ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

আজকের ছেলেমেয়েরাই একদিন দেশের কর্ণধার হবে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় যারা পাস করেছে তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের এই ছেলে-মেয়েরাই আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম। তারা একদিন দেশের কর্ণধার হবে। তারা যেন উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে, সেটাই আমরা চাই।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার কিছুটা কম হলেও হতাশ না হয়ে পড়ালেখায় আরও মনযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যারা পাস করতে পারেনি তাদেরকে বকাঝকা না করে সন্তান যেন পড়াশোনায় আরও মনযোগী হয়, সে দিকে নজর দিকে অভিভাবক এবং শিক্ষকদের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছেন মোট ৭৭.৭৭ শতাংশ। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে কম। গত বছর পাসের হার ছিল ৮০.৩৫ শতাংশ। তারও আগের বছর পাসের হার ছিল ৮৮ শতাংশেরও বেশি।

২০০৯ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে পাসের হার বাড়ছিল। তবে গত তিন বছর ধরে সেটা আবার কমছে। গত বছর শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, খাতা দেখায় কড়াকড়ি এবং নম্বর দেয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়ার ফলে এটা ঘটেছে।

চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলে ওই মাসের ২৫ তারিখ অবধি। পরীক্ষায় এমসিকিউ এর প্রশ্ন আগেভাগে সামাজিক মাধ্যমে আসা নিয়ে দেশে তোলপাড় হয়েছিল। তবে পাসের হারের ক্ষেত্রে সেটি যে প্রভাব ফেলেনি, সেটা স্পষ্ট।

রবিবার সকালে বাসভবন গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং ১০টি শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলাফল তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী পরীক্ষার ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। জানান, গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এবারও বেশি ভালো করেছে। আর বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী আরও বেড়েছে।

অনুষ্ঠানে বরিশাল এবং বান্দরবান থেকে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যোগ দেন মোট চার জন পরীক্ষার্থী এবং দুই জন শিক্ষক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পাসের হার কিছুটা কম মনে হলেও সেটা খুবই হতাশাজনক না। কারণ ৭৭.৭৭ ভাগ পাস করাও কম কথা না। আগামীতে এটা আরও বৃদ্ধি পাবে, সেটা আমি আশা করি।’

যারা পাস করতে পারেনি, তাদেরকে হতাশায় নিমজ্জিত না হওয়ারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘মনযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে আবার পরীক্ষা দিলে অবশ্যই যারা পাস করতে পারেনি, তারা পাস করবে।’

যারা ফেল করেছে তাদের পাশে দাঁড়াতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘অভিভাবকদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, যদি কেউ যদি কেউ অকৃতকার্য হয়ে থাকে, তাদেরকে বকাঝকা করে লাভ নাই।’

‘বরং তাদের প্রতি আরও মনযোগী হতে হবে যেন তারা আরও মন দিয়ে পড়াশোনা করে আর পড়াশোনা করলেই তারা আগামীতে পাস করতে পারবে।…শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও আমি এই কথাই বলব।’

মেয়েদের প্রশংসা করে ছেলেদেরকে পড়াশোনায় আরও মনযোগী হতে বলেন শেখ হাসিনা। বলেন, ‘পাসের ক্ষেত্রে মেয়েরা দুই ভাগ বেশি। এটা ঠিক না, আমাদের ছেলেদের আরও মনযোগী হতে হবে। তারা যেন সমান সমান পাস করে, এটা আমরা চাই।’

‘আমি সকলকে বলব লেখাপড়ায় মনযোগ দিতে হবে। লেখাপড়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে যা যা করণীয়, আমাদের সরকার করে যাচ্ছে।’

‘ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ আমরা তখনেই বলতে পারব, যখন আমাদের দেশের মানুষ শতভাগ শিক্ষিত হবে।’

‘শিক্ষা এমন একটা জিনিস যেটা কখনও কেউ কেড়ে নিতে পারে না। কাজেই শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে একটা দেশকে সমৃদ্ধশালী করা যায়।’

রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ ২০১৮ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের অনুলিপি তুলে দেয়ার পর সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

যারা পাস করেছে তাদের অভিনন্দন জানান প্রধানন্ত্রী। তবে যারা পাস করতে পারেনি তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা হতাশ হবে না। আর একটু মনোযোগ দিতে হবে পড়াশোনায়। যাতে ভবিষ্যতে পাস করতে পারো।

এর আগে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী এসময় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও ছিলেন এই অনুষ্ঠানে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হবে। এতে পরিবারের মুখ উজ্জ্বল হবে, দেশের মুখও উজ্জ্বল হবে।

তিনি বলেন, আর আমরা তো ধীরে ধীরে বৃদ্ধ হয়ে গেছি। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম সুশিক্ষিত হবে, উচ্চশিক্ষিত হবে। তারা দেশের কর্ণধার হবে। সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।

তারা যেন উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে, সেটাই আমরা চাই, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি এবার যেহেতু পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও বেশি, হয়ত সংখ্যার হিসেবে কিছুটা আমাদের পাসের হার কম মনে হলেও প্রকৃত পক্ষে বলবো,সেটা খুবই হতাশাজনক না। কারণ ৭৭দশমিক ৭৭শতাংশ পাস করা এটাও কিন্তু কম কথা নয়।

আগামীতে এটা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমি আশা করি এজন্য সবাই আন্তরিক ধন্যবাদও জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

