএনপি সরকারের আচরণ একই: এবি পার্টি ইউক্রেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী সেরহি কোরেৎসকি জুলাই আন্দোলন নিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করলে ব্যবস্থা: ডিএমপি

নিরাপদে মোটরসাইকেল চালাতে করণীয়

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

নগরীর ব্যস্ত সড়কে দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচলের জন্য মোটরসাইকেল একটি গুরুত্বপূর্ণ বাহন। তবে মোটরসাইকেল চালাতে বেশ ঝুঁকিও রয়েছে। তাই মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় বের হওয়ার আগে আপনার নিজের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি।

মোটরসাইকেল ড্রাইভ করার সময় নিজেকে নিরাপদ রাখতে আপনার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আসুন জেনে নিই নিরাপদে মোটরসাইকেল চালাতে চালকের করণীয়

মোটরসাইকেল পরীক্ষা করুন :

মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় বের হওয়ার আগে প্রতিবার বাইকের সব কিছু ঠিকমতো কাজ করছে কিনা তা ভালোভাবে পরীক্ষা করে নেবেন। চেইন, বেল্ট, ব্রেক ও শ্যাফট- সব কিছু যথাযথ পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন যে সব ঠিকমতো কাজ করছে; আর তা যদি না করে থাকেন, তবে ঘটে যেতে পারে যে কোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

হেলমেট :

হেলমেট আমাদের মাথাকে যে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে। তাই অবশ্যই বের হওয়ার আগে আপনার হেলমেট সঙ্গে নিন। হেলমেট না থাকায় মোটরসাইকেল দ্বারা সংঘটিত অধিকাংশ দুর্ঘটনায় মৃত্যুই হয় মাথায় আঘাত পাওয়ার কারণে।

আবহাওয়া :

আবহাওয়া বিবেচনায় আনুন। খারাপ আবহাওয়া ও ভারী বৃষ্টিতে বাইক চালানো ঝুঁকিপূর্ণ। কেননা রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে পড়ে। এ সময় টায়ার স্কিড করতে পারে।

পোশাক :

ছোট ও ঢিলেঢালা কাপড় পরা ভালো আইডিয়া নয়। কারণ এগুলো নিরাপদ নয়। এগুলো একই সঙ্গে পিছলানোর সম্ভাবনাও বাড়িয়ে দেয়। নিরাপত্তার জন্য আপনি যা করতে পারেন, তা হল- একটি ছিদ্রযুক্ত জ্যাকেট, যা একই সঙ্গে আপনাকে নিরাপদ ও ঠাণ্ডা রাখবে। গ্রীষ্মের সময় জিন্স টি-শার্ট পরা যায়।

মনোযোগ :

বাইক চালানোর সময় চালকের চোখ-কান অবশ্যই খোলা রাখবেন। কারণ দুটি বাইকের চালকদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

মোবাইল ফোন ও হেডফোন :

সম্পূর্ণ মনোযোগ ড্রাইভিংয়ের দিকে রাখা একটি অবশ্য পালনীয় নীতি। যে কোনো প্রকার অমনোযোগিতায় বাইকচালকের জন্য ক্ষতিকর এবং তা দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। বাইক চালানোর সময় কোনো কিছু চিন্তা করা খুবই খারাপ। এ ছাড়া মোবাইলে কথা বলা ও হেডফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

ট্রাফিক সিগন্যাল :

মোটরসাইকেল চালানোর সময় দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলুন। ট্রাফিক সিগন্যালগুলোতে পৌঁছানোর আগে থেকে বাইকের গতি কমিয়ে ফেলুন। এতে আপনার তেল আর ব্রেক প্যাডেলের ক্ষয় হবে কম।

ওভারটেকিং :

বাস, ট্রাক অথবা কার ওভারটেকিং করার সময় কিছু দূরত্ব রাখা এবং সামনের দিকে তাকানো উচিত। যদি গাড়িটিকে ওভারটেকিং করার যথেষ্ট সুযোগ থাকে তা হলে হর্ন, পাস লাইট ব্যবহার করে সামনে এগিয়ে যান।

আইন :

ট্রাফিক আইন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখুন। এ ছাড়া রাস্তায় গাড়ি চালানোর বেসিক রুলসগুলো জানুন এবং মেনে চলুন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন :

