ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শুটিং স্পটে পরিচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক অভিনেত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শুটিং স্পটে পরিচালক একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক অভিনেত্রী। এই তরুণী অভিযোগ করেছেন, ওই পরিচালকের নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। অভিনয়ের জন্য গাজীপুরের নীলেরপাড়া এলাকায় শুটিং স্পটে গিয়ে তিনি ধর্ষণের শিকার হন। এ ব্যাপারে গতকাল শুক্রবার রাতে গাজীপুরের জয়দেবপুর থানায় ওই তরুণী পরিচালকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মিজানুর রহমান ওরফে শামীম (৫৩) নামের ওই পরিচালক ১০ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত শুটিং স্পটে তরুণীকে ধর্ষণ করেছেন। মিজানুর রহমানের বাড়ি গাজীপুর জেলা শহরের বিলাসপুর এলাকায়। অন্য আসামিরা হলেন মিজানুরের সহযোগী আতিক (৩০) ও ক্যামেরাম্যান মো. মামুন (২৬)।

মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই তরুণীর গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ী জেলায়। বর্তমানে তিনি ঢাকার সাভার উপজেলায় বোনের পরিবারের সঙ্গে থেকে মডেলিংয়ের কাজ করেন। সম্প্রতি মিজানুর ওই তরুণীকে নির্দিষ্ট সম্মানীতে তাঁর পরিচালিত নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করার প্রস্তাব দেন। তাঁর প্রস্তাবে রাজি হয়ে ৮ এপ্রিল সকালে গাজীপুরের নীলেরপাড়া এলাকায় অবস্থিত ওই শুটিং স্পটে যান তরুণী। সেখানে অন্য শিল্পীদের সঙ্গে অভিনয়ও শুরু করেন। তবে ১০ এপ্রিল রাতে মিজানুর তরুণীর কক্ষে প্রবেশ করে ধর্ষণ করেন। এ সময় আতিক ও ক্যামেরাম্যান মামুন কক্ষের দরজায় পাহারা দিয়ে মিজানুরকে ধর্ষণে সহযোগিতা করেন।

মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, ধর্ষণের বিষয়টি ফাঁস করলে মেরে ফেলা হবে, এমন হুমকি দিয়ে তরুণীকে দিয়ে অভিনয়ের কাজ চালিয়ে যান মিজানুর। এরপরও তিনি তরুণীকে ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ ২৩ এপ্রিল মিজানুর ধর্ষণ করার পর ওই তরুণী কৌশলে শুটিং স্পট থেকে বের হয়ে স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানান।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ওই ঘটনার পর থেকে অভিযোগকারী তরুণী শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে মামলাটি করেন। তবে মিজানুর কোন প্রতিষ্ঠান থেকে নাটক বা চলচ্চিত্র তৈরি করছিলেন, তা জানাননি ওই তরুণী।

জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, শনিবার ওই তরুণীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

শুটিং স্পটে পরিচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক অভিনেত্রী

আপডেট সময় ০৭:৫৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শুটিং স্পটে পরিচালক একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক অভিনেত্রী। এই তরুণী অভিযোগ করেছেন, ওই পরিচালকের নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। অভিনয়ের জন্য গাজীপুরের নীলেরপাড়া এলাকায় শুটিং স্পটে গিয়ে তিনি ধর্ষণের শিকার হন। এ ব্যাপারে গতকাল শুক্রবার রাতে গাজীপুরের জয়দেবপুর থানায় ওই তরুণী পরিচালকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মিজানুর রহমান ওরফে শামীম (৫৩) নামের ওই পরিচালক ১০ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত শুটিং স্পটে তরুণীকে ধর্ষণ করেছেন। মিজানুর রহমানের বাড়ি গাজীপুর জেলা শহরের বিলাসপুর এলাকায়। অন্য আসামিরা হলেন মিজানুরের সহযোগী আতিক (৩০) ও ক্যামেরাম্যান মো. মামুন (২৬)।

মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই তরুণীর গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ী জেলায়। বর্তমানে তিনি ঢাকার সাভার উপজেলায় বোনের পরিবারের সঙ্গে থেকে মডেলিংয়ের কাজ করেন। সম্প্রতি মিজানুর ওই তরুণীকে নির্দিষ্ট সম্মানীতে তাঁর পরিচালিত নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করার প্রস্তাব দেন। তাঁর প্রস্তাবে রাজি হয়ে ৮ এপ্রিল সকালে গাজীপুরের নীলেরপাড়া এলাকায় অবস্থিত ওই শুটিং স্পটে যান তরুণী। সেখানে অন্য শিল্পীদের সঙ্গে অভিনয়ও শুরু করেন। তবে ১০ এপ্রিল রাতে মিজানুর তরুণীর কক্ষে প্রবেশ করে ধর্ষণ করেন। এ সময় আতিক ও ক্যামেরাম্যান মামুন কক্ষের দরজায় পাহারা দিয়ে মিজানুরকে ধর্ষণে সহযোগিতা করেন।

মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, ধর্ষণের বিষয়টি ফাঁস করলে মেরে ফেলা হবে, এমন হুমকি দিয়ে তরুণীকে দিয়ে অভিনয়ের কাজ চালিয়ে যান মিজানুর। এরপরও তিনি তরুণীকে ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ ২৩ এপ্রিল মিজানুর ধর্ষণ করার পর ওই তরুণী কৌশলে শুটিং স্পট থেকে বের হয়ে স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানান।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ওই ঘটনার পর থেকে অভিযোগকারী তরুণী শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে মামলাটি করেন। তবে মিজানুর কোন প্রতিষ্ঠান থেকে নাটক বা চলচ্চিত্র তৈরি করছিলেন, তা জানাননি ওই তরুণী।

জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, শনিবার ওই তরুণীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।