আজকের ছেলেমেয়েরাই একদিন দেশের কর্ণধার হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৫২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় যারা পাস করেছে তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের এই ছেলে-মেয়েরাই আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম। তারা একদিন দেশের কর্ণধার হবে। তারা যেন উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে, সেটাই আমরা চাই।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার কিছুটা কম হলেও হতাশ না হয়ে পড়ালেখায় আরও মনযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যারা পাস করতে পারেনি তাদেরকে বকাঝকা না করে সন্তান যেন পড়াশোনায় আরও মনযোগী হয়, সে দিকে নজর দিকে অভিভাবক এবং শিক্ষকদের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছেন মোট ৭৭.৭৭ শতাংশ। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে কম। গত বছর পাসের হার ছিল ৮০.৩৫ শতাংশ। তারও আগের বছর পাসের হার ছিল ৮৮ শতাংশেরও বেশি।

২০০৯ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে পাসের হার বাড়ছিল। তবে গত তিন বছর ধরে সেটা আবার কমছে। গত বছর শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, খাতা দেখায় কড়াকড়ি এবং নম্বর দেয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়ার ফলে এটা ঘটেছে।

চলতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলে ওই মাসের ২৫ তারিখ অবধি। পরীক্ষায় এমসিকিউ এর প্রশ্ন আগেভাগে সামাজিক মাধ্যমে আসা নিয়ে দেশে তোলপাড় হয়েছিল। তবে পাসের হারের ক্ষেত্রে সেটি যে প্রভাব ফেলেনি, সেটা স্পষ্ট।

রবিবার সকালে বাসভবন গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং ১০টি শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলাফল তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী পরীক্ষার ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। জানান, গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এবারও বেশি ভালো করেছে। আর বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী আরও বেড়েছে।

অনুষ্ঠানে বরিশাল এবং বান্দরবান থেকে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যোগ দেন মোট চার জন পরীক্ষার্থী এবং দুই জন শিক্ষক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পাসের হার কিছুটা কম মনে হলেও সেটা খুবই হতাশাজনক না। কারণ ৭৭.৭৭ ভাগ পাস করাও কম কথা না। আগামীতে এটা আরও বৃদ্ধি পাবে, সেটা আমি আশা করি।’

যারা পাস করতে পারেনি, তাদেরকে হতাশায় নিমজ্জিত না হওয়ারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘মনযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে আবার পরীক্ষা দিলে অবশ্যই যারা পাস করতে পারেনি, তারা পাস করবে।’

যারা ফেল করেছে তাদের পাশে দাঁড়াতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘অভিভাবকদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, যদি কেউ যদি কেউ অকৃতকার্য হয়ে থাকে, তাদেরকে বকাঝকা করে লাভ নাই।’

‘বরং তাদের প্রতি আরও মনযোগী হতে হবে যেন তারা আরও মন দিয়ে পড়াশোনা করে আর পড়াশোনা করলেই তারা আগামীতে পাস করতে পারবে।…শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও আমি এই কথাই বলব।’

মেয়েদের প্রশংসা করে ছেলেদেরকে পড়াশোনায় আরও মনযোগী হতে বলেন শেখ হাসিনা। বলেন, ‘পাসের ক্ষেত্রে মেয়েরা দুই ভাগ বেশি। এটা ঠিক না, আমাদের ছেলেদের আরও মনযোগী হতে হবে। তারা যেন সমান সমান পাস করে, এটা আমরা চাই।’

‘আমি সকলকে বলব লেখাপড়ায় মনযোগ দিতে হবে। লেখাপড়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে যা যা করণীয়, আমাদের সরকার করে যাচ্ছে।’

‘ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ আমরা তখনেই বলতে পারব, যখন আমাদের দেশের মানুষ শতভাগ শিক্ষিত হবে।’

‘শিক্ষা এমন একটা জিনিস যেটা কখনও কেউ কেড়ে নিতে পারে না। কাজেই শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে একটা দেশকে সমৃদ্ধশালী করা যায়।’

রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ ২০১৮ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের অনুলিপি তুলে দেয়ার পর সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

যারা পাস করেছে তাদের অভিনন্দন জানান প্রধানন্ত্রী। তবে যারা পাস করতে পারেনি তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা হতাশ হবে না। আর একটু মনোযোগ দিতে হবে পড়াশোনায়। যাতে ভবিষ্যতে পাস করতে পারো।

এর আগে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী এসময় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও ছিলেন এই অনুষ্ঠানে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হবে। এতে পরিবারের মুখ উজ্জ্বল হবে, দেশের মুখও উজ্জ্বল হবে।

তিনি বলেন, আর আমরা তো ধীরে ধীরে বৃদ্ধ হয়ে গেছি। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম সুশিক্ষিত হবে, উচ্চশিক্ষিত হবে। তারা দেশের কর্ণধার হবে। সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।

তারা যেন উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে, সেটাই আমরা চাই, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি এবার যেহেতু পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও বেশি, হয়ত সংখ্যার হিসেবে কিছুটা আমাদের পাসের হার কম মনে হলেও প্রকৃত পক্ষে বলবো,সেটা খুবই হতাশাজনক না। কারণ ৭৭দশমিক ৭৭শতাংশ পাস করা এটাও কিন্তু কম কথা নয়।

আগামীতে এটা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমি আশা করি এজন্য সবাই আন্তরিক ধন্যবাদও জানান তিনি।