ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

শুটিং স্পটে পরিচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক অভিনেত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শুটিং স্পটে পরিচালক একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক অভিনেত্রী। এই তরুণী অভিযোগ করেছেন, ওই পরিচালকের নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। অভিনয়ের জন্য গাজীপুরের নীলেরপাড়া এলাকায় শুটিং স্পটে গিয়ে তিনি ধর্ষণের শিকার হন। এ ব্যাপারে গতকাল শুক্রবার রাতে গাজীপুরের জয়দেবপুর থানায় ওই তরুণী পরিচালকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মিজানুর রহমান ওরফে শামীম (৫৩) নামের ওই পরিচালক ১০ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত শুটিং স্পটে তরুণীকে ধর্ষণ করেছেন। মিজানুর রহমানের বাড়ি গাজীপুর জেলা শহরের বিলাসপুর এলাকায়। অন্য আসামিরা হলেন মিজানুরের সহযোগী আতিক (৩০) ও ক্যামেরাম্যান মো. মামুন (২৬)।

মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই তরুণীর গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ী জেলায়। বর্তমানে তিনি ঢাকার সাভার উপজেলায় বোনের পরিবারের সঙ্গে থেকে মডেলিংয়ের কাজ করেন। সম্প্রতি মিজানুর ওই তরুণীকে নির্দিষ্ট সম্মানীতে তাঁর পরিচালিত নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করার প্রস্তাব দেন। তাঁর প্রস্তাবে রাজি হয়ে ৮ এপ্রিল সকালে গাজীপুরের নীলেরপাড়া এলাকায় অবস্থিত ওই শুটিং স্পটে যান তরুণী। সেখানে অন্য শিল্পীদের সঙ্গে অভিনয়ও শুরু করেন। তবে ১০ এপ্রিল রাতে মিজানুর তরুণীর কক্ষে প্রবেশ করে ধর্ষণ করেন। এ সময় আতিক ও ক্যামেরাম্যান মামুন কক্ষের দরজায় পাহারা দিয়ে মিজানুরকে ধর্ষণে সহযোগিতা করেন।

মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, ধর্ষণের বিষয়টি ফাঁস করলে মেরে ফেলা হবে, এমন হুমকি দিয়ে তরুণীকে দিয়ে অভিনয়ের কাজ চালিয়ে যান মিজানুর। এরপরও তিনি তরুণীকে ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ ২৩ এপ্রিল মিজানুর ধর্ষণ করার পর ওই তরুণী কৌশলে শুটিং স্পট থেকে বের হয়ে স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানান।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ওই ঘটনার পর থেকে অভিযোগকারী তরুণী শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে মামলাটি করেন। তবে মিজানুর কোন প্রতিষ্ঠান থেকে নাটক বা চলচ্চিত্র তৈরি করছিলেন, তা জানাননি ওই তরুণী।

জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, শনিবার ওই তরুণীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শুটিং স্পটে পরিচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক অভিনেত্রী

আপডেট সময় ০৭:৫৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শুটিং স্পটে পরিচালক একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক অভিনেত্রী। এই তরুণী অভিযোগ করেছেন, ওই পরিচালকের নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। অভিনয়ের জন্য গাজীপুরের নীলেরপাড়া এলাকায় শুটিং স্পটে গিয়ে তিনি ধর্ষণের শিকার হন। এ ব্যাপারে গতকাল শুক্রবার রাতে গাজীপুরের জয়দেবপুর থানায় ওই তরুণী পরিচালকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মিজানুর রহমান ওরফে শামীম (৫৩) নামের ওই পরিচালক ১০ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত শুটিং স্পটে তরুণীকে ধর্ষণ করেছেন। মিজানুর রহমানের বাড়ি গাজীপুর জেলা শহরের বিলাসপুর এলাকায়। অন্য আসামিরা হলেন মিজানুরের সহযোগী আতিক (৩০) ও ক্যামেরাম্যান মো. মামুন (২৬)।

মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই তরুণীর গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ী জেলায়। বর্তমানে তিনি ঢাকার সাভার উপজেলায় বোনের পরিবারের সঙ্গে থেকে মডেলিংয়ের কাজ করেন। সম্প্রতি মিজানুর ওই তরুণীকে নির্দিষ্ট সম্মানীতে তাঁর পরিচালিত নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করার প্রস্তাব দেন। তাঁর প্রস্তাবে রাজি হয়ে ৮ এপ্রিল সকালে গাজীপুরের নীলেরপাড়া এলাকায় অবস্থিত ওই শুটিং স্পটে যান তরুণী। সেখানে অন্য শিল্পীদের সঙ্গে অভিনয়ও শুরু করেন। তবে ১০ এপ্রিল রাতে মিজানুর তরুণীর কক্ষে প্রবেশ করে ধর্ষণ করেন। এ সময় আতিক ও ক্যামেরাম্যান মামুন কক্ষের দরজায় পাহারা দিয়ে মিজানুরকে ধর্ষণে সহযোগিতা করেন।

মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, ধর্ষণের বিষয়টি ফাঁস করলে মেরে ফেলা হবে, এমন হুমকি দিয়ে তরুণীকে দিয়ে অভিনয়ের কাজ চালিয়ে যান মিজানুর। এরপরও তিনি তরুণীকে ধর্ষণ করেন। সর্বশেষ ২৩ এপ্রিল মিজানুর ধর্ষণ করার পর ওই তরুণী কৌশলে শুটিং স্পট থেকে বের হয়ে স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানান।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ওই ঘটনার পর থেকে অভিযোগকারী তরুণী শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে মামলাটি করেন। তবে মিজানুর কোন প্রতিষ্ঠান থেকে নাটক বা চলচ্চিত্র তৈরি করছিলেন, তা জানাননি ওই তরুণী।

জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, শনিবার ওই তরুণীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।