ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

৫০ ধর্ষণ ও ১২ খুনের পর ধরা পড়ল গোয়েন্দা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চার দশক পরে ধরা পড়ল ক্যালিফোর্নিয়ার অন্যতম কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার ও ধর্ষক জোসেফ জেমস ডি অ্যাঞ্জেলো। ৭২ বছর বয়সি সাবেক পুলিশ অফিসার জোসেফের বিরুদ্ধে অন্তত ১২টি খুন, ৫০টি ধর্ষণ এবং কয়েক ডজন বাড়িতে লুটপাটের প্রমাণ মিলেছে।

১৯৭৪ থেকে ১৯৮৬ সালের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টি এলাকায় ত্রাস ছড়িয়েছিল ‘গোল্ডেন স্টেট কিলার’। রাতের বেলা বাড়িতে ঢুকে আক্রমণ চালাত সে। পুরুষদের সামনেই মহিলাদের ধর্ষণ করত। কেউ বাধা দিতে গেলে খুন করত। ধর্ষণের পরে লুটপাট চালিয়ে পালাত।

১৩ বছরের কিশোরী থেকে ৪১ বছরের নারী কাউকেই ছাড়ত না সে। পরপর কয়েক বছর খুন-ধর্ষণ চালিয়ে কয়েক বছর চুপ থাকত। এভাবে তিন দফায় তাণ্ডব চালায় জোসেফ। তখন তদন্তে নেমেছিল এফবিআই। গোয়েন্দারা ভেবেছিলেন, এসব তিন জন দুষ্কৃতীর কাজ।

১৯৮৬ সালের পরে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটেনি। দুষ্কৃতীও অধরা থেকে যায়। গোয়েন্দাদের দাবি, নিজে পুলিশে চাকরি করতেন বলেই এতদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পেরেছিল জোসেফ।

কয়েক সপ্তাহ আগে গোয়েন্দাদের হাতে কিছু ডিএনএ প্রমাণ আসে। যার সাহায্যে দুষ্কৃতীকে শেষ পর্যন্ত শনাক্ত করা সম্ভব হয়। স্যাক্রামেন্টোর শহরতলিতে জোসেফের বাড়ি। বুধবার সেখানেই হানা দিয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৫০ ধর্ষণ ও ১২ খুনের পর ধরা পড়ল গোয়েন্দা

আপডেট সময় ০৮:৪৭:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চার দশক পরে ধরা পড়ল ক্যালিফোর্নিয়ার অন্যতম কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার ও ধর্ষক জোসেফ জেমস ডি অ্যাঞ্জেলো। ৭২ বছর বয়সি সাবেক পুলিশ অফিসার জোসেফের বিরুদ্ধে অন্তত ১২টি খুন, ৫০টি ধর্ষণ এবং কয়েক ডজন বাড়িতে লুটপাটের প্রমাণ মিলেছে।

১৯৭৪ থেকে ১৯৮৬ সালের মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টি এলাকায় ত্রাস ছড়িয়েছিল ‘গোল্ডেন স্টেট কিলার’। রাতের বেলা বাড়িতে ঢুকে আক্রমণ চালাত সে। পুরুষদের সামনেই মহিলাদের ধর্ষণ করত। কেউ বাধা দিতে গেলে খুন করত। ধর্ষণের পরে লুটপাট চালিয়ে পালাত।

১৩ বছরের কিশোরী থেকে ৪১ বছরের নারী কাউকেই ছাড়ত না সে। পরপর কয়েক বছর খুন-ধর্ষণ চালিয়ে কয়েক বছর চুপ থাকত। এভাবে তিন দফায় তাণ্ডব চালায় জোসেফ। তখন তদন্তে নেমেছিল এফবিআই। গোয়েন্দারা ভেবেছিলেন, এসব তিন জন দুষ্কৃতীর কাজ।

১৯৮৬ সালের পরে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটেনি। দুষ্কৃতীও অধরা থেকে যায়। গোয়েন্দাদের দাবি, নিজে পুলিশে চাকরি করতেন বলেই এতদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পেরেছিল জোসেফ।

কয়েক সপ্তাহ আগে গোয়েন্দাদের হাতে কিছু ডিএনএ প্রমাণ আসে। যার সাহায্যে দুষ্কৃতীকে শেষ পর্যন্ত শনাক্ত করা সম্ভব হয়। স্যাক্রামেন্টোর শহরতলিতে জোসেফের বাড়ি। বুধবার সেখানেই হানা দিয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।