ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

নওগাঁয় মধ্যযুগীয় কায়দায় গাছে বেঁধে দম্পতিকে নির্যাতন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নওগাঁর পোরশা এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে এক দম্পতিকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত দুই মূল হোতাকে আটক করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী দম্পতি উপজেলার ঘাটনগর ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া গ্রামের বাবু ও তার স্ত্রী সুলতানা বেগম। গত ১৫ জুন ওই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।

আটকরা হলেন, মোল্লাপাড়া গ্রামের মৃত শফির উদ্দিনের ছেলে আমিনুর ইসলাম ও তার ভাই আনিছুর রহমান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত ১৫ জুন দুপুরে গ্রামের আমিনুর ইসলামের নেতৃত্বে মহির উদ্দিন ও নাসরিন বেগমসহ ১২/১৫ জন নারী-পুরুষ বাবু ও স্ত্রী সুলতানাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে।

এরপর ভুক্তভোগীদের জেলার মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে তাদের স্বজনরা। ভুক্তভোগীরা থানা পুলিশকে বিষয়টি না জানিয়ে নওগাঁ আদালতে মামলা দায়ের করেন।

নির্যাতনের ওই ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এরপর থানা পুলিশ ওই গ্রামে গিয়ে বিষয়টি অবগত হয়। সেখান থেকে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। বুধবার (২৭ জুন) রাত ১০ টায় ভুক্তভোগী বাবু বাদী হয়ে ৩৩ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন।

ঘাটনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বজলুর রশিদ বলেন, শুনেছি বাবু তার স্ত্রী সুলতানাকে দিয়ে এলাকায় অনৈতিক কার্যক্রম করতো। এ নিয়ে এলাকাবাসী ওই স্বামী-স্ত্রীকে মারধর করে।

পোরশা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে এ ঘটনাটি ঘটেছে। ভুক্তভোগীরা বিষয়টি থানায় না জানিয়ে আদালতে মামলা করেন। বিষয়টি জানার পর তাদের উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনার মূলহোতাসহ দুই আসামিকে আটক করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের ঘটনার মূল বিষয়টি জানা সম্ভব হবে বলে ওসি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় মধ্যযুগীয় কায়দায় গাছে বেঁধে দম্পতিকে নির্যাতন

আপডেট সময় ১১:০৫:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নওগাঁর পোরশা এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে এক দম্পতিকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত দুই মূল হোতাকে আটক করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী দম্পতি উপজেলার ঘাটনগর ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া গ্রামের বাবু ও তার স্ত্রী সুলতানা বেগম। গত ১৫ জুন ওই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।

আটকরা হলেন, মোল্লাপাড়া গ্রামের মৃত শফির উদ্দিনের ছেলে আমিনুর ইসলাম ও তার ভাই আনিছুর রহমান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত ১৫ জুন দুপুরে গ্রামের আমিনুর ইসলামের নেতৃত্বে মহির উদ্দিন ও নাসরিন বেগমসহ ১২/১৫ জন নারী-পুরুষ বাবু ও স্ত্রী সুলতানাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে।

এরপর ভুক্তভোগীদের জেলার মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে তাদের স্বজনরা। ভুক্তভোগীরা থানা পুলিশকে বিষয়টি না জানিয়ে নওগাঁ আদালতে মামলা দায়ের করেন।

নির্যাতনের ওই ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এরপর থানা পুলিশ ওই গ্রামে গিয়ে বিষয়টি অবগত হয়। সেখান থেকে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। বুধবার (২৭ জুন) রাত ১০ টায় ভুক্তভোগী বাবু বাদী হয়ে ৩৩ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন।

ঘাটনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বজলুর রশিদ বলেন, শুনেছি বাবু তার স্ত্রী সুলতানাকে দিয়ে এলাকায় অনৈতিক কার্যক্রম করতো। এ নিয়ে এলাকাবাসী ওই স্বামী-স্ত্রীকে মারধর করে।

পোরশা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে এ ঘটনাটি ঘটেছে। ভুক্তভোগীরা বিষয়টি থানায় না জানিয়ে আদালতে মামলা করেন। বিষয়টি জানার পর তাদের উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনার মূলহোতাসহ দুই আসামিকে আটক করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের ঘটনার মূল বিষয়টি জানা সম্ভব হবে বলে ওসি জানান।