ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ছাত্রলীগে আমার পছন্দের প্রার্থী আছে: শেখ হাসিনা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ছাত্রলীগে নিজের পছন্দের প্রার্থী রয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমার পছন্দের প্রার্থী আছে। তোমাদের কে আছে বল।’ শুক্রবার (১১ মে) রাতে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে ছাত্রলীগের আগামীর নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে দলীয় নেতাদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, ‘তোমাদের পছন্দের কোনও প্রার্থী থাকলে তোমরা নাম বল। দেখি আমার পছন্দের সঙ্গে মেলে কিনা’। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা এসব তথ্য জানান।

শেখ হাসিনা প্রথমে চট্রগ্রাম বিভাগের নেতাদের দিয়ে পছন্দের প্রার্থীর নাম জানতে চান। পরে অন্য বিভাগের নেতাদের কাছেও পছন্দের প্রার্থীর নাম জানতে চান। শেখ হাসিনার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে দলের তরুণ সকল নেতাই সমস্বরে বলেন, ‘আমাদের পছন্দ নাই আপা। আপনার পছন্দই আমাদের পছন্দ।’

দলীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, ‘চিরকুটের মাধ্যমেও লিখে দিতে পার’। তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতা হতে মনোনয়ন সংগ্রকারী সকলের ‘বায়োডাটা’ ও সবার পারিবারক পরিচিতি আমার হাতে আছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করে আমি পছন্দের প্রার্থী বেছে নিয়েছি’।

এসময় দলের এক সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগে নতুন নেতৃত্বে অন্তত একজন মেয়েকে শীর্ষ পদে রাখার প্রস্তাব করেন। বৈঠকে ছাত্রলীগের সাবেক দুই নেতা (কেন্দ্রীয় নেতা নয়) সংগঠনের অন্য সাবেক নেতাদের কড়া সমালোচনা করে শেখ হাসিনার সামনে। বৈঠকে পরে ছাত্রলীগের বয়সসীমা নিয়ে আলোচনা উঠে। বিস্তারিত আলোচনা শেষে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলনের তারিখ পর্যন্ত যার বয়স ২৮ বছর ৩’শ ৬৪দিন সেও নেতা হতে পারবে’।

ছাত্রলীগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ২৮ বছরে বয়স বেঁধে দিলে ছাত্রলীগের অনেক নেতা হতাশ হয়ে পড়েন। এরপর কেন্দ্রীয় নেতারা গণভবনে গিয়ে এর সমাধান করেন। পরে তিনি ঘোষণা দেন, সম্মেলনের তারিখ পর্যন্ত যার বয়স ২৯ বছর অতিক্রম করেনি সেই ছাত্র নেতা হওয়ার যোগ্যতা রাখবে। প্রায় আড়াই ঘন্টার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। পরে শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় নেতাদের সবাইকে শনিবার ছাত্রলীগের সম্মেলনস্থলে যেতে নিদের্শ দেন। সেখানে যারা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন তাদের সবার নাম ঘোষণা করতে। এরপর প্রার্থীদের নাম নিয়ে গণভবনে চলে আসার নিদের্শ দেন। সেখান থেকে ছাত্রলীগের নয়া নেতৃত্ব নির্বাচন করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যেমে প্রকাশ করা হবে।

ওই সময় শেখ হাসিনা বলেন, আগে ছাত্রলীগে মেধাবী ছাত্রদের নেতা বানানো হত। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করত মেধাবীরা। ছাত্রলীগকে আবার আগের জায়গায় আসতে হবে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দুর্গাপূজার আনন্দে ধুনুচি নাচ আর বিয়ের প্রস্তুতিতে মিমি

ছাত্রলীগে আমার পছন্দের প্রার্থী আছে: শেখ হাসিনা

আপডেট সময় ০৮:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ছাত্রলীগে নিজের পছন্দের প্রার্থী রয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমার পছন্দের প্রার্থী আছে। তোমাদের কে আছে বল।’ শুক্রবার (১১ মে) রাতে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে ছাত্রলীগের আগামীর নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে দলীয় নেতাদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, ‘তোমাদের পছন্দের কোনও প্রার্থী থাকলে তোমরা নাম বল। দেখি আমার পছন্দের সঙ্গে মেলে কিনা’। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা এসব তথ্য জানান।

শেখ হাসিনা প্রথমে চট্রগ্রাম বিভাগের নেতাদের দিয়ে পছন্দের প্রার্থীর নাম জানতে চান। পরে অন্য বিভাগের নেতাদের কাছেও পছন্দের প্রার্থীর নাম জানতে চান। শেখ হাসিনার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে দলের তরুণ সকল নেতাই সমস্বরে বলেন, ‘আমাদের পছন্দ নাই আপা। আপনার পছন্দই আমাদের পছন্দ।’

দলীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, ‘চিরকুটের মাধ্যমেও লিখে দিতে পার’। তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতা হতে মনোনয়ন সংগ্রকারী সকলের ‘বায়োডাটা’ ও সবার পারিবারক পরিচিতি আমার হাতে আছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করে আমি পছন্দের প্রার্থী বেছে নিয়েছি’।

এসময় দলের এক সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগে নতুন নেতৃত্বে অন্তত একজন মেয়েকে শীর্ষ পদে রাখার প্রস্তাব করেন। বৈঠকে ছাত্রলীগের সাবেক দুই নেতা (কেন্দ্রীয় নেতা নয়) সংগঠনের অন্য সাবেক নেতাদের কড়া সমালোচনা করে শেখ হাসিনার সামনে। বৈঠকে পরে ছাত্রলীগের বয়সসীমা নিয়ে আলোচনা উঠে। বিস্তারিত আলোচনা শেষে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলনের তারিখ পর্যন্ত যার বয়স ২৮ বছর ৩’শ ৬৪দিন সেও নেতা হতে পারবে’।

ছাত্রলীগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ২৮ বছরে বয়স বেঁধে দিলে ছাত্রলীগের অনেক নেতা হতাশ হয়ে পড়েন। এরপর কেন্দ্রীয় নেতারা গণভবনে গিয়ে এর সমাধান করেন। পরে তিনি ঘোষণা দেন, সম্মেলনের তারিখ পর্যন্ত যার বয়স ২৯ বছর অতিক্রম করেনি সেই ছাত্র নেতা হওয়ার যোগ্যতা রাখবে। প্রায় আড়াই ঘন্টার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। পরে শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় নেতাদের সবাইকে শনিবার ছাত্রলীগের সম্মেলনস্থলে যেতে নিদের্শ দেন। সেখানে যারা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন তাদের সবার নাম ঘোষণা করতে। এরপর প্রার্থীদের নাম নিয়ে গণভবনে চলে আসার নিদের্শ দেন। সেখান থেকে ছাত্রলীগের নয়া নেতৃত্ব নির্বাচন করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যেমে প্রকাশ করা হবে।

ওই সময় শেখ হাসিনা বলেন, আগে ছাত্রলীগে মেধাবী ছাত্রদের নেতা বানানো হত। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করত মেধাবীরা। ছাত্রলীগকে আবার আগের জায়গায় আসতে হবে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।