ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

৫০ ধর্ষণ ও ১২ খুনের পর ধরা পড়ল গোয়েন্দা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চার দশক পরে ধরা পড়ল ক্যালিফোর্নিয়ার অন্যতম কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার ও ধর্ষক জোসেফ জেমস ডি অ্যাঞ্জেলো। ৭২ বছর বয়সি সাবেক পুলিশ অফিসার জোসেফের বিরুদ্ধে অন্তত ১২টি খুন, ৫০টি ধর্ষণ এবং কয়েক ডজন বাড়িতে লুটপাটের প্রমাণ মিলেছে।

১৯৭৪ থেকে ১৯৮৬ সালের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টি এলাকায় ত্রাস ছড়িয়েছিল ‘গোল্ডেন স্টেট কিলার’। রাতের বেলা বাড়িতে ঢুকে আক্রমণ চালাত সে। পুরুষদের সামনেই মহিলাদের ধর্ষণ করত। কেউ বাধা দিতে গেলে খুন করত। ধর্ষণের পরে লুটপাট চালিয়ে পালাত।

১৩ বছরের কিশোরী থেকে ৪১ বছরের নারী কাউকেই ছাড়ত না সে। পরপর কয়েক বছর খুন-ধর্ষণ চালিয়ে কয়েক বছর চুপ থাকত। এভাবে তিন দফায় তাণ্ডব চালায় জোসেফ। তখন তদন্তে নেমেছিল এফবিআই। গোয়েন্দারা ভেবেছিলেন, এসব তিন জন দুষ্কৃতীর কাজ।

১৯৮৬ সালের পরে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটেনি। দুষ্কৃতীও অধরা থেকে যায়। গোয়েন্দাদের দাবি, নিজে পুলিশে চাকরি করতেন বলেই এতদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পেরেছিল জোসেফ।

কয়েক সপ্তাহ আগে গোয়েন্দাদের হাতে কিছু ডিএনএ প্রমাণ আসে। যার সাহায্যে দুষ্কৃতীকে শেষ পর্যন্ত শনাক্ত করা সম্ভব হয়। স্যাক্রামেন্টোর শহরতলিতে জোসেফের বাড়ি। বুধবার সেখানেই হানা দিয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ ধর্ষণ ও ১২ খুনের পর ধরা পড়ল গোয়েন্দা

আপডেট সময় ০৮:৪৭:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চার দশক পরে ধরা পড়ল ক্যালিফোর্নিয়ার অন্যতম কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার ও ধর্ষক জোসেফ জেমস ডি অ্যাঞ্জেলো। ৭২ বছর বয়সি সাবেক পুলিশ অফিসার জোসেফের বিরুদ্ধে অন্তত ১২টি খুন, ৫০টি ধর্ষণ এবং কয়েক ডজন বাড়িতে লুটপাটের প্রমাণ মিলেছে।

১৯৭৪ থেকে ১৯৮৬ সালের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টি এলাকায় ত্রাস ছড়িয়েছিল ‘গোল্ডেন স্টেট কিলার’। রাতের বেলা বাড়িতে ঢুকে আক্রমণ চালাত সে। পুরুষদের সামনেই মহিলাদের ধর্ষণ করত। কেউ বাধা দিতে গেলে খুন করত। ধর্ষণের পরে লুটপাট চালিয়ে পালাত।

১৩ বছরের কিশোরী থেকে ৪১ বছরের নারী কাউকেই ছাড়ত না সে। পরপর কয়েক বছর খুন-ধর্ষণ চালিয়ে কয়েক বছর চুপ থাকত। এভাবে তিন দফায় তাণ্ডব চালায় জোসেফ। তখন তদন্তে নেমেছিল এফবিআই। গোয়েন্দারা ভেবেছিলেন, এসব তিন জন দুষ্কৃতীর কাজ।

১৯৮৬ সালের পরে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটেনি। দুষ্কৃতীও অধরা থেকে যায়। গোয়েন্দাদের দাবি, নিজে পুলিশে চাকরি করতেন বলেই এতদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পেরেছিল জোসেফ।

কয়েক সপ্তাহ আগে গোয়েন্দাদের হাতে কিছু ডিএনএ প্রমাণ আসে। যার সাহায্যে দুষ্কৃতীকে শেষ পর্যন্ত শনাক্ত করা সম্ভব হয়। স্যাক্রামেন্টোর শহরতলিতে জোসেফের বাড়ি। বুধবার সেখানেই হানা দিয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।