ঢাকা ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রপাতে নিহত ৩

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় গৃহবধূসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ছয়জন। শুক্রবার সকাল ৮ টা থেকে ৯ টার মধ্যে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-রানীশংকৈল উপজেলার গোগোর পটুয়াপাড়া গ্রামের মোবারক আলী (৫৫), হরিপুর উপজেলার লঘুচাদ গ্রামের বাবলুর স্ত্রী শরিফন নেছা (৪০) এবং আশানুরের ছেলে নইম উদ্দীন (২৬)।

২০১০ সালের পর গত সাত বছরে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়েই চলছে। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে। গত বছরে মৃত্যুর মিছিলে এই সংখ্যাটি চারশোর একটু কম- ৩৭৯ জন! আর চলতি বছর বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা দুই শ ছাড়িয়েছে।

২০১৬ সালে পর পর দুদিনে বজ্রপাতে ৮১ জনের প্রাণহানি ঘটে। এরপরই বজ্রপাতকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে মন্ত্রণালয়।

স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, শুক্রবার সকালে জেলার রানীশংকৈল উপজেলার গোগোর পটুয়াপাড়া গ্রামের মোবারক আলী (৫৫) সকালে ঘুম থেকে বারান্দায় গরু ছাগলকে খাবার দিতে যান। কিন্তু বৃষ্টির সঙ্গে বিজলি চমকাতে খাকলে মোবারক আলী ঘরের জানাজা বন্ধ করার চেষ্টা করেন। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে হরিপুর উপজেলার ডাম্গীপাড়া লঘুচাদ গ্রামের নইম উদ্দীন (২৬) পরিবারের লোকজনসহ মাঠে বোরোধান কাটতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বৃষ্টি শুরু হলে তারা রাস্তার পাশে শরিফন নেছা নামে একজনের বাড়িতে ওঠেন। ওইসময় বজ্রপাতে শরিফন নেছা ও নইম উদ্দীন ঘটনাস্থলে মারা যান। সেখানে নইম উদ্দীনের ভাই মইন উদ্দীন ও তার মা রোকেয়া বেগম (৩৫) আহত হন।

এছাড়া বজ্রপাতে রানীশংকৈল উপজেলার সন্ধারই গ্রামের ইসমাইল হোসেনের মেয়ে কুলসুম বেগম (১৪) কলেজপাড়া গ্রামের ফজর আলীর ছেলে আমিনুর রহমান (৩০), হরিপুর উপজেলার বকুয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী আলেমা (৪০), চৌরঙ্গী গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে লিমা (১০) ঝলসে গিয়ে আহত হয়েছেন।

আহতদের রানীশংকেল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। রানীশংকেল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিতৎক ডা. ফিরোজ বজ্রপাতে আহত হয়ে ৬ জন ভর্তি হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। লেহেম্বা ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বজ্রপাতে তার ইউনিয়নে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রপাতে নিহত ৩

আপডেট সময় ০৬:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় গৃহবধূসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ছয়জন। শুক্রবার সকাল ৮ টা থেকে ৯ টার মধ্যে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-রানীশংকৈল উপজেলার গোগোর পটুয়াপাড়া গ্রামের মোবারক আলী (৫৫), হরিপুর উপজেলার লঘুচাদ গ্রামের বাবলুর স্ত্রী শরিফন নেছা (৪০) এবং আশানুরের ছেলে নইম উদ্দীন (২৬)।

২০১০ সালের পর গত সাত বছরে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়েই চলছে। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে। গত বছরে মৃত্যুর মিছিলে এই সংখ্যাটি চারশোর একটু কম- ৩৭৯ জন! আর চলতি বছর বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা দুই শ ছাড়িয়েছে।

২০১৬ সালে পর পর দুদিনে বজ্রপাতে ৮১ জনের প্রাণহানি ঘটে। এরপরই বজ্রপাতকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে মন্ত্রণালয়।

স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, শুক্রবার সকালে জেলার রানীশংকৈল উপজেলার গোগোর পটুয়াপাড়া গ্রামের মোবারক আলী (৫৫) সকালে ঘুম থেকে বারান্দায় গরু ছাগলকে খাবার দিতে যান। কিন্তু বৃষ্টির সঙ্গে বিজলি চমকাতে খাকলে মোবারক আলী ঘরের জানাজা বন্ধ করার চেষ্টা করেন। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে হরিপুর উপজেলার ডাম্গীপাড়া লঘুচাদ গ্রামের নইম উদ্দীন (২৬) পরিবারের লোকজনসহ মাঠে বোরোধান কাটতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বৃষ্টি শুরু হলে তারা রাস্তার পাশে শরিফন নেছা নামে একজনের বাড়িতে ওঠেন। ওইসময় বজ্রপাতে শরিফন নেছা ও নইম উদ্দীন ঘটনাস্থলে মারা যান। সেখানে নইম উদ্দীনের ভাই মইন উদ্দীন ও তার মা রোকেয়া বেগম (৩৫) আহত হন।

এছাড়া বজ্রপাতে রানীশংকৈল উপজেলার সন্ধারই গ্রামের ইসমাইল হোসেনের মেয়ে কুলসুম বেগম (১৪) কলেজপাড়া গ্রামের ফজর আলীর ছেলে আমিনুর রহমান (৩০), হরিপুর উপজেলার বকুয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী আলেমা (৪০), চৌরঙ্গী গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে লিমা (১০) ঝলসে গিয়ে আহত হয়েছেন।

আহতদের রানীশংকেল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। রানীশংকেল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিতৎক ডা. ফিরোজ বজ্রপাতে আহত হয়ে ৬ জন ভর্তি হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। লেহেম্বা ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বজ্রপাতে তার ইউনিয়নে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।