গাড়ি চালানোর সময় বাইকের নিবন্ধন সনদ, ট্যাক্স টোকেন, ফিটনেস সনদ, বীমা সনদ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স সঙ্গে রাখুন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিরাপদে মোটরসাইকেল চালাতে করণীয়

আপডেট সময় ০৫:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

নগরীর ব্যস্ত সড়কে দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচলের জন্য মোটরসাইকেল একটি গুরুত্বপূর্ণ বাহন। তবে মোটরসাইকেল চালাতে বেশ ঝুঁকিও রয়েছে। তাই মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় বের হওয়ার আগে আপনার নিজের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি।

মোটরসাইকেল ড্রাইভ করার সময় নিজেকে নিরাপদ রাখতে আপনার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আসুন জেনে নিই নিরাপদে মোটরসাইকেল চালাতে চালকের করণীয়

মোটরসাইকেল পরীক্ষা করুন :

মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় বের হওয়ার আগে প্রতিবার বাইকের সব কিছু ঠিকমতো কাজ করছে কিনা তা ভালোভাবে পরীক্ষা করে নেবেন। চেইন, বেল্ট, ব্রেক ও শ্যাফট- সব কিছু যথাযথ পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন যে সব ঠিকমতো কাজ করছে; আর তা যদি না করে থাকেন, তবে ঘটে যেতে পারে যে কোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

হেলমেট :

হেলমেট আমাদের মাথাকে যে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে। তাই অবশ্যই বের হওয়ার আগে আপনার হেলমেট সঙ্গে নিন। হেলমেট না থাকায় মোটরসাইকেল দ্বারা সংঘটিত অধিকাংশ দুর্ঘটনায় মৃত্যুই হয় মাথায় আঘাত পাওয়ার কারণে।

আবহাওয়া :

আবহাওয়া বিবেচনায় আনুন। খারাপ আবহাওয়া ও ভারী বৃষ্টিতে বাইক চালানো ঝুঁকিপূর্ণ। কেননা রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে পড়ে। এ সময় টায়ার স্কিড করতে পারে।

পোশাক :

ছোট ও ঢিলেঢালা কাপড় পরা ভালো আইডিয়া নয়। কারণ এগুলো নিরাপদ নয়। এগুলো একই সঙ্গে পিছলানোর সম্ভাবনাও বাড়িয়ে দেয়। নিরাপত্তার জন্য আপনি যা করতে পারেন, তা হল- একটি ছিদ্রযুক্ত জ্যাকেট, যা একই সঙ্গে আপনাকে নিরাপদ ও ঠাণ্ডা রাখবে। গ্রীষ্মের সময় জিন্স টি-শার্ট পরা যায়।

মনোযোগ :

বাইক চালানোর সময় চালকের চোখ-কান অবশ্যই খোলা রাখবেন। কারণ দুটি বাইকের চালকদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

মোবাইল ফোন ও হেডফোন :

সম্পূর্ণ মনোযোগ ড্রাইভিংয়ের দিকে রাখা একটি অবশ্য পালনীয় নীতি। যে কোনো প্রকার অমনোযোগিতায় বাইকচালকের জন্য ক্ষতিকর এবং তা দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। বাইক চালানোর সময় কোনো কিছু চিন্তা করা খুবই খারাপ। এ ছাড়া মোবাইলে কথা বলা ও হেডফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

ট্রাফিক সিগন্যাল :

মোটরসাইকেল চালানোর সময় দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলুন। ট্রাফিক সিগন্যালগুলোতে পৌঁছানোর আগে থেকে বাইকের গতি কমিয়ে ফেলুন। এতে আপনার তেল আর ব্রেক প্যাডেলের ক্ষয় হবে কম।

ওভারটেকিং :

বাস, ট্রাক অথবা কার ওভারটেকিং করার সময় কিছু দূরত্ব রাখা এবং সামনের দিকে তাকানো উচিত। যদি গাড়িটিকে ওভারটেকিং করার যথেষ্ট সুযোগ থাকে তা হলে হর্ন, পাস লাইট ব্যবহার করে সামনে এগিয়ে যান।

আইন :

ট্রাফিক আইন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখুন। এ ছাড়া রাস্তায় গাড়ি চালানোর বেসিক রুলসগুলো জানুন এবং মেনে চলুন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন :

গাড়ি চালানোর সময় বাইকের নিবন্ধন সনদ, ট্যাক্স টোকেন, ফিটনেস সনদ, বীমা সনদ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স সঙ্গে রাখুন।