ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

৫০ ধর্ষণ ও ১২ খুনের পর ধরা পড়ল গোয়েন্দা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চার দশক পরে ধরা পড়ল ক্যালিফোর্নিয়ার অন্যতম কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার ও ধর্ষক জোসেফ জেমস ডি অ্যাঞ্জেলো। ৭২ বছর বয়সি সাবেক পুলিশ অফিসার জোসেফের বিরুদ্ধে অন্তত ১২টি খুন, ৫০টি ধর্ষণ এবং কয়েক ডজন বাড়িতে লুটপাটের প্রমাণ মিলেছে।

১৯৭৪ থেকে ১৯৮৬ সালের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টি এলাকায় ত্রাস ছড়িয়েছিল ‘গোল্ডেন স্টেট কিলার’। রাতের বেলা বাড়িতে ঢুকে আক্রমণ চালাত সে। পুরুষদের সামনেই মহিলাদের ধর্ষণ করত। কেউ বাধা দিতে গেলে খুন করত। ধর্ষণের পরে লুটপাট চালিয়ে পালাত।

১৩ বছরের কিশোরী থেকে ৪১ বছরের নারী কাউকেই ছাড়ত না সে। পরপর কয়েক বছর খুন-ধর্ষণ চালিয়ে কয়েক বছর চুপ থাকত। এভাবে তিন দফায় তাণ্ডব চালায় জোসেফ। তখন তদন্তে নেমেছিল এফবিআই। গোয়েন্দারা ভেবেছিলেন, এসব তিন জন দুষ্কৃতীর কাজ।

১৯৮৬ সালের পরে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটেনি। দুষ্কৃতীও অধরা থেকে যায়। গোয়েন্দাদের দাবি, নিজে পুলিশে চাকরি করতেন বলেই এতদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পেরেছিল জোসেফ।

কয়েক সপ্তাহ আগে গোয়েন্দাদের হাতে কিছু ডিএনএ প্রমাণ আসে। যার সাহায্যে দুষ্কৃতীকে শেষ পর্যন্ত শনাক্ত করা সম্ভব হয়। স্যাক্রামেন্টোর শহরতলিতে জোসেফের বাড়ি। বুধবার সেখানেই হানা দিয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

৫০ ধর্ষণ ও ১২ খুনের পর ধরা পড়ল গোয়েন্দা

আপডেট সময় ০৮:৪৭:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চার দশক পরে ধরা পড়ল ক্যালিফোর্নিয়ার অন্যতম কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার ও ধর্ষক জোসেফ জেমস ডি অ্যাঞ্জেলো। ৭২ বছর বয়সি সাবেক পুলিশ অফিসার জোসেফের বিরুদ্ধে অন্তত ১২টি খুন, ৫০টি ধর্ষণ এবং কয়েক ডজন বাড়িতে লুটপাটের প্রমাণ মিলেছে।

১৯৭৪ থেকে ১৯৮৬ সালের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টি এলাকায় ত্রাস ছড়িয়েছিল ‘গোল্ডেন স্টেট কিলার’। রাতের বেলা বাড়িতে ঢুকে আক্রমণ চালাত সে। পুরুষদের সামনেই মহিলাদের ধর্ষণ করত। কেউ বাধা দিতে গেলে খুন করত। ধর্ষণের পরে লুটপাট চালিয়ে পালাত।

১৩ বছরের কিশোরী থেকে ৪১ বছরের নারী কাউকেই ছাড়ত না সে। পরপর কয়েক বছর খুন-ধর্ষণ চালিয়ে কয়েক বছর চুপ থাকত। এভাবে তিন দফায় তাণ্ডব চালায় জোসেফ। তখন তদন্তে নেমেছিল এফবিআই। গোয়েন্দারা ভেবেছিলেন, এসব তিন জন দুষ্কৃতীর কাজ।

১৯৮৬ সালের পরে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটেনি। দুষ্কৃতীও অধরা থেকে যায়। গোয়েন্দাদের দাবি, নিজে পুলিশে চাকরি করতেন বলেই এতদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পেরেছিল জোসেফ।

কয়েক সপ্তাহ আগে গোয়েন্দাদের হাতে কিছু ডিএনএ প্রমাণ আসে। যার সাহায্যে দুষ্কৃতীকে শেষ পর্যন্ত শনাক্ত করা সম্ভব হয়। স্যাক্রামেন্টোর শহরতলিতে জোসেফের বাড়ি। বুধবার সেখানেই হানা দিয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।